অপরাধীদের চোখ রাঙানি সিলেটে ভয়

সিলেটে চোখ রাঙাচ্ছে অপরাধীরা। পরপর দুটি ঘটনায় ভয় ঢুকেছে সিলেটের মানুষের মনে। এরমধ্যে একটি হচ্ছে; দুর্ধর্ষ ডাকাতি ও অপরটি হচ্ছে নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা লুট। এরমধ্যে ডাকাতির ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা এক ডাকাতকে পিটিয়ে মেরেছে। তবে- ব্যাংকের বুথ লুটে জড়িত অপরাধীদের গতকাল বিকাল পর্যন্ত পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। করোনাকালীন গত দুই বছরের মধ্যে সিলেটে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কম ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে এই দু’টি ঘটনায় আতঙ্ক আর ভয় বিরাজ করছে সিলেটের মানুষের মনে।

 

তবে- বসে নেই পুলিশ। ঘটনার পর থেকে অভিযান শুরু করেছে সিলেট জেলা পুলিশ। এরইমধ্যে তারা ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার শুরু করেছে। করোনাকালে সিলেটে অপরাধ পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার শঙ্কা ছিল। সীমান্ত এলাকার মানুষ অভাব-অনটনে পড়ার কারণে চুরি বৃদ্ধি পেয়েছিলো। পরে ইজারাকৃত বালু মহাল কেন্দ্রিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। লকডাউনের পর সিলেটের পরিস্থিতি ভালো ছিল। কিন্তু গত রোববার ভোররাতে সিলেটে পরপর দু’টি ঘটনা ঘটে। গোলাপগঞ্জে ঘটে ডাকাতি ও ওসমানীনগরের প্রবেশমুখ শেরপুরে ঘটে ব্যাংকের বুথ লুটের ঘটনা। দু’টি ঘটনায়ই অনেকটা প্রকাশ্যে। গত রোববার ভোররাতে সশস্ত্র ডাকাতদল ঢাকা দক্ষিণের সেন পরিবারের বাড়িতে হানা দেয়। ডাকাতরা বাড়ির ভেতরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। একপর্যায়ে পরিবারের কর্তা জ্ঞান সেনের ছেলে দুলাল সেন বাধা দিলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ডাকাতরা গোটা বাড়ি লুট করে। ডাকাতির ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে জানাজানি হলে ডাকাতরা পশ্চিম দত্তরাইল গ্রামের জামে মসজিদের ইমামের কক্ষে অবস্থান নেয়। তারা ইমামকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে অবস্থান করার সময় কৌশলে ইমাম বিষয়টি স্থানীয়দের অবগত করেন। খবর পেয়ে গ্রামের লোকজন মসজিদে ইমামের কক্ষে থাকা ডাকাতদের ঘেরাও করলে একপর্যায়ে ডাকাতরা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি ছুড়ে। ডাকাতদের ছোড়া গুলিতে ৫-৬ জন গ্রামবাসী গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন- ডাকাতরা গুলি ছুড়লে এলাকার লোকজন আরও বেশি বিক্ষুব্ধ হন। পরে তারা ডাকাতদের ধাওয়া করেন। এ সময় তারা গোয়াইনঘাটে বাড়ি আরিফ নামের এক ডাকাতকে ধরে গণপিটুনি দেয়। জনতার গণপিটুনিতে  সে মারা যায়। ওই সময় অন্যরা পালিয়ে যায়। এদিকে- ঘটনার পর গুলিবিদ্ধ ৫ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে জ্ঞান সেনের পুত্র দুলাল সেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন- ডাকাতরা পরিবারের সকল সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা নগদ ২ লাখ টাকা, ক্যামেরা, ১ হাজার কানাডিয়ান ডলার, ৫ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতরা তাকে বেধড়ক মারধর করেছে বলেও তিনি স্বীকার করেন। গোলাপগঞ্জ থানার মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী জানিয়েছেন- স্থানীয়দের গণপিটুনিতে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র ও মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া বাকি ডাকাতদের গ্রেপ্তারে করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোলাপগঞ্জ থানার এস আই ফয়জুল করিম জানিয়েছেন- ডাকাতির ঘটনায় সুহেল আহমদ নামের এক ডাকাতকে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ সেখানকার ডৌবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই রাতে ওসমানীনগর উপজেলার শেরপুরে এটিএম বুথের নিরাপত্তাকর্মীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বুথ থেকে প্রায় ২৪ লাখ টাকা লুট করেছে ডাকাতরা। ভোরে উপজেলার শেরপুরের নতুন বাজার এলাকায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের এটিএম বুথে এই ঘটনা ঘটে বলে ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছে- ওইদিন ভোরে একদল ডাকাত শেরপুর নতুন বাজারে ইউনিস মার্কেটের নিচতলায় ব্যাংকটির ফার্স্ট ট্র্যাক এটিএম বুথে যায়। এ সময় ডাকাতরা বুথের নিরাপত্তাকর্মীকে অস্ত্রের মুখে বেঁধে রেখে বুথ ভেঙে ২৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা লুট করে। খবর পেয়ে সকালে ওসমানীনগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক শেরপুর শাখার ব্যবস্থাপক সৈয়দ আশরাফুল আমিন জানিয়েছেন- ‘টুপি ও মাস্ক পরে ৪ ব্যক্তি বুথে ঢুকে নিরাপত্তকর্মীকে জিম্মি করে বুথ ভেঙে টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আমরা থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’ এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক নেমে এসেছে। শেরপুরসহ আশপাশ এলাকার লোকজন জানিয়েছেন- প্রায় সময় পার্শ্ববর্তী মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার ডাকাতরা হঠাৎ এসে ডাকাতির ঘটনা ঘটায়। বিশেষ করে বর্ষা কিংবা শীত মৌসুমে ডাকাতির প্রবণতা বেড়ে যায়। অন্য জেলায় ডাকাতরা অবস্থান করে। সিলেটে ঘটনা ঘটানোর কারণে অনেক সময় ডাকাতরা ধরা পড়ে না। সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান জানিয়েছেন- ব্যাংক লুটকারীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীরা গ্রেপ্তার হলে তাদের গ্যাং সম্পর্কে অবগত হওয়া যাবে। এরপর আইনিভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি জানান- ব্যাংকের বুথ লুটের ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। সূএ:মানবজমিন

Facebook Comments Box
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» রানি ক্লিওপেট্রা কেন পানির নিচে রাজপ্রাসাদ গড়েছিলেন?

» ‘বাতাসেই দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা’

» কুষ্টিয়ায় সাব রেজিস্ট্রার হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

» সাগরে ফের লঘুচাপ

» বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৫২ জন গ্রেফতার

» যেসব রঙ ঘরে শান্তি আনে

» তারাও যেন ঐশ্বরিয়া

» কুতুপালং ক্যাম্প থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ রোহিঙ্গা আটক

» ইলেকট্রিক সাইকেল আনছে হারলে-ডেভিডসন

» চলে গেলেন ক্রিকেট কোচ জালাল আহমেদ চৌধুরী

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

অপরাধীদের চোখ রাঙানি সিলেটে ভয়

সিলেটে চোখ রাঙাচ্ছে অপরাধীরা। পরপর দুটি ঘটনায় ভয় ঢুকেছে সিলেটের মানুষের মনে। এরমধ্যে একটি হচ্ছে; দুর্ধর্ষ ডাকাতি ও অপরটি হচ্ছে নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা লুট। এরমধ্যে ডাকাতির ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা এক ডাকাতকে পিটিয়ে মেরেছে। তবে- ব্যাংকের বুথ লুটে জড়িত অপরাধীদের গতকাল বিকাল পর্যন্ত পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। করোনাকালীন গত দুই বছরের মধ্যে সিলেটে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কম ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে এই দু’টি ঘটনায় আতঙ্ক আর ভয় বিরাজ করছে সিলেটের মানুষের মনে।

 

তবে- বসে নেই পুলিশ। ঘটনার পর থেকে অভিযান শুরু করেছে সিলেট জেলা পুলিশ। এরইমধ্যে তারা ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার শুরু করেছে। করোনাকালে সিলেটে অপরাধ পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার শঙ্কা ছিল। সীমান্ত এলাকার মানুষ অভাব-অনটনে পড়ার কারণে চুরি বৃদ্ধি পেয়েছিলো। পরে ইজারাকৃত বালু মহাল কেন্দ্রিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। লকডাউনের পর সিলেটের পরিস্থিতি ভালো ছিল। কিন্তু গত রোববার ভোররাতে সিলেটে পরপর দু’টি ঘটনা ঘটে। গোলাপগঞ্জে ঘটে ডাকাতি ও ওসমানীনগরের প্রবেশমুখ শেরপুরে ঘটে ব্যাংকের বুথ লুটের ঘটনা। দু’টি ঘটনায়ই অনেকটা প্রকাশ্যে। গত রোববার ভোররাতে সশস্ত্র ডাকাতদল ঢাকা দক্ষিণের সেন পরিবারের বাড়িতে হানা দেয়। ডাকাতরা বাড়ির ভেতরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। একপর্যায়ে পরিবারের কর্তা জ্ঞান সেনের ছেলে দুলাল সেন বাধা দিলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ডাকাতরা গোটা বাড়ি লুট করে। ডাকাতির ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে জানাজানি হলে ডাকাতরা পশ্চিম দত্তরাইল গ্রামের জামে মসজিদের ইমামের কক্ষে অবস্থান নেয়। তারা ইমামকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে অবস্থান করার সময় কৌশলে ইমাম বিষয়টি স্থানীয়দের অবগত করেন। খবর পেয়ে গ্রামের লোকজন মসজিদে ইমামের কক্ষে থাকা ডাকাতদের ঘেরাও করলে একপর্যায়ে ডাকাতরা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি ছুড়ে। ডাকাতদের ছোড়া গুলিতে ৫-৬ জন গ্রামবাসী গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন- ডাকাতরা গুলি ছুড়লে এলাকার লোকজন আরও বেশি বিক্ষুব্ধ হন। পরে তারা ডাকাতদের ধাওয়া করেন। এ সময় তারা গোয়াইনঘাটে বাড়ি আরিফ নামের এক ডাকাতকে ধরে গণপিটুনি দেয়। জনতার গণপিটুনিতে  সে মারা যায়। ওই সময় অন্যরা পালিয়ে যায়। এদিকে- ঘটনার পর গুলিবিদ্ধ ৫ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে জ্ঞান সেনের পুত্র দুলাল সেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন- ডাকাতরা পরিবারের সকল সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরে থাকা নগদ ২ লাখ টাকা, ক্যামেরা, ১ হাজার কানাডিয়ান ডলার, ৫ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতরা তাকে বেধড়ক মারধর করেছে বলেও তিনি স্বীকার করেন। গোলাপগঞ্জ থানার মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী জানিয়েছেন- স্থানীয়দের গণপিটুনিতে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র ও মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া বাকি ডাকাতদের গ্রেপ্তারে করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোলাপগঞ্জ থানার এস আই ফয়জুল করিম জানিয়েছেন- ডাকাতির ঘটনায় সুহেল আহমদ নামের এক ডাকাতকে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ সেখানকার ডৌবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই রাতে ওসমানীনগর উপজেলার শেরপুরে এটিএম বুথের নিরাপত্তাকর্মীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বুথ থেকে প্রায় ২৪ লাখ টাকা লুট করেছে ডাকাতরা। ভোরে উপজেলার শেরপুরের নতুন বাজার এলাকায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের এটিএম বুথে এই ঘটনা ঘটে বলে ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছে- ওইদিন ভোরে একদল ডাকাত শেরপুর নতুন বাজারে ইউনিস মার্কেটের নিচতলায় ব্যাংকটির ফার্স্ট ট্র্যাক এটিএম বুথে যায়। এ সময় ডাকাতরা বুথের নিরাপত্তাকর্মীকে অস্ত্রের মুখে বেঁধে রেখে বুথ ভেঙে ২৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা লুট করে। খবর পেয়ে সকালে ওসমানীনগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক শেরপুর শাখার ব্যবস্থাপক সৈয়দ আশরাফুল আমিন জানিয়েছেন- ‘টুপি ও মাস্ক পরে ৪ ব্যক্তি বুথে ঢুকে নিরাপত্তকর্মীকে জিম্মি করে বুথ ভেঙে টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আমরা থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’ এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক নেমে এসেছে। শেরপুরসহ আশপাশ এলাকার লোকজন জানিয়েছেন- প্রায় সময় পার্শ্ববর্তী মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার ডাকাতরা হঠাৎ এসে ডাকাতির ঘটনা ঘটায়। বিশেষ করে বর্ষা কিংবা শীত মৌসুমে ডাকাতির প্রবণতা বেড়ে যায়। অন্য জেলায় ডাকাতরা অবস্থান করে। সিলেটে ঘটনা ঘটানোর কারণে অনেক সময় ডাকাতরা ধরা পড়ে না। সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান জানিয়েছেন- ব্যাংক লুটকারীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীরা গ্রেপ্তার হলে তাদের গ্যাং সম্পর্কে অবগত হওয়া যাবে। এরপর আইনিভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি জানান- ব্যাংকের বুথ লুটের ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। সূএ:মানবজমিন

Facebook Comments Box
Share Button

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।(দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : [email protected]

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com