অস্থির আন্ডারওয়ার্ল্ড সুইডেন আসলামের কারামুক্তি নিয়ে গুঞ্জন, ১২ মামলার ১১টি নিষ্পত্তি, বাকিটাতেও জামিন

জেলমুক্তির অপেক্ষায় দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা। কারাগারে থেকেই বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগ শুরু করছেন তারা। বিশেষ করে ঢাকার শীর্ষসন্ত্রাসী সুইডেন আসলামের কারামুক্তির কথাটি শোনা যাচ্ছে জোরালো ভাবে। ৬ বছর আগেই সব মামলায় জামিন পান ঢাকার এক সময়ের বহুল আলোচিত এ সন্ত্রাসী। এর পরও সবুজ সংন্ডেকত না পাওয়ায় কারাগার থেকে বের হননি। এই ৬ বছরের মধ্যেই তার ১২ মামলার মধ্যে ১১টি নিষ্পত্তি হয়েছে। বাকি একটি মামলাতেও রয়েছেন জামিনে। বর্তমানে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট বা হাজতি পরোয়ানা বলে একটি আইনি সুযোগ কাজে লাগিয়ে কারাগারে তিনি অন্তরীণ। এখন সেই হাজতি পরোয়ানা প্রত্যাহার করে কারামুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। আর এ বিষয়টি চাউর হয়ে যাওয়ায় গোয়েন্দাদের যেমন ভাবিয়ে তুলেছে, তেমনি তার অনুসারীদের মধ্যেও উল্লাস দেখা দিয়েছে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে কারাগারে আছেন গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকের আলোচিত এই শীর্ষ সন্ত্রাসী। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সুইডেন আসলাম বেরিয়ে আসছেন এমন খবরে তার অনুসারীরা আন্ডারওয়ার্ল্ডে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। তারা বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে ফোনে কিংবা চিঠি দিয়ে সুইডেন আসলামের কারামুক্তির বিষয়টি জানিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করছেন। এ অবস্থায় ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডেও চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। ২০১২ সালে তৎকালীন এক প্রভাবশালী মন্ত্রীর ছত্রচ্ছায়ায় গোপনে শীর্ষ সন্ত্রাসী বিকাশ কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে দেশ ছাড়েন। এখন তিনি বিদেশে বসেই হোয়াটসআপ, ভাইবার, মেসেঞ্জারে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করছেন। বিকাশের মতো সুইডেন আসলামেরও রাজনৈতিক আনুকূল্যে ২০১৩ সালেই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবকিছু ব্যাটে-বলে করতে না পারায় মুক্তি মেলেনি। ২০১৫ সালে ঢাকার এই শীর্ষ সন্ত্রাসী আবার গোপনে কারাগার থেকে বের হওয়ার পরিকল্পনা করেন। এ বিষয়টি জানার পর ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সদর দফতরে একটি চিঠি দেওয়া হয়। ওই চিঠির একটি অনুলিপি দেওয়া হয় আইজি প্রিজনকে। ওই চিঠিতে সুইডেন আসলামের কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়ার আগাম তথ্য পুলিশকে জানাতে আইজি প্রিজনকে অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অন্য চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের মতো জামিনে মুক্ত না হয়ে সুইডেন আসলাম পরিকল্পিতভাবে অন্য মামলার আসামি হয়ে ঢাকার বাইরের যে কোনো কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করতে পারেন। তার মুক্তি জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ওই চিঠির বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সুইডেন আসলাম শেষ পর্যন্ত কারাগার থেকে আর বের হননি। সুইডেন আসলামের কারামুক্তির বিষয়টি আবার সামনে চলে এসেছে। আলোচনা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। কারা অধিদফতরের এক কর্মকর্তা জানান, সুইডেন আসলাম বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের হাই সিকিউরিটি জেলের সৈকত ভবনে বন্দী আছেন। যে কোনো সময় তাকে সেখান থেকে অন্য কোনো জেলে স্থানান্তর করা হতে পারে। তাকে কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। জানা গেছে, ২০১৫ সালের মার্চ মাসে কারা অধিদফতরের একটি টিম অভিযান চালিয়ে সুইডেন আসলামের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। এরপরও কর্তৃপক্ষ এই সন্ত্রাসীর হাত থেকে মোবাইল ফোন নামাতে পারেনি। এখনো কারাগার থেকে মোবাইল ফোনে আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন সুইডেন আসলাম। ঢাকার বিভিন্ন থানার চাঁদাবাজি, খুন, অবৈধ অস্ত্র বহনের অভিযোগসহ ১২ মামলার আসামি সুইডেন আসলাম ২২ বছর আগে গ্রেফতার হন। এর মধ্যে ১১টি মামলাই নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। বাকি আছে ২২ বছর আগে সংঘটিত ঢাকা মহানগর আওয়ামী যুবলীগের তখনকার সহ-সভাপতি মাহমুদুল হক খান গালিবকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলা। তবে এ মামলায়ও জামিনে তিনি। কারাগারে থাকলেও তিনি এতটাই প্রতাপশালী, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ঢাকা-১২ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আসাদুজ্জামান খান কামালকে (বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) লোকজন দিয়ে নানাভাবে বিরক্ত করেন। তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি জেলে পাঠানো হয়। সুইডেন আসলামের বিরুদ্ধে কোনো মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা নেই। গালিব হত্যা মামলায় ধার্য তারিখে তিনি কারাগার থেকে আদালতে হাজিরা দেন। অত্যন্ত গোপনীয়তায় তিনি হাজিরা পরোয়ানা (পিডব্লিউ) প্রত্যাহারের সুযোগ খুঁজছেন। সব মামলায় যদি কোনো আসামি জামিনে থাকেন, তবে পিডব্লিউ প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়ার নজির রয়েছে। পিডব্লিউ প্রত্যাহারের আদেশ আদালত দিলে জেল কর্তৃপক্ষ কাউকে আটক রাখতে পারে না। এ জন্য কারাগার, আদালত, পুলিশ ও রাজনৈতিক মহলে সুইডেন আসলামের লোক যোগাযোগ রাখছেন বলে জানা গেছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, দুর্ধর্ষ কোনো আসামি কারাগার থেকে বের হওয়ার আগে জেল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে অবগত করে। তার ব্যাপারে করণীয় থাকলে পুলিশ উদ্যোগ নেয়। সুইডেন আসলাম বের হয়ে যাচ্ছেন এমন কোনো খবর জেল কর্তৃপক্ষ এখনো পুলিশকে দেয়নি। অবশ্য অপর এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, সুইডেন আসলামের মামলাগুলোতে কোনো সাক্ষী পাওয়া যায় না। এ জন্য প্রায় সব মামলা থেকেই খালাস পেয়ে গেছেন তিনি।

বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» আয়-রোজগারে বরকত লাভের উপায়

» কোভিড-১৯ : ফুসফুস ভালো রাখবেন যে ৯টি উপায়ে

» ইতালিতে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

» বৃদ্ধকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩

» রাজধানীর মিরপুরে ত্রাণ নিয়ে আ.লীগ নেতা ও কাউন্সিলর গ্রুপের সংঘর্ষ

» রোগীদের জন্য রক্ত সংগ্রহে নামছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

» মৃতদেহ থেকে করোনা ছড়ায় না: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

» সারাদেশের সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস শাখার ন্যায় নওগাঁয় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

» ঠাকুরগাঁওয়ে গোপনাঙ্গ চেপে ধরে ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পেলেন গৃহবধূ !

» আবারো সেভ অ্যান্ড সেভ অফার নিয়ে এলো ভিসা-এসএসএলকমার্জ

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মাকসুদা লিসা।

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

 

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

অস্থির আন্ডারওয়ার্ল্ড সুইডেন আসলামের কারামুক্তি নিয়ে গুঞ্জন, ১২ মামলার ১১টি নিষ্পত্তি, বাকিটাতেও জামিন

জেলমুক্তির অপেক্ষায় দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা। কারাগারে থেকেই বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগ শুরু করছেন তারা। বিশেষ করে ঢাকার শীর্ষসন্ত্রাসী সুইডেন আসলামের কারামুক্তির কথাটি শোনা যাচ্ছে জোরালো ভাবে। ৬ বছর আগেই সব মামলায় জামিন পান ঢাকার এক সময়ের বহুল আলোচিত এ সন্ত্রাসী। এর পরও সবুজ সংন্ডেকত না পাওয়ায় কারাগার থেকে বের হননি। এই ৬ বছরের মধ্যেই তার ১২ মামলার মধ্যে ১১টি নিষ্পত্তি হয়েছে। বাকি একটি মামলাতেও রয়েছেন জামিনে। বর্তমানে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট বা হাজতি পরোয়ানা বলে একটি আইনি সুযোগ কাজে লাগিয়ে কারাগারে তিনি অন্তরীণ। এখন সেই হাজতি পরোয়ানা প্রত্যাহার করে কারামুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। আর এ বিষয়টি চাউর হয়ে যাওয়ায় গোয়েন্দাদের যেমন ভাবিয়ে তুলেছে, তেমনি তার অনুসারীদের মধ্যেও উল্লাস দেখা দিয়েছে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে কারাগারে আছেন গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকের আলোচিত এই শীর্ষ সন্ত্রাসী। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সুইডেন আসলাম বেরিয়ে আসছেন এমন খবরে তার অনুসারীরা আন্ডারওয়ার্ল্ডে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। তারা বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে ফোনে কিংবা চিঠি দিয়ে সুইডেন আসলামের কারামুক্তির বিষয়টি জানিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করছেন। এ অবস্থায় ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডেও চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। ২০১২ সালে তৎকালীন এক প্রভাবশালী মন্ত্রীর ছত্রচ্ছায়ায় গোপনে শীর্ষ সন্ত্রাসী বিকাশ কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে দেশ ছাড়েন। এখন তিনি বিদেশে বসেই হোয়াটসআপ, ভাইবার, মেসেঞ্জারে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করছেন। বিকাশের মতো সুইডেন আসলামেরও রাজনৈতিক আনুকূল্যে ২০১৩ সালেই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবকিছু ব্যাটে-বলে করতে না পারায় মুক্তি মেলেনি। ২০১৫ সালে ঢাকার এই শীর্ষ সন্ত্রাসী আবার গোপনে কারাগার থেকে বের হওয়ার পরিকল্পনা করেন। এ বিষয়টি জানার পর ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সদর দফতরে একটি চিঠি দেওয়া হয়। ওই চিঠির একটি অনুলিপি দেওয়া হয় আইজি প্রিজনকে। ওই চিঠিতে সুইডেন আসলামের কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়ার আগাম তথ্য পুলিশকে জানাতে আইজি প্রিজনকে অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অন্য চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের মতো জামিনে মুক্ত না হয়ে সুইডেন আসলাম পরিকল্পিতভাবে অন্য মামলার আসামি হয়ে ঢাকার বাইরের যে কোনো কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করতে পারেন। তার মুক্তি জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ওই চিঠির বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সুইডেন আসলাম শেষ পর্যন্ত কারাগার থেকে আর বের হননি। সুইডেন আসলামের কারামুক্তির বিষয়টি আবার সামনে চলে এসেছে। আলোচনা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। কারা অধিদফতরের এক কর্মকর্তা জানান, সুইডেন আসলাম বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের হাই সিকিউরিটি জেলের সৈকত ভবনে বন্দী আছেন। যে কোনো সময় তাকে সেখান থেকে অন্য কোনো জেলে স্থানান্তর করা হতে পারে। তাকে কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। জানা গেছে, ২০১৫ সালের মার্চ মাসে কারা অধিদফতরের একটি টিম অভিযান চালিয়ে সুইডেন আসলামের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। এরপরও কর্তৃপক্ষ এই সন্ত্রাসীর হাত থেকে মোবাইল ফোন নামাতে পারেনি। এখনো কারাগার থেকে মোবাইল ফোনে আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন সুইডেন আসলাম। ঢাকার বিভিন্ন থানার চাঁদাবাজি, খুন, অবৈধ অস্ত্র বহনের অভিযোগসহ ১২ মামলার আসামি সুইডেন আসলাম ২২ বছর আগে গ্রেফতার হন। এর মধ্যে ১১টি মামলাই নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। বাকি আছে ২২ বছর আগে সংঘটিত ঢাকা মহানগর আওয়ামী যুবলীগের তখনকার সহ-সভাপতি মাহমুদুল হক খান গালিবকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলা। তবে এ মামলায়ও জামিনে তিনি। কারাগারে থাকলেও তিনি এতটাই প্রতাপশালী, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ঢাকা-১২ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আসাদুজ্জামান খান কামালকে (বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) লোকজন দিয়ে নানাভাবে বিরক্ত করেন। তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি জেলে পাঠানো হয়। সুইডেন আসলামের বিরুদ্ধে কোনো মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা নেই। গালিব হত্যা মামলায় ধার্য তারিখে তিনি কারাগার থেকে আদালতে হাজিরা দেন। অত্যন্ত গোপনীয়তায় তিনি হাজিরা পরোয়ানা (পিডব্লিউ) প্রত্যাহারের সুযোগ খুঁজছেন। সব মামলায় যদি কোনো আসামি জামিনে থাকেন, তবে পিডব্লিউ প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়ার নজির রয়েছে। পিডব্লিউ প্রত্যাহারের আদেশ আদালত দিলে জেল কর্তৃপক্ষ কাউকে আটক রাখতে পারে না। এ জন্য কারাগার, আদালত, পুলিশ ও রাজনৈতিক মহলে সুইডেন আসলামের লোক যোগাযোগ রাখছেন বলে জানা গেছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, দুর্ধর্ষ কোনো আসামি কারাগার থেকে বের হওয়ার আগে জেল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে অবগত করে। তার ব্যাপারে করণীয় থাকলে পুলিশ উদ্যোগ নেয়। সুইডেন আসলাম বের হয়ে যাচ্ছেন এমন কোনো খবর জেল কর্তৃপক্ষ এখনো পুলিশকে দেয়নি। অবশ্য অপর এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, সুইডেন আসলামের মামলাগুলোতে কোনো সাক্ষী পাওয়া যায় না। এ জন্য প্রায় সব মামলা থেকেই খালাস পেয়ে গেছেন তিনি।

বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মাকসুদা লিসা।

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

 

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com