ঈদের ছড়াণু

ঈদের ছড়াণু
অ আ আবীর আকাশ
১.
ঈদ কারো কোপ্তা কাবাব
পোলাও বা বিরানীর
কারো ঘরে বেদনার ঝড়
কান্না চোখে ঝিরানির।
২.
ঈদ নিয়ে ভাবনা করে
নষ্ট করে ঘুম
কি লাভ বলো এসবেতে
পড়াও খুশির ধুম।
৩.
আসছে বানর নেউল ঘোড়াও
বেজি কুকুর জোরসে দৌঁড়াও
পথে পথে লাগাও গেট
মন্ত্র দিয়ে দাগাও সেট।
৪.
ঈদ জ্বালা বড়ো জ্বালা
বউয়ের কেনাকাটা
পান থেকে চুন খসলেই
যায় না করা রা’টা।
২.
ছোট্ট সোনার আঁকাআঁকি
অ আ আবীর আকাশ
আঁকতে গিয়ে ছোট্ট সোনা
কি যেনো আঁকলো
দিশ না পেয়ে
উদাস হয়ে
        চেয়েই শুধু থাকলো।
ফড়িং? পাখি? ওহ্ না,মাছ?
তা নয় ঠিক, আঁকলো কদুগাছ।
কদুগাছটায় কদু নেই
এদিকে এক টান দেই
                তা ঠিক কী!
ও বুঝেছি, লতা হয়ে কদুগাছটা
মাচানে বায় চার পাঁচটা।
ঠিক আছে তা ঠিক আছে
আঁকাআঁকি ঠিক আছে
নানা রঙ মাখিয়ে দিয়ে
এ-ই এঁকেছি রঙিন টিয়ে।
টিয়ে বসে কলা গাছে
অমনি কলা একটা নাচে
খোকন ধরবে যে-ই
খাতার পরে রঙিন আঁকা
অবাক হয়ে চেয়ে থাকা
হারিয়ে ফেলে খেই।
——-চন্দনকুটির,০১নভেম্বর ২০১৭———-
৩.
ভুত পেতনি
অ আ আবীর আকাশ
ভুত পেতনির সভাসদে
আঁটকে আছি পদেপদে
ভুতপেতনির মেলা।
আমড়া গাছের কামড়া ভুতে
যদি পারে একটু ছুঁতে
মেরেই দেবে ঠেলা।
পেতনিরা লম্বা চুলের রাঢ়ি
কালির জামায় জঙ্গলেতে বাড়ী
ভুতের সাথে দন্ধ।
শুঁটকি খেয়ে গন্ধ ছড়ায়
নাচে ভুতে হিন্দু পাড়ায়
পথ চলাচল বন্ধ।
ভুত পেতনি বউ জামাইতে
ভর নিশিতে জল নামাইতে
পারে ভীষণ তারা।
ভুতের দেশে বাস করি
তাই তো ভুতের বেশ ধরি
কে আছে ভুত ছাড়া!
———চন্দনকুটির,৩১অক্টোবর ২০১৭——-
৪.
চিল্লাচিল্লি ভাল্লাগে না
অ আ আবীর আকাশ
অযথা আর চিল্লাচিল্লি ভাল্লাগে না
কথার প্যাঁচে কথা দিয়ে তাল লাগে না
তুচ্ছ কথা
গুচ্ছ কথা
সকল কথার ফাঁকের কথা- স্বার্থ
কারটা ছেড়ে কে ঠকেরে, কে হবেরে দ্ব্যর্থ!
খামাখা কান ঝালাপালা, চেঁচামেচি
থামছে না কেউ কথা চলে খেঁচাখেচি
পস্ট কথা
কষ্ট কথা
কথার তালে কত্তো কি যে চলছে
চোখ দুটো লাল ডোঁয়া করে বলছে।
একেই বলে চিল্লা এবং চিল্লি
এসব ছেড়ে চলেই যাবো, উড়িশ্যা নয় দিল্লি
বামের কথা
কামের কথা
কোনো কথাতেই তাল লাগে না
ওরে তোরা থামরে এবার,ভাল্লাগে না।
এদল ওদল স্বদল করে খেলিরে
বেকার থেকে প্রাডো ক্যামনে পেলিরে
উচ্চ কথা
পুচ্ছ কথা
প্যাঁচাল কথায় গুল্লি মার্
কোনো কথাই ভাল্লাগে না,(এবার) তোরা গদি ছাড়্।
———চন্দনকুটির,৫নভেম্বর ২০১৭———-
৫.
ঝগড়া করো বন্ধ
অ আ আবীর আকাশ
কিসের এতো চেঁচামেচি
মিছা কথায় পেছাপেছি
হুদাহুদাই খেচাখেচি
                না জেনে সব দন্ধ।
বোঝার যদি চেষ্টা করো
সহ্য করে ধৈর্য ধরো
সুখ শান্তির পথে লড়ো
                  ঝগড়া করো বন্ধ।
রাগারাগি বিপদ বাড়ায়
ইস্যু তখন বাঁচা মরায়
শয়তান এসে আপনা জড়ায়
                    ইস্যু বাড়ায় আরো।
জ্ঞান থাকে না তখন
মানতে চায় না পতন
হার জিতের কথন
                   এগুলো সব ছাড়ো।
——–চন্দনকুটির,১৫এপ্রিল ২০১৮———-
৬.
সাফুজীকে লেখা
অ আ আবীর আকাশ
লেখালেখি করি না অনেকদিন।
ভালো লাগে না কোনো কিছুই
দু’চোখ দিয়ে ধীরে ধীরে জল গলে
মনটা,সবসময় ভাঙা ভাঙা
মৃত্যুর ভয় কাজ করে, চোখের জলকে
অনেকে শিরকশান্নী বলে।
সাফুজী, আজ হঠাৎ তোমার কথা
মনে পড়তেই বাতি জ্বালিয়ে ভাবছি
মা পিপড়ার জ্বালায় মাটিয়ে ঘুমিয়েছেন
নাক ডাকছেন,আমিও শোয়া থেকে
উঠে এসে লিখছি।
চাঁদের কথা খুবই মনে পড়ে
মুঠোফোনের স্কিনে থাকায় হৃদয়ে হাহাকার ছোটে
নিশু তাকে বাপের বাড়ী তুলেছে ক’দিন হয়
নিঃসঙ্গতাকে এড়াতে পারি না চাঁদ ছাড়া
সে আলো হয়ে ফোটে।
সাফুজী, তুমি তো বেশ আছো ওপারে
মাঝে মাঝে ভাবি তোমার কাছে গেলেই বাঁচি
একলা একটি ঘরে বাগানের মাঝখানে
মাকে নিয়ে প্রায়শ গুমরে উঠি,
কেঁদে যাই আবার কখনো হাসি।
২১ জুন ২০১২
৭.
আড্ডা
অ আ আবীর আকাশ
পলেস্তরা চুন সুরকি খ’সা
বিল্ডিঙ্গের দ্বিতীয় কামরায়
আমাদের আড্ডা হতো রোজ।
পীছনে মানকচুর পাতায়
দারুন বৃষ্টি ফোটা খেলে
কেউ রাখে না তার খোঁজ।
মাথাভর্তি পান্ডুলিপি নিয়ে কেউ
বলে যেতো কথা আর কথা
কেউ বা টেবলেট খেয়ে লাল জড়ার মতো
চোখে বয়ে যেতো নিরবতা।
মাঝে মাঝে দখিনা হাওয়া
উঁকি দিয়ে যেতো মেহগনির ফাঁকে
সে-ই পুরণো পাখা মাথার উপর
ঘোরে আর বিকট হাঁকে।
আড্ডায় এসে যেতো নানা কৌশলে
প্রেম বিরহ আর ছ্যাঁকা
কোন বিভাগের কোন মেয়েটা
ছলনায় কারে করেছিলো একা।
কোন মেয়েটা শাড়ী পরলে কেমন
দেখায় কিবা হেঁটে যেতে যেতে
অবাক হতাম তক্ষুনি উপমা হতো
বাঙালি নারী ভঙ্গিতে।
বাতাস থেমে গেলে পর কচুতলার
গন্ধ আসে কুকুর বিড়ালের পায়ে
শিল্পবোধ আরো প্রকট হতো
আড্ডা চলতো গভীর নায়ে।
জ্যামিতিক শরীর নিয়ে মেয়েরা
কিভাবে উপস্থাপিত হয়
আড্ডা চলতো সন্ধা থেকে
কখনো রাত গড়িয়ে সকালময়।
লাল চাঅলা খাইয়ে যেতো
বারোটা পর্যন্ত চা
আড্ডায় ব্যকুল মনে দালানের
বাহিরে দিই না পা।
তরুণ যুবারা জীবন যাপনে
দারুন ব্যস্ত হতো
আমরা সেসব ছেড়ে আড্ডা নিয়ে
কতো কথাই না চলতো।
#লক্ষ্মীপুরসরকারীকলেজ, ১৫মে ২০১৫
৮.
প্রিয় বাংলাদেশ
অ আ আবীর আকাশ
প্রজাপতির ডানায় আঁকা
এমন ছবি কার
দূর আকাশে তারার মেলা
দেখতে চমৎকার।
নদীর কূলে কাশ কেয়ারা
কত রঙের ফোটে
ব্যাকুল হয়ে মনটা আমার
সে দিক পানে ছোটে।
ফুলের উপর ভোমর খেলে
গান গেয়ে যায় ঘুম
রোজ সকালে মিষ্টি আলো
গালে বসায় চুম।
দিনের শেষে সূর্য মামা
কপালে হয় টিপ
এমন সোনার বাংলাদেশে
রয়েছে সন্দীপ।
যাই না যেনো ভুলে কভু
মায়ের ভায়ের দেশ
তোমার আমার জন্মভূমি
প্রিয় বাংলাদেশ।
Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» রূপগঞ্জে বাল্য বিয়ে পন্ড করলেন এ্যাসিল্যান্ড আফিফা খাঁন

» মাস্ক ছাড়া রাস্তায় বের হলেই আইনানুগ ব্যবস্থা

» ঝালকাঠিতে আম্ফানে বিধ্বস্ত ঘর-বাড়ি নির্মাণে সেনাবাহিনী

» ৬ কোটি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে সরকার

» বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে দোকান-শপিংমল

» করোনা পরিস্থিতি বজায় থাকলে প্রাথমিকে ঘরে বসেই পরীক্ষা

» করোনা কালীন অসহায় মানুষের পাশে মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে আইনজীবীদের নেত্রী যুথী

» এনায়েতপুরের জনপদ যমুনা নদীর তাণ্ডবে বেসামাল

» হোমনার করোনায় আক্রান্তে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ঢাকায় মৃত্যু

» হোমনায়  স্বামীসহ পালিয়েছে  করোনা আক্রান্ত নারী

 

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

ঈদের ছড়াণু

ঈদের ছড়াণু
অ আ আবীর আকাশ
১.
ঈদ কারো কোপ্তা কাবাব
পোলাও বা বিরানীর
কারো ঘরে বেদনার ঝড়
কান্না চোখে ঝিরানির।
২.
ঈদ নিয়ে ভাবনা করে
নষ্ট করে ঘুম
কি লাভ বলো এসবেতে
পড়াও খুশির ধুম।
৩.
আসছে বানর নেউল ঘোড়াও
বেজি কুকুর জোরসে দৌঁড়াও
পথে পথে লাগাও গেট
মন্ত্র দিয়ে দাগাও সেট।
৪.
ঈদ জ্বালা বড়ো জ্বালা
বউয়ের কেনাকাটা
পান থেকে চুন খসলেই
যায় না করা রা’টা।
২.
ছোট্ট সোনার আঁকাআঁকি
অ আ আবীর আকাশ
আঁকতে গিয়ে ছোট্ট সোনা
কি যেনো আঁকলো
দিশ না পেয়ে
উদাস হয়ে
        চেয়েই শুধু থাকলো।
ফড়িং? পাখি? ওহ্ না,মাছ?
তা নয় ঠিক, আঁকলো কদুগাছ।
কদুগাছটায় কদু নেই
এদিকে এক টান দেই
                তা ঠিক কী!
ও বুঝেছি, লতা হয়ে কদুগাছটা
মাচানে বায় চার পাঁচটা।
ঠিক আছে তা ঠিক আছে
আঁকাআঁকি ঠিক আছে
নানা রঙ মাখিয়ে দিয়ে
এ-ই এঁকেছি রঙিন টিয়ে।
টিয়ে বসে কলা গাছে
অমনি কলা একটা নাচে
খোকন ধরবে যে-ই
খাতার পরে রঙিন আঁকা
অবাক হয়ে চেয়ে থাকা
হারিয়ে ফেলে খেই।
——-চন্দনকুটির,০১নভেম্বর ২০১৭———-
৩.
ভুত পেতনি
অ আ আবীর আকাশ
ভুত পেতনির সভাসদে
আঁটকে আছি পদেপদে
ভুতপেতনির মেলা।
আমড়া গাছের কামড়া ভুতে
যদি পারে একটু ছুঁতে
মেরেই দেবে ঠেলা।
পেতনিরা লম্বা চুলের রাঢ়ি
কালির জামায় জঙ্গলেতে বাড়ী
ভুতের সাথে দন্ধ।
শুঁটকি খেয়ে গন্ধ ছড়ায়
নাচে ভুতে হিন্দু পাড়ায়
পথ চলাচল বন্ধ।
ভুত পেতনি বউ জামাইতে
ভর নিশিতে জল নামাইতে
পারে ভীষণ তারা।
ভুতের দেশে বাস করি
তাই তো ভুতের বেশ ধরি
কে আছে ভুত ছাড়া!
———চন্দনকুটির,৩১অক্টোবর ২০১৭——-
৪.
চিল্লাচিল্লি ভাল্লাগে না
অ আ আবীর আকাশ
অযথা আর চিল্লাচিল্লি ভাল্লাগে না
কথার প্যাঁচে কথা দিয়ে তাল লাগে না
তুচ্ছ কথা
গুচ্ছ কথা
সকল কথার ফাঁকের কথা- স্বার্থ
কারটা ছেড়ে কে ঠকেরে, কে হবেরে দ্ব্যর্থ!
খামাখা কান ঝালাপালা, চেঁচামেচি
থামছে না কেউ কথা চলে খেঁচাখেচি
পস্ট কথা
কষ্ট কথা
কথার তালে কত্তো কি যে চলছে
চোখ দুটো লাল ডোঁয়া করে বলছে।
একেই বলে চিল্লা এবং চিল্লি
এসব ছেড়ে চলেই যাবো, উড়িশ্যা নয় দিল্লি
বামের কথা
কামের কথা
কোনো কথাতেই তাল লাগে না
ওরে তোরা থামরে এবার,ভাল্লাগে না।
এদল ওদল স্বদল করে খেলিরে
বেকার থেকে প্রাডো ক্যামনে পেলিরে
উচ্চ কথা
পুচ্ছ কথা
প্যাঁচাল কথায় গুল্লি মার্
কোনো কথাই ভাল্লাগে না,(এবার) তোরা গদি ছাড়্।
———চন্দনকুটির,৫নভেম্বর ২০১৭———-
৫.
ঝগড়া করো বন্ধ
অ আ আবীর আকাশ
কিসের এতো চেঁচামেচি
মিছা কথায় পেছাপেছি
হুদাহুদাই খেচাখেচি
                না জেনে সব দন্ধ।
বোঝার যদি চেষ্টা করো
সহ্য করে ধৈর্য ধরো
সুখ শান্তির পথে লড়ো
                  ঝগড়া করো বন্ধ।
রাগারাগি বিপদ বাড়ায়
ইস্যু তখন বাঁচা মরায়
শয়তান এসে আপনা জড়ায়
                    ইস্যু বাড়ায় আরো।
জ্ঞান থাকে না তখন
মানতে চায় না পতন
হার জিতের কথন
                   এগুলো সব ছাড়ো।
——–চন্দনকুটির,১৫এপ্রিল ২০১৮———-
৬.
সাফুজীকে লেখা
অ আ আবীর আকাশ
লেখালেখি করি না অনেকদিন।
ভালো লাগে না কোনো কিছুই
দু’চোখ দিয়ে ধীরে ধীরে জল গলে
মনটা,সবসময় ভাঙা ভাঙা
মৃত্যুর ভয় কাজ করে, চোখের জলকে
অনেকে শিরকশান্নী বলে।
সাফুজী, আজ হঠাৎ তোমার কথা
মনে পড়তেই বাতি জ্বালিয়ে ভাবছি
মা পিপড়ার জ্বালায় মাটিয়ে ঘুমিয়েছেন
নাক ডাকছেন,আমিও শোয়া থেকে
উঠে এসে লিখছি।
চাঁদের কথা খুবই মনে পড়ে
মুঠোফোনের স্কিনে থাকায় হৃদয়ে হাহাকার ছোটে
নিশু তাকে বাপের বাড়ী তুলেছে ক’দিন হয়
নিঃসঙ্গতাকে এড়াতে পারি না চাঁদ ছাড়া
সে আলো হয়ে ফোটে।
সাফুজী, তুমি তো বেশ আছো ওপারে
মাঝে মাঝে ভাবি তোমার কাছে গেলেই বাঁচি
একলা একটি ঘরে বাগানের মাঝখানে
মাকে নিয়ে প্রায়শ গুমরে উঠি,
কেঁদে যাই আবার কখনো হাসি।
২১ জুন ২০১২
৭.
আড্ডা
অ আ আবীর আকাশ
পলেস্তরা চুন সুরকি খ’সা
বিল্ডিঙ্গের দ্বিতীয় কামরায়
আমাদের আড্ডা হতো রোজ।
পীছনে মানকচুর পাতায়
দারুন বৃষ্টি ফোটা খেলে
কেউ রাখে না তার খোঁজ।
মাথাভর্তি পান্ডুলিপি নিয়ে কেউ
বলে যেতো কথা আর কথা
কেউ বা টেবলেট খেয়ে লাল জড়ার মতো
চোখে বয়ে যেতো নিরবতা।
মাঝে মাঝে দখিনা হাওয়া
উঁকি দিয়ে যেতো মেহগনির ফাঁকে
সে-ই পুরণো পাখা মাথার উপর
ঘোরে আর বিকট হাঁকে।
আড্ডায় এসে যেতো নানা কৌশলে
প্রেম বিরহ আর ছ্যাঁকা
কোন বিভাগের কোন মেয়েটা
ছলনায় কারে করেছিলো একা।
কোন মেয়েটা শাড়ী পরলে কেমন
দেখায় কিবা হেঁটে যেতে যেতে
অবাক হতাম তক্ষুনি উপমা হতো
বাঙালি নারী ভঙ্গিতে।
বাতাস থেমে গেলে পর কচুতলার
গন্ধ আসে কুকুর বিড়ালের পায়ে
শিল্পবোধ আরো প্রকট হতো
আড্ডা চলতো গভীর নায়ে।
জ্যামিতিক শরীর নিয়ে মেয়েরা
কিভাবে উপস্থাপিত হয়
আড্ডা চলতো সন্ধা থেকে
কখনো রাত গড়িয়ে সকালময়।
লাল চাঅলা খাইয়ে যেতো
বারোটা পর্যন্ত চা
আড্ডায় ব্যকুল মনে দালানের
বাহিরে দিই না পা।
তরুণ যুবারা জীবন যাপনে
দারুন ব্যস্ত হতো
আমরা সেসব ছেড়ে আড্ডা নিয়ে
কতো কথাই না চলতো।
#লক্ষ্মীপুরসরকারীকলেজ, ১৫মে ২০১৫
৮.
প্রিয় বাংলাদেশ
অ আ আবীর আকাশ
প্রজাপতির ডানায় আঁকা
এমন ছবি কার
দূর আকাশে তারার মেলা
দেখতে চমৎকার।
নদীর কূলে কাশ কেয়ারা
কত রঙের ফোটে
ব্যাকুল হয়ে মনটা আমার
সে দিক পানে ছোটে।
ফুলের উপর ভোমর খেলে
গান গেয়ে যায় ঘুম
রোজ সকালে মিষ্টি আলো
গালে বসায় চুম।
দিনের শেষে সূর্য মামা
কপালে হয় টিপ
এমন সোনার বাংলাদেশে
রয়েছে সন্দীপ।
যাই না যেনো ভুলে কভু
মায়ের ভায়ের দেশ
তোমার আমার জন্মভূমি
প্রিয় বাংলাদেশ।
Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com