চট্টগ্রাম রাজপথে ভরসা নৌকা

প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরের বেশির ভাগ এলাকা তলিয়ে গেছে। তৈরি হয়েছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। জমে যাওয়া পানি বেরিয়ে যেতে না পারায় কার্যত গোটা সিটিই ডুবে রয়েছে। দুর্ভোগের মুখে জনজীবনে বিরাজ করছে অচলাবস্থা। এ অবস্থায় রাজপথে চলাচলের জন্য এখন ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে নৌকা। গতকালের প্রবল বর্ষণে এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বন্দর এলাকার ফকির হাট রোডে আগে জলাবদ্ধতা না হলেও গতকালের বর্ষণে এ এলাকাও তলিয়ে গেছে। নগরের বড়পুল থেকে নিমতলা পর্যন্ত সড়কে অতীতে সামান্যই পানি জমলেও গতকাল সাড়ে ৫ কিলোমিটারের এ সড়কে হাঁটুপানি জমেছে। একইভাবে হাঁটুপানিতে ডুবে আছে মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত ফ্লাইওভারও। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান কার্যালয়ের নিচতলা, চট্টগ্রাম মা-শিশু জেনারেল হাসপাতালের নিচতলায় হাঁটুপানি উঠে গেছে। বর্ষণে নগরের প্রায় সব নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে সংকট দেখা দিয়েছে গণপরিবহনের। বাধ্য হয়ে অনেককে নৌকায় যাতায়াত করতে হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পানিতে ভাসছে চকবাজার, বহদ্দারহাটসহ আশপাশের কাঁচা বাজারগুলোও। পানি ঢুকেছে নগরের বিভিন্ন মার্কেটের নিচতলা, বিভিন্ন নিচু এলাকার কলোনি ও ভবনের নিচতলার বাসাগুলোয়। তা ছাড়া নগরের হালিশহরের নয়াবাজার, বড়পুল, এক্সেস রোড, নিমতলা থেকে বড়পুল মোড়, ওয়াসা, মেহেদিবাগ, প্রবর্তক, অক্সিজেন মোড়, মুরাদপুর, মোহাম্মদপুর আবাসিক এলাকা, ২ নম্বর গেট, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা, বহদ্দারহাট, বাদুড়তলা, পাঁচলাইশ, শুলকবহর, কাপাসগোলা, কাতালগঞ্জ, বাকলিয়ার কে বি আমান আলী রোড, কালামিয়া বাজার, চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ কোরবানিগঞ্জ, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা, বাকলিয়াসহ নগরের বড় এলাকাজুড়ে পানি থৈ থৈ করছে। হাঁটুপানি, কোথাও কোমরপানি, কাঁদাযুক্ত পানিতে ভাসছে নগরের সড়ক-উপসড়ক ও অলিগলি। বন্দরের পরিবহন বিভাগসূত্রে জানা গেছে, প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে (বঙ্গোপসাগর) বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে খাদ্যশস্যসহ বৃষ্টিতে ভিজলে নষ্ট হয় এমন খোলা পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। চার শতাধিক লাইটার কর্ণফুলী নদীতে বসে আছে। এদিকে প্রবল বর্ষণে নগরে দুটি দেয়ালধস ঘটেছে। এর একটি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সীমানা দেয়াল, অন্যটি হেমসেন লেন ১ নম্বর গলির নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের সীমানাপ্রাচীর। গতকাল সকালে ভারি বৃষ্টিপাতের সময় এ ঘটনা ঘটে। তবে দেয়ালধসে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। নগর পুলিশ জানায়, বৃষ্টির কারণে নগরের অধিকাংশ সড়কে যানজট তৈরি হয়েছে। কাপ্তাই রাস্তার মাথা, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, শুলকবহর, ২ নম্বর গেট, অক্সিজেন, জিইসি মোড় থেকে খুলশী, শিল্পকলা এলাকার মোহাম্মদ আলী রোড, ওয়্যারলেস গেট মুরগি ফার্ম, প্রবর্তক মোড়, চকবাজার, ডিসি রোড, ওয়াসা মোড়, নিউমার্কেট থেকে আমতলা, নিউমার্কেট থেকে বিআরটিসি মোড়, চৌমুহনী থেকে কদমতলী মোড়, আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় থেকে এক্সেস রোড, সদরঘাট মোড়, সল্টগোলা ক্রসিং, ইপিজেড থেকে বন্দরটিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় যানজট তৈরি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, এবারের বর্ষা মৌসুমের প্রথম ভারি বর্ষণেই এভাবে নগরের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মূল সড়ক পার হয়ে উপসড়ক ও গলিতেও হয়েছে নগরের অভিশাপ খ্যাত এ জলাবদ্ধতা। এ অবস্থায় পথে পথে অন্তহীন দুর্ভোগে পড়ছে মানুষ। বিপাকে পড়ছেন শিক্ষার্থী ও অফিসগামী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সড়কে ভেঙে পড়েছে গাছ। অভিযোগে জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) প্রতি বছর জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে নগরের নালা-নর্দমা ও ড্রেন পরিষ্কার করে। কিন্তু এ বছর চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চলমান মেগা প্রকল্পের কারণে চসিক পরিষ্কারের কাজটি করেনি, করেছে কেবল রুটিন ওয়ার্ক। তা ছাড়া চলমান মেগা প্রকল্পের কারণে কর্ণফুলী নদীর সংযোগ থাকা চারটি খালের মুখ প্রায় অচল। এর সঙ্গে আছে ওয়াসার অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়ি। ফলে নগরের পানি সহজে প্রবাহিত হতে না পারায় দ্রুত জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। নগরবাসীর অভিযোগ, দুই সেবা সংস্থার দায়িত্বহীনতায় এবার তাদের জলাবদ্ধতার ভয়ানক রূপ দেখতে হচ্ছে। তারা যদি প্রত্যাশিত দায়িত্ব পালন করত, তাহলে জলাবদ্ধতা অন্তত এমন ভয়াবহ অবস্থা ধারণ করত না। পরিস্থিতি আরও অনেক সহনীয় থাকত। এ বিষয়ে চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) সুদীপ বসাক বলেন, ‘মেগা প্রকল্পের কারণে চসিক রুটিন কাজ ছাড়া জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে বড় বরাদ্দের নালা-নর্দমা পরিষ্কারের কাজ করেনি। ফলে অনেক জায়গায় পানি জমে থাকার খবর শুনেছি।’ তিনি বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসন বা নিয়ন্ত্রণে যে কোনো মূল্যে পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় যত প্রকল্পই নেওয়া হোক জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে না।’বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» কঠিন সময়ের এই ঈদকে ‘স্পেশাল’ মানছেন মাশরাফি-মুশফিকরা

» ঈদের সকালে কালীগঞ্জ উপজেলায় ১০ মিনিটের ঝড়ের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড

» যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের মিষ্টি ও ফল পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

» দীর্ঘতম রজনী শেষেও একসময় ভোরের আলো আসে : আইজিপি

» নজরুলের প্রেমিকারা

» এবার শোলাকিয়া ঈদগাহে নয়, মসজিদে নামাজ আদায়

» কাজী নজরুলের ১২১ তম জন্মদিনে বিশেষ ডুডল

» কারাগারে বন্দিদের যেমন কাটছে ঈদ

» বনেকের সিলেট বিভাগীয় সম্পাদক আবুল হোসেন স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত

» ক্যারিয়ার শেষে ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হতে চান তামিম!

 

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

চট্টগ্রাম রাজপথে ভরসা নৌকা

প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরের বেশির ভাগ এলাকা তলিয়ে গেছে। তৈরি হয়েছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। জমে যাওয়া পানি বেরিয়ে যেতে না পারায় কার্যত গোটা সিটিই ডুবে রয়েছে। দুর্ভোগের মুখে জনজীবনে বিরাজ করছে অচলাবস্থা। এ অবস্থায় রাজপথে চলাচলের জন্য এখন ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে নৌকা। গতকালের প্রবল বর্ষণে এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বন্দর এলাকার ফকির হাট রোডে আগে জলাবদ্ধতা না হলেও গতকালের বর্ষণে এ এলাকাও তলিয়ে গেছে। নগরের বড়পুল থেকে নিমতলা পর্যন্ত সড়কে অতীতে সামান্যই পানি জমলেও গতকাল সাড়ে ৫ কিলোমিটারের এ সড়কে হাঁটুপানি জমেছে। একইভাবে হাঁটুপানিতে ডুবে আছে মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত ফ্লাইওভারও। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান কার্যালয়ের নিচতলা, চট্টগ্রাম মা-শিশু জেনারেল হাসপাতালের নিচতলায় হাঁটুপানি উঠে গেছে। বর্ষণে নগরের প্রায় সব নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে সংকট দেখা দিয়েছে গণপরিবহনের। বাধ্য হয়ে অনেককে নৌকায় যাতায়াত করতে হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পানিতে ভাসছে চকবাজার, বহদ্দারহাটসহ আশপাশের কাঁচা বাজারগুলোও। পানি ঢুকেছে নগরের বিভিন্ন মার্কেটের নিচতলা, বিভিন্ন নিচু এলাকার কলোনি ও ভবনের নিচতলার বাসাগুলোয়। তা ছাড়া নগরের হালিশহরের নয়াবাজার, বড়পুল, এক্সেস রোড, নিমতলা থেকে বড়পুল মোড়, ওয়াসা, মেহেদিবাগ, প্রবর্তক, অক্সিজেন মোড়, মুরাদপুর, মোহাম্মদপুর আবাসিক এলাকা, ২ নম্বর গেট, চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা, বহদ্দারহাট, বাদুড়তলা, পাঁচলাইশ, শুলকবহর, কাপাসগোলা, কাতালগঞ্জ, বাকলিয়ার কে বি আমান আলী রোড, কালামিয়া বাজার, চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ কোরবানিগঞ্জ, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা, বাকলিয়াসহ নগরের বড় এলাকাজুড়ে পানি থৈ থৈ করছে। হাঁটুপানি, কোথাও কোমরপানি, কাঁদাযুক্ত পানিতে ভাসছে নগরের সড়ক-উপসড়ক ও অলিগলি। বন্দরের পরিবহন বিভাগসূত্রে জানা গেছে, প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে (বঙ্গোপসাগর) বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে খাদ্যশস্যসহ বৃষ্টিতে ভিজলে নষ্ট হয় এমন খোলা পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। চার শতাধিক লাইটার কর্ণফুলী নদীতে বসে আছে। এদিকে প্রবল বর্ষণে নগরে দুটি দেয়ালধস ঘটেছে। এর একটি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সীমানা দেয়াল, অন্যটি হেমসেন লেন ১ নম্বর গলির নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের সীমানাপ্রাচীর। গতকাল সকালে ভারি বৃষ্টিপাতের সময় এ ঘটনা ঘটে। তবে দেয়ালধসে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। নগর পুলিশ জানায়, বৃষ্টির কারণে নগরের অধিকাংশ সড়কে যানজট তৈরি হয়েছে। কাপ্তাই রাস্তার মাথা, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, শুলকবহর, ২ নম্বর গেট, অক্সিজেন, জিইসি মোড় থেকে খুলশী, শিল্পকলা এলাকার মোহাম্মদ আলী রোড, ওয়্যারলেস গেট মুরগি ফার্ম, প্রবর্তক মোড়, চকবাজার, ডিসি রোড, ওয়াসা মোড়, নিউমার্কেট থেকে আমতলা, নিউমার্কেট থেকে বিআরটিসি মোড়, চৌমুহনী থেকে কদমতলী মোড়, আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় থেকে এক্সেস রোড, সদরঘাট মোড়, সল্টগোলা ক্রসিং, ইপিজেড থেকে বন্দরটিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় যানজট তৈরি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, এবারের বর্ষা মৌসুমের প্রথম ভারি বর্ষণেই এভাবে নগরের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মূল সড়ক পার হয়ে উপসড়ক ও গলিতেও হয়েছে নগরের অভিশাপ খ্যাত এ জলাবদ্ধতা। এ অবস্থায় পথে পথে অন্তহীন দুর্ভোগে পড়ছে মানুষ। বিপাকে পড়ছেন শিক্ষার্থী ও অফিসগামী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সড়কে ভেঙে পড়েছে গাছ। অভিযোগে জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) প্রতি বছর জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে নগরের নালা-নর্দমা ও ড্রেন পরিষ্কার করে। কিন্তু এ বছর চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চলমান মেগা প্রকল্পের কারণে চসিক পরিষ্কারের কাজটি করেনি, করেছে কেবল রুটিন ওয়ার্ক। তা ছাড়া চলমান মেগা প্রকল্পের কারণে কর্ণফুলী নদীর সংযোগ থাকা চারটি খালের মুখ প্রায় অচল। এর সঙ্গে আছে ওয়াসার অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়ি। ফলে নগরের পানি সহজে প্রবাহিত হতে না পারায় দ্রুত জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। নগরবাসীর অভিযোগ, দুই সেবা সংস্থার দায়িত্বহীনতায় এবার তাদের জলাবদ্ধতার ভয়ানক রূপ দেখতে হচ্ছে। তারা যদি প্রত্যাশিত দায়িত্ব পালন করত, তাহলে জলাবদ্ধতা অন্তত এমন ভয়াবহ অবস্থা ধারণ করত না। পরিস্থিতি আরও অনেক সহনীয় থাকত। এ বিষয়ে চসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) সুদীপ বসাক বলেন, ‘মেগা প্রকল্পের কারণে চসিক রুটিন কাজ ছাড়া জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে বড় বরাদ্দের নালা-নর্দমা পরিষ্কারের কাজ করেনি। ফলে অনেক জায়গায় পানি জমে থাকার খবর শুনেছি।’ তিনি বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসন বা নিয়ন্ত্রণে যে কোনো মূল্যে পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় যত প্রকল্পই নেওয়া হোক জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে না।’বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com