শান্তির ঘর চাই? জেনে নিন আটটি কৌশল

লাইফস্টাইল ডেস্ক।।

সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পর কে না চায় ঘরে ফিরে শান্তিতে সময় কাটাতে! কিন্তু আপনার গৃহকোণ যদি থাকে অগোছালো আর অপরিচ্ছন্ন তবে ঘরে ঢুকে মন ভালো হওয়ার বদলে বিরক্তি বাড়ার সম্ভাবনা আছে। একইভাবে আপনার ঘরে থাকা ফ্লাওয়ার ভাস কিংবা কোন আসবাব হয়ত আপনার পছন্দ না। এরকম কিছু সময় থাকতেই বদলে ফেলা ভালো। মূল কথা হল, পূর্ণ মানসিক প্রশান্তির পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় এমন কিছুই ঘরে রাখবেন না।

কাজের শেষে কিংবা জিম থেকে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরে পূর্ণ মানসিক শান্তি পেতে কী কী করা যায় দেখে নেই চলুন।

রঙ

ঘরের দেওয়ালের সঠিক রঙ বাছাইয়ের উপর নির্ভর করে আমাদের মুডের ওঠানামা। যদি আপনি এনার্জি খোঁজেন তাহলে ঘরের দেওয়াল রাঙান লাল, কমলা বা বেগুনিতে। আর ঘরে যদি চান প্রসন্নতা তবে বেছে নিন সবুজ ও হলুদ।

 

পরিচ্ছন্নতা ও গোছগাছ

অস্বীকার করার উপায় নাই যে, ঘরবাড়ি বিক্ষিপ্ত থাকলে মনও বিক্ষিপ্ত থাকে। গৃহকোণটি পরিচ্ছন্ন আর গোছানো থাকলে কেমন জানি একটা পবিত্রতার অনুভূতি আনে। এতে করে সময়ও বাঁচে। যেমন কাপড় চোপড় জায়গামত গোছানো থাকলে খুঁজে পেতে দেরি হবে না। একইভাবে ঘরের সব জিনিস জায়গামত গুছিয়ে রাখলে মনে শান্তি আসে।

সুঘ্রাণ

দুশ্চিন্তা দূর করতে বা দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে কিছু কিছু ঘ্রাণ আমাদের দারুণ সাহায্য করে। কর্মব্যস্ত দিনের শেষে মানসিক প্রশান্তি আনতে ঘরে রাখতে পারেন সুন্দর গন্ধযুক্ত মোমবাতি। যেমন ল্যাভেন্ডার, চন্দন, পিপারমিন্ট, বা লেবুর সুঘ্রাণযুক্ত মোমবাতি জ্বালতে পারেন ঘুমানোর আগে।

ফোটোগ্রাফ বা কোন ভাবাবেগপূর্ণ জিনিস

কোন জায়গা, ব্যক্তি, জীবজন্তু কিংবা কোন কিছু যদি থাকে যা দেখে আপনি ভালো বোধ করেন, তাহলে তাদের ছবি ঘরে সাজিয়ে রাখুন। আবার এমন যদি হয় যে মাসখানেকের মধ্যে আপনি কোথাও ঘুরতে যাবেন তাহলে সেখানকার ছবি চোখের সামনে সাজিয়ে রাখুন। ছবিগুলোর দিকে যখনই তাকাবেন, ভালো বোধ করবেন। আর সেই সাথে প্রতিদিনের স্ট্রেসফুল জীবন থেকে কয়েক মুহূর্তের জন্য হলেও মুক্তি পাবেন।

ঘরে আনুন নতুনত্ব

ঘরে কোন পরিবর্তন আনলে তা যেন তৃপ্তিদায়ক হয় সেটা মাথায় রাখুন। আপনার ঘরে এমন কোন জিনিস যদি থেকে থাকে যা আপনার জন্য বিরক্তির কারণ তবে সেটা সরিয়ে ফেলুন। অর্থাৎ ঘর এমনভাবে সাজান যেন ঘরে ঢুকেই কোন কিছু দেখে আপনার মানসিক অশান্তি শুরু না হয়।

একসাথে টেবিলে বসে খাবার খান

সাধারণত অফিসে থাকাকালীন আমরা একা একাই লাঞ্চ করি বা নাস্তা খাই। তাই বাড়িতে ফিরে কিংবা ছুটির দিনে চেষ্টা করুন একা একা না খেয়ে বাড়ির সবাই মিলে একইসাথে টেবিলে বসে খেতে। বেশ একটা পারিবারিক আড্ডা জমে উঠবে আর সেই সাথে দূর করবে মানসিক অবসাদ। এমন যদি হয় যে আপনি একা থাকেন, তাহলেও টেবিলে সুন্দর কার্টিলারি দিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে খেতে বসুন।

প্রতিবেশির সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন

এমন না যে আপনাকে সারাদিন প্রতিবেশির সাথে গল্পগুজব করতে হবে। মাঝেমধ্যে একটু খাবার দেয়া নেয়া, অসুখবিসুখ কিংবা বিপদাপদে কিছুটা খোঁজখবর রাখা, তাদের অনুপস্থিতিতে তাদের গাছ কিংবা গৃহপালিত পশুর খোঁজখবর নেওয়াই যায়। এতে করে আপনি ভালো বোধ করবেন।

বাগান করুন

বলা হয়ে থাকে, সপ্তাহে ছয় ঘন্টার মত বাগান করলে মন ভালো থাকে। আজকাল আমরা যেসব ছোট ছোট ফ্লাটে থাকি সেখানে বাগান করা একরকম কঠিনই বলতে গেলে। তারপরেও ব্যালকনি, ছাদে কিংবা ঘরের কোণে ছোট ছোট টবে গাছ রাখতে পারেন। যদি তাও না সম্ভব হয়, তাজা ফুল কিনে ঘর সাজান। মনে প্রশান্তি আসবে।

 

 

সারাবাংলা

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» বিপিএল লস প্রজেক্ট, আগামী বছর থাকবো কিনা চিন্তা করছি : নাফিসা

» এক গানেই ২ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিলেন জ্যাকলিন

» ঘুষের নাম বড় বাবু, স্কুল প্রতি ১০ হাজার টাকা

» পঙ্গু হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্সের মৃত্যু

» খালেদা জিয়া গ্রেনেড হামলার দায় এড়াতে পারেন না: প্রধানমন্ত্রী

» ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার দাবিতে নীলফামারীতে বিক্ষোভ সমাবেশ

» নিসু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মনিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি লিটন ও সম্পাদক মোতাহারকে নাগরিক সংবর্ধনা

» জয়পুরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রের মৃত্যু

» শেখ হাসিনাকে হত্যা করে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বহীন করতে চেয়েছিলো তারা: চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি

» শ্রীপুরে সন্তানের অত্যাচারে বাড়ি ছাড়লেন মা, নির্যাতন থেকে বাঁচার জন্য পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

শান্তির ঘর চাই? জেনে নিন আটটি কৌশল

লাইফস্টাইল ডেস্ক।।

সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পর কে না চায় ঘরে ফিরে শান্তিতে সময় কাটাতে! কিন্তু আপনার গৃহকোণ যদি থাকে অগোছালো আর অপরিচ্ছন্ন তবে ঘরে ঢুকে মন ভালো হওয়ার বদলে বিরক্তি বাড়ার সম্ভাবনা আছে। একইভাবে আপনার ঘরে থাকা ফ্লাওয়ার ভাস কিংবা কোন আসবাব হয়ত আপনার পছন্দ না। এরকম কিছু সময় থাকতেই বদলে ফেলা ভালো। মূল কথা হল, পূর্ণ মানসিক প্রশান্তির পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় এমন কিছুই ঘরে রাখবেন না।

কাজের শেষে কিংবা জিম থেকে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরে পূর্ণ মানসিক শান্তি পেতে কী কী করা যায় দেখে নেই চলুন।

রঙ

ঘরের দেওয়ালের সঠিক রঙ বাছাইয়ের উপর নির্ভর করে আমাদের মুডের ওঠানামা। যদি আপনি এনার্জি খোঁজেন তাহলে ঘরের দেওয়াল রাঙান লাল, কমলা বা বেগুনিতে। আর ঘরে যদি চান প্রসন্নতা তবে বেছে নিন সবুজ ও হলুদ।

 

পরিচ্ছন্নতা ও গোছগাছ

অস্বীকার করার উপায় নাই যে, ঘরবাড়ি বিক্ষিপ্ত থাকলে মনও বিক্ষিপ্ত থাকে। গৃহকোণটি পরিচ্ছন্ন আর গোছানো থাকলে কেমন জানি একটা পবিত্রতার অনুভূতি আনে। এতে করে সময়ও বাঁচে। যেমন কাপড় চোপড় জায়গামত গোছানো থাকলে খুঁজে পেতে দেরি হবে না। একইভাবে ঘরের সব জিনিস জায়গামত গুছিয়ে রাখলে মনে শান্তি আসে।

সুঘ্রাণ

দুশ্চিন্তা দূর করতে বা দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে কিছু কিছু ঘ্রাণ আমাদের দারুণ সাহায্য করে। কর্মব্যস্ত দিনের শেষে মানসিক প্রশান্তি আনতে ঘরে রাখতে পারেন সুন্দর গন্ধযুক্ত মোমবাতি। যেমন ল্যাভেন্ডার, চন্দন, পিপারমিন্ট, বা লেবুর সুঘ্রাণযুক্ত মোমবাতি জ্বালতে পারেন ঘুমানোর আগে।

ফোটোগ্রাফ বা কোন ভাবাবেগপূর্ণ জিনিস

কোন জায়গা, ব্যক্তি, জীবজন্তু কিংবা কোন কিছু যদি থাকে যা দেখে আপনি ভালো বোধ করেন, তাহলে তাদের ছবি ঘরে সাজিয়ে রাখুন। আবার এমন যদি হয় যে মাসখানেকের মধ্যে আপনি কোথাও ঘুরতে যাবেন তাহলে সেখানকার ছবি চোখের সামনে সাজিয়ে রাখুন। ছবিগুলোর দিকে যখনই তাকাবেন, ভালো বোধ করবেন। আর সেই সাথে প্রতিদিনের স্ট্রেসফুল জীবন থেকে কয়েক মুহূর্তের জন্য হলেও মুক্তি পাবেন।

ঘরে আনুন নতুনত্ব

ঘরে কোন পরিবর্তন আনলে তা যেন তৃপ্তিদায়ক হয় সেটা মাথায় রাখুন। আপনার ঘরে এমন কোন জিনিস যদি থেকে থাকে যা আপনার জন্য বিরক্তির কারণ তবে সেটা সরিয়ে ফেলুন। অর্থাৎ ঘর এমনভাবে সাজান যেন ঘরে ঢুকেই কোন কিছু দেখে আপনার মানসিক অশান্তি শুরু না হয়।

একসাথে টেবিলে বসে খাবার খান

সাধারণত অফিসে থাকাকালীন আমরা একা একাই লাঞ্চ করি বা নাস্তা খাই। তাই বাড়িতে ফিরে কিংবা ছুটির দিনে চেষ্টা করুন একা একা না খেয়ে বাড়ির সবাই মিলে একইসাথে টেবিলে বসে খেতে। বেশ একটা পারিবারিক আড্ডা জমে উঠবে আর সেই সাথে দূর করবে মানসিক অবসাদ। এমন যদি হয় যে আপনি একা থাকেন, তাহলেও টেবিলে সুন্দর কার্টিলারি দিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে খেতে বসুন।

প্রতিবেশির সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন

এমন না যে আপনাকে সারাদিন প্রতিবেশির সাথে গল্পগুজব করতে হবে। মাঝেমধ্যে একটু খাবার দেয়া নেয়া, অসুখবিসুখ কিংবা বিপদাপদে কিছুটা খোঁজখবর রাখা, তাদের অনুপস্থিতিতে তাদের গাছ কিংবা গৃহপালিত পশুর খোঁজখবর নেওয়াই যায়। এতে করে আপনি ভালো বোধ করবেন।

বাগান করুন

বলা হয়ে থাকে, সপ্তাহে ছয় ঘন্টার মত বাগান করলে মন ভালো থাকে। আজকাল আমরা যেসব ছোট ছোট ফ্লাটে থাকি সেখানে বাগান করা একরকম কঠিনই বলতে গেলে। তারপরেও ব্যালকনি, ছাদে কিংবা ঘরের কোণে ছোট ছোট টবে গাছ রাখতে পারেন। যদি তাও না সম্ভব হয়, তাজা ফুল কিনে ঘর সাজান। মনে প্রশান্তি আসবে।

 

 

সারাবাংলা

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com