ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন, এ আইনে অপপ্রয়োগ বন্ধ এবং সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে রাজধানীতে মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকরা।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা চত্বরে এ মানববন্ধন করেন সাংবাদিকরা। তারা তিন দফা দাবি জানিয়ে এই কর্মসূচি শেষ করেন।

সাংবাদিকরা ‘মোজাক্কির হত্যার দ্রুত বিচার চাই, প্রেসক্লাবে গুলি কেন জবাব চাই, প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক সমাবেশ নিষিদ্ধ হোক, সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধ হোক, মোজাক্কিরকে মারল কে, প্রশাসন জবাব চাই’সহ নানা ধরনের প্লাকাড হাতে নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন।

সাধারণ সাংবাদিকরা আজকের এই মানববন্ধনে তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো- সাংবাদিক মুজাক্কির রহস্য দ্রুত উন্মোচন করে দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের ব্যবস্থা করা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে ধারাগুলো স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করে সেগুলো দ্রুত কমিটি করে সংশোধনের ব্যবস্থা করা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হয়রানি এবং এর অপপ্রয়োগ নিয়ে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া।

এ সময় সাংবাদিক হত্যায় বিচারহীনতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগকে একযোগে ‘না’ লিখে প্রতিবাদ জানান আন্দোলনকারী সাংবাদিকরা। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাসের পর থেকেই বিভিন্ন পর্যায়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। শুধু তাই নয়, বর্তমানে সাংবাদিকরা হত্যার ও হামলা-মামলার শিকার হলে বিচার না হওয়ার এক কালো অধ্যায় চলছে বলেও অভিযোগ করেন মানববন্ধনকারীরা। এ জন্য সরকারকে এসব হত্যা ও নির্যাতনের মামলার দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ বলেন, ‘এই আইন তৈরির প্রক্রিয়া যখন শুরু হয়, তখন থেকেই সাংবাদিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষ এ আইন নিয়ে এক ধরনের ভীতির মধ্যে ছিল। সাংবাদিকদের লেখনীর ধারাকে রুখে দিতে এই আইন একটি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। এই আইনের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা,সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ করা হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় একের পর এক মামলা দিয়ে সাংবাদিকদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। দিনের পর দিন জেলে রাখা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, কর্মকর্তা, বেসরকারি বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ এবং সমাজের যারা দুষ্টু লোক আছেন, তারা এই আইনে মামলার ভয় দেখিয়ে সাংবাদিকদের দায়িত্ব থেকে বিরত করার চেষ্টা করছে। এই আইনটি করার আগ মুহূর্তে সাংবাদিকরা যে আশঙ্কা করছিল যে, আইনটি দ্বারা তাদের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হবে. এখন সেটা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে। এ ছাড়াও সাধারণ মানুষকে যে বাক-স্বাধীনতার অধিকার সংবিধানে দেওয়া হয়েছে, সেখানেও প্রতিবন্ধকতা দেখা গেছে।’

সাংবাদিক রাজু হামিদ বলেন, ‘যদি সম্ভব হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুরোপুরি বাতিল করা হোক। আর তা যদি না হয়, তাহলে এই আইনের যেসব ধারা মত প্রকাশ ও স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধক, সেগুলো সংশোধন করা হোক।’

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আক্তার হোসেন বলেন, ‘এই আইন নিয়ে সাংবাদিক সমাজের যে উদ্বিগ্নতা ছিল, তা আজ প্রমাণিত হয়েছে। সাংবাদিকরা এখন একটা স্ট্যাটাস দিতে গিয়েও ভয় পায়। তারা মনে করেন, একটি স্ট্যাটাস দিলে মামলা দিয়ে তাদের জেলে পাঠানো হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে তার প্রমাণ আপনারা পেয়েছেন। আমরা বিশ্বাস করি, সাংবাদিক সমাজ মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তারা স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা পেশায় থাকতে চান।’

নোয়াখালীতে সাংবাদিকের মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করে আক্তার হোসেন বলেন, ‘এক ধরনের কালো অধ্যায় তৈরি হয়ে যাচ্ছে। কোনও সাংবাদিক মারা গেলে ও আহত হলে সেটার মামলা হয় না, তদন্ত হয় না, চার্জশিট জমা পড়ে না। একদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ভয়ে, অপরদিকে সাধারণভাবে কাজ করতে গেলেও ভয় কাজ করে। পাড়া-মহল্লায় মস্তান বাহিনী তৈরি হয়েছে। তারা সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে চায়। আমি মনে করি, প্রত্যেকটি ঘটনায সরকারের তদন্ত করা দরকার। দোষীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে শাস্তি দেওয়া হোক।’

এরপর তিন দফা দাবি পেশ করেন সাংবাদিক দীপন দেওয়ান। তিনি বলেন, আমাদের তিন দফা দাবি যদি সরকার অবিলম্বে না মেনে নেয়, তাহলে আমরা আজকের কর্মসূচি থেকে বলতে চাই; আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।’

মানববন্ধনের সমাপনী বক্তব্যে নাদিয়া শারমিন বলেন, ‘স্বাধীন সাংবাদিকতার জায়গাটি যখন বাধাগ্রস্ত হবে তখন সমাজে গুজব ও অনিয়ম ছড়াবে, সমাজের দর্পণ অর্থাৎ সাংবাদিকতা সমাজের পরিষ্কার প্রতিছবি দেখাবে না। আমরা মনে করি, সাংবাদিক হত্যা, সাংবাদিক নির্যাতন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগের মাধ্যমে সাংবাদিকতা ও স্বাধীন মত প্রকাশকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। সেসব বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তসহ বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। যাতে স্বাধীন মত প্রকাশ কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়। যাতে বাংলাদেশকে উন্নত করার পক্ষে সাংবাদিকরা তাদের উপযুক্ত ভূমিকা রাখতে পারে এবং সমাজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি বা অপকর্ম তুলে ধরতে পারে। সেজন্য সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ দরকার।

Facebook Comments Box
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» কত পারিশ্রমিক নেন জানভি?

» রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বিলুপ্ত প্রজাতির বানর উদ্ধার

» ইতিহাস বিকৃতির অপপ্রয়াস কখনো সফল হবে না: আমু

» সমঝোতা নয়, হেফাজতকে শক্তভাবে দমনের দাবি

» আলেমরা নন, গ্রেপ্তার হচ্ছে দুষ্কৃতকারীরা: তথ্যমন্ত্রী

» রমজান মাস… রাজগঞ্জের হানুয়ারের হাতে ভাজা মুক্তি মুড়ি মানুষের কাছে অধিক জনপ্রিয়

» সংবাদ প্রকাশের পর  আনারুলকে অর্থ ও টিন দিল সমাজকল্যাণ মন্ত্রী 

» ‘নগদ’ এখন ৪ কোটি গ্রাহকের অপারেটর

» আর কত গরিব হলে সরকারী ঘর পাবো বৃদ্ধা আনোয়ারা 

» নওগাঁয় বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন, এ আইনে অপপ্রয়োগ বন্ধ এবং সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে রাজধানীতে মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকরা।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা চত্বরে এ মানববন্ধন করেন সাংবাদিকরা। তারা তিন দফা দাবি জানিয়ে এই কর্মসূচি শেষ করেন।

সাংবাদিকরা ‘মোজাক্কির হত্যার দ্রুত বিচার চাই, প্রেসক্লাবে গুলি কেন জবাব চাই, প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক সমাবেশ নিষিদ্ধ হোক, সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধ হোক, মোজাক্কিরকে মারল কে, প্রশাসন জবাব চাই’সহ নানা ধরনের প্লাকাড হাতে নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন।

সাধারণ সাংবাদিকরা আজকের এই মানববন্ধনে তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো- সাংবাদিক মুজাক্কির রহস্য দ্রুত উন্মোচন করে দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের ব্যবস্থা করা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে ধারাগুলো স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করে সেগুলো দ্রুত কমিটি করে সংশোধনের ব্যবস্থা করা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হয়রানি এবং এর অপপ্রয়োগ নিয়ে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া।

এ সময় সাংবাদিক হত্যায় বিচারহীনতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগকে একযোগে ‘না’ লিখে প্রতিবাদ জানান আন্দোলনকারী সাংবাদিকরা। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাসের পর থেকেই বিভিন্ন পর্যায়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। শুধু তাই নয়, বর্তমানে সাংবাদিকরা হত্যার ও হামলা-মামলার শিকার হলে বিচার না হওয়ার এক কালো অধ্যায় চলছে বলেও অভিযোগ করেন মানববন্ধনকারীরা। এ জন্য সরকারকে এসব হত্যা ও নির্যাতনের মামলার দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ বলেন, ‘এই আইন তৈরির প্রক্রিয়া যখন শুরু হয়, তখন থেকেই সাংবাদিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষ এ আইন নিয়ে এক ধরনের ভীতির মধ্যে ছিল। সাংবাদিকদের লেখনীর ধারাকে রুখে দিতে এই আইন একটি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। এই আইনের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা,সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ করা হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় একের পর এক মামলা দিয়ে সাংবাদিকদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। দিনের পর দিন জেলে রাখা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, কর্মকর্তা, বেসরকারি বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ এবং সমাজের যারা দুষ্টু লোক আছেন, তারা এই আইনে মামলার ভয় দেখিয়ে সাংবাদিকদের দায়িত্ব থেকে বিরত করার চেষ্টা করছে। এই আইনটি করার আগ মুহূর্তে সাংবাদিকরা যে আশঙ্কা করছিল যে, আইনটি দ্বারা তাদের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হবে. এখন সেটা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে। এ ছাড়াও সাধারণ মানুষকে যে বাক-স্বাধীনতার অধিকার সংবিধানে দেওয়া হয়েছে, সেখানেও প্রতিবন্ধকতা দেখা গেছে।’

সাংবাদিক রাজু হামিদ বলেন, ‘যদি সম্ভব হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুরোপুরি বাতিল করা হোক। আর তা যদি না হয়, তাহলে এই আইনের যেসব ধারা মত প্রকাশ ও স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধক, সেগুলো সংশোধন করা হোক।’

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আক্তার হোসেন বলেন, ‘এই আইন নিয়ে সাংবাদিক সমাজের যে উদ্বিগ্নতা ছিল, তা আজ প্রমাণিত হয়েছে। সাংবাদিকরা এখন একটা স্ট্যাটাস দিতে গিয়েও ভয় পায়। তারা মনে করেন, একটি স্ট্যাটাস দিলে মামলা দিয়ে তাদের জেলে পাঠানো হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে তার প্রমাণ আপনারা পেয়েছেন। আমরা বিশ্বাস করি, সাংবাদিক সমাজ মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তারা স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা পেশায় থাকতে চান।’

নোয়াখালীতে সাংবাদিকের মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করে আক্তার হোসেন বলেন, ‘এক ধরনের কালো অধ্যায় তৈরি হয়ে যাচ্ছে। কোনও সাংবাদিক মারা গেলে ও আহত হলে সেটার মামলা হয় না, তদন্ত হয় না, চার্জশিট জমা পড়ে না। একদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ভয়ে, অপরদিকে সাধারণভাবে কাজ করতে গেলেও ভয় কাজ করে। পাড়া-মহল্লায় মস্তান বাহিনী তৈরি হয়েছে। তারা সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে চায়। আমি মনে করি, প্রত্যেকটি ঘটনায সরকারের তদন্ত করা দরকার। দোষীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে শাস্তি দেওয়া হোক।’

এরপর তিন দফা দাবি পেশ করেন সাংবাদিক দীপন দেওয়ান। তিনি বলেন, আমাদের তিন দফা দাবি যদি সরকার অবিলম্বে না মেনে নেয়, তাহলে আমরা আজকের কর্মসূচি থেকে বলতে চাই; আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।’

মানববন্ধনের সমাপনী বক্তব্যে নাদিয়া শারমিন বলেন, ‘স্বাধীন সাংবাদিকতার জায়গাটি যখন বাধাগ্রস্ত হবে তখন সমাজে গুজব ও অনিয়ম ছড়াবে, সমাজের দর্পণ অর্থাৎ সাংবাদিকতা সমাজের পরিষ্কার প্রতিছবি দেখাবে না। আমরা মনে করি, সাংবাদিক হত্যা, সাংবাদিক নির্যাতন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগের মাধ্যমে সাংবাদিকতা ও স্বাধীন মত প্রকাশকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। সেসব বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তসহ বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। যাতে স্বাধীন মত প্রকাশ কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়। যাতে বাংলাদেশকে উন্নত করার পক্ষে সাংবাদিকরা তাদের উপযুক্ত ভূমিকা রাখতে পারে এবং সমাজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি বা অপকর্ম তুলে ধরতে পারে। সেজন্য সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ দরকার।

Facebook Comments Box
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com