সাফল্যের শিখরে বাংলার নারী

জয়শ্রী ভাদুড়ী:

ও বোন’ নামের মোবাইল অ্যাপভিত্তিক পরিবহন সেবা থেকে শুরু করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ড্রিমলাইনার ‘আকাশবীণা’ উড়িয়ে হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিচ্ছেন নারীরা। রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে সরব উপস্থিতি  তাদের। এভারেস্ট বিজয়ী হয়ে বাংলার নারী আরোহণ করেছেন সাফল্যের শিখরে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম প্রকাশিত বৈশ্বিক লিঙ্গবিভাজন সূচক (গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্স) ২০১৮ অনুযায়ী, বিশ্বে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে বাংলাদেশের অবস্থান। এ সূচকে বিশ্বের ১৪৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৪৮তম। ২০১৭ সালের তুলনায় ২৮ ধাপ অগ্রগতি। প্রতিবেদনটি বলছে, এমনটা সম্ভব হয়েছে অর্থনৈতিক সুবিধা ও অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায়। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও জঁ দ্রজ তাদের ‘ভারত : উন্নয়ন ও বঞ্চনা’ (২০১৫ সালে প্রকাশিত) বইয়ে লিখেছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে নারীর অগ্রগতি অনেক বেশি। বাংলাদেশে ৫৭ শতাংশ নারী কর্মজীবী। ভারতে এ হার মাত্র ২৯ শতাংশ। তারা দেখিয়েছেন, নারীর সাক্ষরতা ও শিক্ষায়ও বাংলাদেশ এগিয়ে। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পদার্পণে নারীর অগ্রগামিতা নিয়ে তৈরি হচ্ছে নানা সূচক। নারীর এ অগ্রযাত্রার বিষয়ে দেশের উচ্চ আদালতের প্রথম নারী বিচারক নাজমুন আরা সুলতানা  বলেন, ‘প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীরা দক্ষতার পরিচয় দিয়ে উপযুক্ত অবস্থান তৈরি করে নিচ্ছে। নারীরা আর পিছিয়ে পড়াদের দলে নেই। নিম্ন আদালতের বিচারক পদে এখন নারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। কিন্তু উচ্চ আদালতে সে সংখ্যা খুবই কম। তাই আমাদের প্রত্যাশা, যোগ্যতার বিচারে আরও বেশিসংখ্যক নারীকে উচ্চ আদালতের বিচারকের দায়িত্ব দেওয়া হোক।’ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, ২০১৬ সালে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৭২তম। ২০০৭ সাল থেকে টানা নয় বছর লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, বর্তমানে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ নারী আছেন। তবে উপসচিব থেকে সচিব পর্যায়ে নারীর সংখ্যা ১ শতাংশ বা তারও কম। দেশে সরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত পদের সংখ্যা ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৩৩৪টি। এর মধ্যে নারীর সংখ্যা ৮৩ হাজার ১৩৩। ১৯৭৪ সালে কর্মক্ষেত্রে নারী ছিল ৪ শতাংশ, এখন ৩৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম  বলেন, ‘শিক্ষার প্রসার ও আর্থ-সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। তবে শীর্ষ পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ এখনো কম। নারীদের মধ্যে দক্ষ-যোগ্য মানুষের অভাব নেই। কিন্তু এজন্য দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানো জরুরি।’ সাংবাদিকতাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে নারীরা এগিয়ে আসছেন এ পেশায়। এর ইতিবাচক ও উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে সাংবাদিকতার মতো ঝুঁকিপূর্ণ, দায়িত্বশীল পেশায়ও নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। এ পেশায় আসতে নারীকে অনেক চড়াই-উতরাই পাড়ি দিতে হয়েছে। ১০ বছর আগের এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, ঢাকা শহরে কর্মরত দেড় হাজার সাংবাদিকের মধ্যে মাত্র ৬০ জন ছিলেন নারী। অর্থাৎ মোট সাংবাদিকের ৪ শতাংশ। তবে টেলিভিশন চ্যানেল ও দৈনিক পত্রিকা বৃদ্ধির কারণে এ সংখ্যা বর্তমানে বেড়েছে। এ ব্যাপারে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত প্রথম নারী সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন  বলেন, ‘গণমাধ্যমে নারীদের অংশগ্রহণ আশানুরূপভাবে বাড়ছে। নারীরা কঠোর পরিশ্রম, দক্ষতা, যোগ্যতা দিয়ে এ পেশায় নিজেদের অবস্থান তৈরি করছেন। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্যায়ে নারীর সংখ্যা এখনো হাতে গোনা। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে উচ্চ পর্যায়ে নারীদের পদোন্নতি বাধাগ্রস্ত করা হয়।’

চিকিৎসা শিক্ষা ও সেবার ক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা পুরুষকে ছাড়িয়ে গেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজে চলতি শিক্ষাবর্ষে ২২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে ১৩৬ জন ছাত্রী, ছাত্র মাত্র ৮৪ জন। আবার ১০ বছরে পুরুষের তুলনায় এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনকারী নারীর সংখ্যাও প্রায় ৩ হাজার বেশি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, এ বছর মেডিকেল কলেজগুলোয় ১০ হাজার ২২৩ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। তার প্রায় ৬০ শতাংশ ছাত্রী।

এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. লায়লা আরজুমান বানু  বলেন, ‘শিক্ষা খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকার যুগোপযোগী বেশকিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এখনো কিছু সামাজিকতা ও পারিবারিক জটিলতা মেয়েদের অগ্রগতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টালে নারীর অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে।’ বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» গুরুতর অসুস্থ কবি হেলাল হাফিজ, হাসপাতালে ভর্তি

» ৮ কোম্পানির লেনদেন বন্ধ আজ

» গাংনীতে গুলিতে ‘মাদক কারবারি’ নিহত

» কমলাপুর স্টেশনে টিকিটের সার্ভাররুমে দুদকের অভিযান

» বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কবে কোথায় কার মুখোমুখি

» একসঙ্গে ছয় সন্তানের জন্ম দিলেন এক নারী

» প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সাভারে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা

» সরকারি কাজে বাধা, নারী কর্মকর্তাকে নির্যাতনের অভিযোগ

» গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিম্নমানের খাবার দেওয়ার অভিযোগ রোগীদের

» প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান, শাস্তির আওতায় মন্ত্রী-এমপিসহ ১০০ নেতা

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

সাফল্যের শিখরে বাংলার নারী

জয়শ্রী ভাদুড়ী:

ও বোন’ নামের মোবাইল অ্যাপভিত্তিক পরিবহন সেবা থেকে শুরু করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ড্রিমলাইনার ‘আকাশবীণা’ উড়িয়ে হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিচ্ছেন নারীরা। রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে সরব উপস্থিতি  তাদের। এভারেস্ট বিজয়ী হয়ে বাংলার নারী আরোহণ করেছেন সাফল্যের শিখরে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম প্রকাশিত বৈশ্বিক লিঙ্গবিভাজন সূচক (গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্স) ২০১৮ অনুযায়ী, বিশ্বে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে বাংলাদেশের অবস্থান। এ সূচকে বিশ্বের ১৪৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৪৮তম। ২০১৭ সালের তুলনায় ২৮ ধাপ অগ্রগতি। প্রতিবেদনটি বলছে, এমনটা সম্ভব হয়েছে অর্থনৈতিক সুবিধা ও অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায়। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও জঁ দ্রজ তাদের ‘ভারত : উন্নয়ন ও বঞ্চনা’ (২০১৫ সালে প্রকাশিত) বইয়ে লিখেছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে নারীর অগ্রগতি অনেক বেশি। বাংলাদেশে ৫৭ শতাংশ নারী কর্মজীবী। ভারতে এ হার মাত্র ২৯ শতাংশ। তারা দেখিয়েছেন, নারীর সাক্ষরতা ও শিক্ষায়ও বাংলাদেশ এগিয়ে। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পদার্পণে নারীর অগ্রগামিতা নিয়ে তৈরি হচ্ছে নানা সূচক। নারীর এ অগ্রযাত্রার বিষয়ে দেশের উচ্চ আদালতের প্রথম নারী বিচারক নাজমুন আরা সুলতানা  বলেন, ‘প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীরা দক্ষতার পরিচয় দিয়ে উপযুক্ত অবস্থান তৈরি করে নিচ্ছে। নারীরা আর পিছিয়ে পড়াদের দলে নেই। নিম্ন আদালতের বিচারক পদে এখন নারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। কিন্তু উচ্চ আদালতে সে সংখ্যা খুবই কম। তাই আমাদের প্রত্যাশা, যোগ্যতার বিচারে আরও বেশিসংখ্যক নারীকে উচ্চ আদালতের বিচারকের দায়িত্ব দেওয়া হোক।’ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, ২০১৬ সালে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৭২তম। ২০০৭ সাল থেকে টানা নয় বছর লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, বর্তমানে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ নারী আছেন। তবে উপসচিব থেকে সচিব পর্যায়ে নারীর সংখ্যা ১ শতাংশ বা তারও কম। দেশে সরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত পদের সংখ্যা ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৩৩৪টি। এর মধ্যে নারীর সংখ্যা ৮৩ হাজার ১৩৩। ১৯৭৪ সালে কর্মক্ষেত্রে নারী ছিল ৪ শতাংশ, এখন ৩৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম  বলেন, ‘শিক্ষার প্রসার ও আর্থ-সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। তবে শীর্ষ পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ এখনো কম। নারীদের মধ্যে দক্ষ-যোগ্য মানুষের অভাব নেই। কিন্তু এজন্য দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানো জরুরি।’ সাংবাদিকতাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে নারীরা এগিয়ে আসছেন এ পেশায়। এর ইতিবাচক ও উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে সাংবাদিকতার মতো ঝুঁকিপূর্ণ, দায়িত্বশীল পেশায়ও নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। এ পেশায় আসতে নারীকে অনেক চড়াই-উতরাই পাড়ি দিতে হয়েছে। ১০ বছর আগের এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, ঢাকা শহরে কর্মরত দেড় হাজার সাংবাদিকের মধ্যে মাত্র ৬০ জন ছিলেন নারী। অর্থাৎ মোট সাংবাদিকের ৪ শতাংশ। তবে টেলিভিশন চ্যানেল ও দৈনিক পত্রিকা বৃদ্ধির কারণে এ সংখ্যা বর্তমানে বেড়েছে। এ ব্যাপারে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত প্রথম নারী সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন  বলেন, ‘গণমাধ্যমে নারীদের অংশগ্রহণ আশানুরূপভাবে বাড়ছে। নারীরা কঠোর পরিশ্রম, দক্ষতা, যোগ্যতা দিয়ে এ পেশায় নিজেদের অবস্থান তৈরি করছেন। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্যায়ে নারীর সংখ্যা এখনো হাতে গোনা। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে উচ্চ পর্যায়ে নারীদের পদোন্নতি বাধাগ্রস্ত করা হয়।’

চিকিৎসা শিক্ষা ও সেবার ক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা পুরুষকে ছাড়িয়ে গেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজে চলতি শিক্ষাবর্ষে ২২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে ১৩৬ জন ছাত্রী, ছাত্র মাত্র ৮৪ জন। আবার ১০ বছরে পুরুষের তুলনায় এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনকারী নারীর সংখ্যাও প্রায় ৩ হাজার বেশি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, এ বছর মেডিকেল কলেজগুলোয় ১০ হাজার ২২৩ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। তার প্রায় ৬০ শতাংশ ছাত্রী।

এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. লায়লা আরজুমান বানু  বলেন, ‘শিক্ষা খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকার যুগোপযোগী বেশকিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এখনো কিছু সামাজিকতা ও পারিবারিক জটিলতা মেয়েদের অগ্রগতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টালে নারীর অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে।’ বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com