কেমন আছে জগন্নাথের বেদখল হলগুলো?

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের মাধ্যমে অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তকমা ঘুচলেও জগন্নাথ এখনো একটি অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে খ্যাত।

 

১৯০৮ সালে এটাকে কলেজে পরিণত করার পর  থেকে ১২টি হলের অধিকারী ছিল তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ। কলেজের সম্পত্তি হিসেবে ১২টি হল থাকা সত্ত্বেও মেস এ মানবেতর জীবন যাপন করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী।

তৎকালীন ১২ টি হলের মধ্যে ৪ টি হল ঢাকা ৭ আসনের এমপি হাজী সেলিমের দখলে রয়েছে।

বাকীগুলো স্থানীয় প্রভাবশালী ও বিভিন্ন সংস্থা এবং সরকারের অধীনে রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ হলগুলোর জন্য বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হল উদ্ধারের  চেষ্টা চালালেও তা সম্ভব হয় নি।

পরে হল উদ্ধারের আন্দোলন করতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পুলিশ এবং প্রভাবশালী দখলদার হাজী সেলিমের বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছেন শত শত শিক্ষার্থী। মামলার শিকার হয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী।

আন্দোলনের মুখে বিলুপ্ত জগন্নাথ কলেজের সব সম্পত্তি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে বুঝিয়ে দিতে,প্রশাসন মুসিহ মুহিত অডিট ফার্মকে দায়িত্ব দেয়।

তাদের অনুসন্ধানে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আনোয়ার শফিক হল, তিব্বত হল, শাহাবুদ্দিন হল ছিল ঢাকা ৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছত্রছায়ায়। মুসিহ মুহিত অডিট ফার্মের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তৎকালীন কলেজের ১২টি হল ছিল যা ১৯৮৫

সালে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে হলগুলো বেদখল হয়।

আনোয়ার শফিক হল: আরমানিটোলা মাহুতটুলির ১, শরৎচন্দ্র চক্রবর্তী রোডের ৪০ কাঠার হলটি স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে। পুরনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন তৈরি করে টিন, হার্ডওয়ার ও ফার্নিচারের গোডাউন তৈরি করেছেন তারা। এদের অনেকেই ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজী সেলিমের আশীর্বাদপুষ্ট বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোডাউনের কর্মচারীরা। ১৯৮৫ সালে স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষে হলটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন শিক্ষার্থীরা।

তিব্বত হল : পাটুয়াটুলী ওয়াইজঘাট এলাকার ৮ ও ৯নং জিএ ল পার্থ লেনের ৮.৮৮৯ কাঠার হলটিও দখলের অভিযোগ রয়েছে ৭ আসনের সাংসদ হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে। ২০০১ সালে হলটির স্থানে স্ত্রীর নামে গুলশান আরা সিটি মার্কেট নির্মাণ শুরু করেন তিনি। প্রতিবাদে কয়েক দফা আন্দোলনেও নামে শিক্ষার্থীরা। তবে তিনি জায়গাটি তার নিজস্ব বলে দাবি করেছেন।

৯০-এর দশকে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে স্থানীয়রা হলটির দোতলায় আগুন দিলে তৎকালীন অধ্যক্ষ ড. হাবিবুর রহমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসেন। ২০১১ সাল পর্যন্ত ‘তিব্বত হল’ লেখা সাইনবোর্ড থাকলেও শিক্ষার্থীরা আর হলটিতে ফিরে যেতে পারে নি।

আবদুর রহমান হল : আরমানিটোলা বটতলার ৬, এসি রায় রোডের হলটিতে বাস করছেন পুলিশ সদস্যরা। ঢাকা আঞ্জুমান সংস্থা হলটি দখলের চেষ্টা করছে বলে জানা যায়। ১৯৯৬ সালে সংস্থাটি মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করে। মালিকানার রায় পেলেও মামলা পরিচালনায় ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করায় সংস্থাটির সভাপতি কেএম আকবরের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে শাহবাগ থানায় মামলা হয়।

সাইদুর রহমান হল ও রউফমজুমদার হল: হিন্দুদের দানকৃত হল দুটির বর্তমানে অস্তিত্ব নেই। মৌখিকভাবে দান করা সম্পত্তিটি জনৈক আইনজীবী ইব্রাহিম জাল দলিল করে বিক্রি করে দেন বলে জানা যায়। ১৫, ১৭ ও ২০ যদুনাথ বসাক লেন, টিপু সুলতান রোডের সাইদুর রহমান হলে হার্ডওয়ারের দোকান তৈরি হয়েছে।
পাশের রউফ মজুমদার হল জাল দলিলের মাধ্যমে স্থানীয় ভূমিদস্যুরা বিক্রি করে দিয়েছে।

শহীদ আজমল হোসেন হল: পাটুয়াটুলীর ১৬ ও ১৭নং রমাকান্ত নন্দী লেনের হলটিতে বসবাস করত পুলিশ সদস্যদের পরিবার। কিছু অংশে গড়ে উঠে ছিল বিভিন্ন সমিতি। ১৯৯৬ সালে একাংশ দখল করেন স্থানীয় মোশারফ হোসেন খান। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে কথিত ‘বেগম রোকেয়া (শহীদ পরিবার)’ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে জায়গাটি দখল করা হয়। হলটির অবকাঠামো এখনও অক্ষত রয়েছে।

বজলুর রহমান হল: বংশালের ২৬, মালিটোলার হলটিতে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে শহীদ জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় বানানো হয়েছে। কিছু অংশ স্থানীয় ভূমিদস্যুরা দখল করেছে। ১৯৮৫ সালে স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষের পর ছাত্ররা হলটি ছাড়তে বাধ্য হন।

নজরুল ইসলাম হল: গোপীমোহন বসাক লেনের ৫/১,২,৩,৪ ও ৬নং টিপু সুলতান রোডের হলটির ২০ কাঠা জায়গায় গড়ে উঠেছে জামেয়া শরীয়াবাগ জান্নাত মাদ্রাসা ও এতিমখানা। সাবেক কমিশনার আওলাদ হোসেন দিলীপ এর তত্ত্বাবধান করছেন। হলটির একাংশ দখল করে ভবন নির্মাণ করেছেন বিটিভির সাবেক ক্যামেরাম্যান গোলামুন্নবী। তার আত্মীয়রা সেখানে অবস্থান করছেন।

শহীদ শাহাবুদ্দিন হল: তাঁতীবাজার ৮২, ঝুলনবাড়ী লেনের হলটি দুই যুগেরও বেশি সময় পুলিশের দখলে ছিল। ২০০৯ সালের জুনে আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল হক এর দখল নেন।সূএ: বাংলাবাজার ডটকম

Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতা শুরু ১ ডিসেম্বর.

» দেশকে রক্ষার জন্য দেশের নদ-নদীগুলোকে রক্ষা করা অপরিহার্য:তথ্যমন্ত্রী

» আমাদের ‘ওভার কনফিডেন্টে’ বাড়ছে সংক্রমণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী.

» বাঘাইহাটে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধার.

» বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে ধর্মান্ধগোষ্ঠী বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: স্বেচ্ছাসেবক লীগ,

» বাইশটেকিতে কুপিয়ে ও পুড়িয়ে এক নারীকে হত্যার অভিযোগ

» সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন,

» মজনুর আইনজীবীর বিল ৮০০ টাকা, পাবেন ছয় মাস পর

» দ্রুতগতিতে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে গ্রহাণু,

» ভূমিহীন দেখিয়ে বিত্তশালীদের খাস জমি বন্টন, ১৪৪ ধারা জারি.

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

কেমন আছে জগন্নাথের বেদখল হলগুলো?

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের মাধ্যমে অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তকমা ঘুচলেও জগন্নাথ এখনো একটি অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে খ্যাত।

 

১৯০৮ সালে এটাকে কলেজে পরিণত করার পর  থেকে ১২টি হলের অধিকারী ছিল তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ। কলেজের সম্পত্তি হিসেবে ১২টি হল থাকা সত্ত্বেও মেস এ মানবেতর জীবন যাপন করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী।

তৎকালীন ১২ টি হলের মধ্যে ৪ টি হল ঢাকা ৭ আসনের এমপি হাজী সেলিমের দখলে রয়েছে।

বাকীগুলো স্থানীয় প্রভাবশালী ও বিভিন্ন সংস্থা এবং সরকারের অধীনে রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ হলগুলোর জন্য বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হল উদ্ধারের  চেষ্টা চালালেও তা সম্ভব হয় নি।

পরে হল উদ্ধারের আন্দোলন করতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পুলিশ এবং প্রভাবশালী দখলদার হাজী সেলিমের বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছেন শত শত শিক্ষার্থী। মামলার শিকার হয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী।

আন্দোলনের মুখে বিলুপ্ত জগন্নাথ কলেজের সব সম্পত্তি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে বুঝিয়ে দিতে,প্রশাসন মুসিহ মুহিত অডিট ফার্মকে দায়িত্ব দেয়।

তাদের অনুসন্ধানে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আনোয়ার শফিক হল, তিব্বত হল, শাহাবুদ্দিন হল ছিল ঢাকা ৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছত্রছায়ায়। মুসিহ মুহিত অডিট ফার্মের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তৎকালীন কলেজের ১২টি হল ছিল যা ১৯৮৫

সালে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে হলগুলো বেদখল হয়।

আনোয়ার শফিক হল: আরমানিটোলা মাহুতটুলির ১, শরৎচন্দ্র চক্রবর্তী রোডের ৪০ কাঠার হলটি স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে। পুরনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন তৈরি করে টিন, হার্ডওয়ার ও ফার্নিচারের গোডাউন তৈরি করেছেন তারা। এদের অনেকেই ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজী সেলিমের আশীর্বাদপুষ্ট বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোডাউনের কর্মচারীরা। ১৯৮৫ সালে স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষে হলটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন শিক্ষার্থীরা।

তিব্বত হল : পাটুয়াটুলী ওয়াইজঘাট এলাকার ৮ ও ৯নং জিএ ল পার্থ লেনের ৮.৮৮৯ কাঠার হলটিও দখলের অভিযোগ রয়েছে ৭ আসনের সাংসদ হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে। ২০০১ সালে হলটির স্থানে স্ত্রীর নামে গুলশান আরা সিটি মার্কেট নির্মাণ শুরু করেন তিনি। প্রতিবাদে কয়েক দফা আন্দোলনেও নামে শিক্ষার্থীরা। তবে তিনি জায়গাটি তার নিজস্ব বলে দাবি করেছেন।

৯০-এর দশকে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে স্থানীয়রা হলটির দোতলায় আগুন দিলে তৎকালীন অধ্যক্ষ ড. হাবিবুর রহমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসেন। ২০১১ সাল পর্যন্ত ‘তিব্বত হল’ লেখা সাইনবোর্ড থাকলেও শিক্ষার্থীরা আর হলটিতে ফিরে যেতে পারে নি।

আবদুর রহমান হল : আরমানিটোলা বটতলার ৬, এসি রায় রোডের হলটিতে বাস করছেন পুলিশ সদস্যরা। ঢাকা আঞ্জুমান সংস্থা হলটি দখলের চেষ্টা করছে বলে জানা যায়। ১৯৯৬ সালে সংস্থাটি মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করে। মালিকানার রায় পেলেও মামলা পরিচালনায় ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করায় সংস্থাটির সভাপতি কেএম আকবরের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে শাহবাগ থানায় মামলা হয়।

সাইদুর রহমান হল ও রউফমজুমদার হল: হিন্দুদের দানকৃত হল দুটির বর্তমানে অস্তিত্ব নেই। মৌখিকভাবে দান করা সম্পত্তিটি জনৈক আইনজীবী ইব্রাহিম জাল দলিল করে বিক্রি করে দেন বলে জানা যায়। ১৫, ১৭ ও ২০ যদুনাথ বসাক লেন, টিপু সুলতান রোডের সাইদুর রহমান হলে হার্ডওয়ারের দোকান তৈরি হয়েছে।
পাশের রউফ মজুমদার হল জাল দলিলের মাধ্যমে স্থানীয় ভূমিদস্যুরা বিক্রি করে দিয়েছে।

শহীদ আজমল হোসেন হল: পাটুয়াটুলীর ১৬ ও ১৭নং রমাকান্ত নন্দী লেনের হলটিতে বসবাস করত পুলিশ সদস্যদের পরিবার। কিছু অংশে গড়ে উঠে ছিল বিভিন্ন সমিতি। ১৯৯৬ সালে একাংশ দখল করেন স্থানীয় মোশারফ হোসেন খান। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে কথিত ‘বেগম রোকেয়া (শহীদ পরিবার)’ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে জায়গাটি দখল করা হয়। হলটির অবকাঠামো এখনও অক্ষত রয়েছে।

বজলুর রহমান হল: বংশালের ২৬, মালিটোলার হলটিতে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে শহীদ জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় বানানো হয়েছে। কিছু অংশ স্থানীয় ভূমিদস্যুরা দখল করেছে। ১৯৮৫ সালে স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষের পর ছাত্ররা হলটি ছাড়তে বাধ্য হন।

নজরুল ইসলাম হল: গোপীমোহন বসাক লেনের ৫/১,২,৩,৪ ও ৬নং টিপু সুলতান রোডের হলটির ২০ কাঠা জায়গায় গড়ে উঠেছে জামেয়া শরীয়াবাগ জান্নাত মাদ্রাসা ও এতিমখানা। সাবেক কমিশনার আওলাদ হোসেন দিলীপ এর তত্ত্বাবধান করছেন। হলটির একাংশ দখল করে ভবন নির্মাণ করেছেন বিটিভির সাবেক ক্যামেরাম্যান গোলামুন্নবী। তার আত্মীয়রা সেখানে অবস্থান করছেন।

শহীদ শাহাবুদ্দিন হল: তাঁতীবাজার ৮২, ঝুলনবাড়ী লেনের হলটি দুই যুগেরও বেশি সময় পুলিশের দখলে ছিল। ২০০৯ সালের জুনে আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল হক এর দখল নেন।সূএ: বাংলাবাজার ডটকম

Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com