ইন্টারনেটে ভুল তথ্যের বেড়াজাল থেকে শিশুদের বাঁচানোর উপায়

তথাকথিত ‘ডিপ ফেইক’ প্রযুক্তি তুলনামূলকভাবে সহজেই অডিও ও ভিডিও কনটেন্টের বিশ্বাসযোগ্য নকল তৈরি করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কৌশল ব্যবহার করে। ইউনিসেফ এক খোলা চিঠিতে অনলাইনে ভুল তথ্য শিশুদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর অন্যতম বলে উল্লেখ করেছে। শিশুদের বেশিরভাগই বেড়ে উঠবে ভুল তথ্য মিশ্রিত ডিজিটাল পরিবেশের বাসিন্দা হিসেবে।

বাংলাদেশের নীতিমালা অনুযায়ী ১৮ বছর বয়স সবাইকে পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। এখন যারা স্কুল বা কলেজে যাচ্ছে তারা যাতে ইন্টারনেটে ভুল তথ্যের বেড়াজালে নিজেকে জড়িয়ে না ফেলে সেজন্য কয়েকটি উপায়ের কথা উল্লেখ করছেন গার্লস চাইল্ড অ্যাডভোকেসি ফোরামের সেক্রেটারি নাসিমা আক্তার জলি। তার মতে, এখন যেহেতু তথ্য-প্রযুক্তির যুগ, তাই শিশুদের কে এখান থেকে আটকানো যাবে না বা সেটা ঠিক হবে না। বরং সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তার ইতিবাচক সমাধান করতে হবে।

জলি বলছিলেন, অভিভাবকদের অনেক বেশি সচেতনভাবে কাজ করতে হবে। যখন তাদের বয়স ১২/১৩ তখন সন্তানদের সাথে মুক্ত মন নিয়ে আলোচনা করতে হবে। কারণ ইন্টারনেটে কখন কি দেখছে সেটা সব সময় পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব না। এরচেয়ে বরং তাদের সাথে আলোচনা করতে হবে কোনটার ভালো দিক কি, এবং কোনটার খারাপ দিক কোনটা।

তিনি বলেন, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অভিভাবকদের মন-মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সাথে সাথে যেসব বিষয় আমরা সচরাচর কথা বলি না সেসব বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে।

ইউনিসেফের চিঠিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, অনলাইনে ভুল তথ্য ইতিমধ্যে শিশুদের অনলাইনে যৌন হয়রানি, অমর্যাদা এবং অন্যান্য ধরনের নিগ্রহের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলছে। নাসিমা আক্তার জলি বলেন, এখানে স্কুল, কলেজের একটা ভূমিকা রয়েছে। কারণ এই বয়সের শিশুরা এই গণ্ডির মধ্যেই থাকে। বন্ধু-বান্ধব হয় এখান থেকেই বেশি। নিয়মিত ক্লাসের বাইরে একটা ক্লাস নেয়া যেতে পারে সেখানে ফেক নিউজ বা ভুল তথ্য তাদের কীভাবে বিপথগামী করতে পারে এবং ভালো তথ্য তাদের কতটা অগ্রগামী করবে সেটা নিয়ে আলোচনা করা উচিত।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» অবরোদ্ধ বিটিভির সাংবাদিক নার্গিস জুঁই

» ফেসবুকে প্রতারণা থেকে বাঁচাতে পুলিশ যে উপদেশ দিল

» বগুড়া-১ আসনে উপ-নির্বাচন, বৃষ্টির মাঝে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ

» স্মার্ট ল্যাম্পপোস্ট উদ্বোধন করলেন ডিএনসিসি মেয়র

» ছেলেদের দলে মেয়ে, ক্রিকেটবিশ্বে তোলপাড়

» কোরবানির গরুর নাম যখন বিন লাদেন, সাদ্দাম, গাদ্দাফি!

» রাজধানীর কাকরাইলে লাজ ফার্মায় র‌্যাবের অভিযান, ২৯ লাখ টাকা জরিমানা

» খুলনায় হচ্ছে শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

» এখন থেকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে উদযাপিত হবে ৭ মার্চ

» মধুপুরে মায়ের অভিযোগে মাদক আসক্ত ছেলেকে গ্রেফতার ভ্রাম্যমান আদালতে ১ বছরের কারাদন্ড

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মাকসুদা লিসা।

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

 

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

ইন্টারনেটে ভুল তথ্যের বেড়াজাল থেকে শিশুদের বাঁচানোর উপায়

তথাকথিত ‘ডিপ ফেইক’ প্রযুক্তি তুলনামূলকভাবে সহজেই অডিও ও ভিডিও কনটেন্টের বিশ্বাসযোগ্য নকল তৈরি করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কৌশল ব্যবহার করে। ইউনিসেফ এক খোলা চিঠিতে অনলাইনে ভুল তথ্য শিশুদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর অন্যতম বলে উল্লেখ করেছে। শিশুদের বেশিরভাগই বেড়ে উঠবে ভুল তথ্য মিশ্রিত ডিজিটাল পরিবেশের বাসিন্দা হিসেবে।

বাংলাদেশের নীতিমালা অনুযায়ী ১৮ বছর বয়স সবাইকে পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। এখন যারা স্কুল বা কলেজে যাচ্ছে তারা যাতে ইন্টারনেটে ভুল তথ্যের বেড়াজালে নিজেকে জড়িয়ে না ফেলে সেজন্য কয়েকটি উপায়ের কথা উল্লেখ করছেন গার্লস চাইল্ড অ্যাডভোকেসি ফোরামের সেক্রেটারি নাসিমা আক্তার জলি। তার মতে, এখন যেহেতু তথ্য-প্রযুক্তির যুগ, তাই শিশুদের কে এখান থেকে আটকানো যাবে না বা সেটা ঠিক হবে না। বরং সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তার ইতিবাচক সমাধান করতে হবে।

জলি বলছিলেন, অভিভাবকদের অনেক বেশি সচেতনভাবে কাজ করতে হবে। যখন তাদের বয়স ১২/১৩ তখন সন্তানদের সাথে মুক্ত মন নিয়ে আলোচনা করতে হবে। কারণ ইন্টারনেটে কখন কি দেখছে সেটা সব সময় পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব না। এরচেয়ে বরং তাদের সাথে আলোচনা করতে হবে কোনটার ভালো দিক কি, এবং কোনটার খারাপ দিক কোনটা।

তিনি বলেন, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অভিভাবকদের মন-মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সাথে সাথে যেসব বিষয় আমরা সচরাচর কথা বলি না সেসব বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে।

ইউনিসেফের চিঠিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, অনলাইনে ভুল তথ্য ইতিমধ্যে শিশুদের অনলাইনে যৌন হয়রানি, অমর্যাদা এবং অন্যান্য ধরনের নিগ্রহের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলছে। নাসিমা আক্তার জলি বলেন, এখানে স্কুল, কলেজের একটা ভূমিকা রয়েছে। কারণ এই বয়সের শিশুরা এই গণ্ডির মধ্যেই থাকে। বন্ধু-বান্ধব হয় এখান থেকেই বেশি। নিয়মিত ক্লাসের বাইরে একটা ক্লাস নেয়া যেতে পারে সেখানে ফেক নিউজ বা ভুল তথ্য তাদের কীভাবে বিপথগামী করতে পারে এবং ভালো তথ্য তাদের কতটা অগ্রগামী করবে সেটা নিয়ে আলোচনা করা উচিত।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মাকসুদা লিসা।

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

 

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com