মেট্রোরেল যাবে কমলাপুর

উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত নির্মাণাধীন মেট্রোরেল লাইন-৬ আরও বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কমলাপুরে। ইতিমধ্যে কমলাপুর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার লাইন নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনাও দিয়েছেন। নীতিগত অনুমোদনও দিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এখন সমীক্ষাসহ আনুষঙ্গিক কাজ চলছে। মতিঝিল থেকে কমলাপুর লাইনটিও হবে এলিভেটেড। এখানে বাড়তি অর্থ ব্যয় হবে না বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। সড়ক পরিবহন বিভাগ ও মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সড়ক বিভাগ সূত্র জানায়, মেট্রোরেলকে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা ইতিমধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর গত বছরের অক্টোবরেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানায় সড়ক পরিবহন বিভাগ। অন্যদিকে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার মেট্রোরেল লাইন নির্মাণের কাজ চললেও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন এটিকে কমলাপুর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার জন্য। এখন সেই লক্ষ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কমলাপুর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হলে এটির সুফল বেশি পাওয়া যাবে। কারণ উত্তরা থেকে শুরু করে যাত্রাপথের অন্যান্য স্টেশন থেকে যারা মেট্রোরেলে চড়ে কমলাপুর পর্যন্ত যেতে চান তারা মতিঝিল গিয়ে থেমে গেলে সেখানে আরেকটা জটলার সৃষ্টি হবে। কিন্তু গন্তব্য কমলাপুর হলে আর কোনো জটলা পথিমধ্যে হবে না। একই সঙ্গে বেশি সংখ্যক মানুষই এর সুবিধা ভোগ করবেন। মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এন ছিদ্দিক গতকাল  জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর পরই আমরা মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এক দশমিক ১৬ কিলোমিটার লাইন নির্মাণের জন্য কাজ শুরু করেছি। ইতিমধ্যে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত টপোগ্রাফিক সার্ভে শেষ করে প্রধানমন্ত্রীকে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দিয়েছি। তিনি সার্ভের তৃতীয় রিপোর্টটিকে অনুমোদন দিয়েছেন। এম এন ছিদ্দিক জানান, এই এক দশমিক ১৬ কিলোমিটার লাইনের পুরোটাই হবে এলিভেটেড। ফলে মতিঝিল থেকে সোজা কমলাপুর পর্যন্ত গিয়ে শেষ হবে এমআরটি লাইন-৬। এইটুকু লাইন নির্মাণ করতে বেশিরভাগ জমিই পড়বে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও বিআরটিসির। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির পরিমাণ এখানে খুবই কম। এর ফলে জমি অধিগ্রহণেও ব্যয় কম হবে। এই প্রধান এমআরটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এখন স্যোশাল সার্ভে চলছে। এটির প্রাথমিক রিপোর্ট পাওয়া গেছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, এই এক দশমিক ১৬ কিলোমিটার সড়কে মেট্রোরেল নির্মাণের ক্ষেত্রে ৩১টি স্থাপনা পড়বে। যার সবগুলোই বেসরকারি। এর মধ্যে ছয়তলা ভবন হচ্ছে তিনটি, পাঁচতলা ভবন দুটি, চারতলা ভবন চারটি, তিনতলা ভবন নয়টি, দ্বিতল ভবন চারটি, একতলা ভবন নয়টি। এ ছাড়া সেমিপাকা ভবনের সংখ্যা ২০টি ও টিনশেড হচ্ছে ৯টি। তিনি জানান, আগামী মাসেই স্যোশাল সার্ভের চূড়ান্ত রিপোর্ট পাওয়া যাবে। তার পরই পুরোদস্তুর কাজ শুরু করা যাবে।

এম এন ছিদ্দিক জানিয়েছেন, মেট্রোরেলের এই এক দশমিক ১৬ কিলোমিটার লাইন নির্মাণে যে ব্যয় হবে সেটি বর্তমান প্রকল্প থেকেই বের হয়ে আসবে। অতিরিক্ত বা বাড়তি কোনো অর্থ লাগবে না। কারণ মূল প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের আড়াই বছর আগেই শেষ হয়ে যাবে। এতে অর্থের সাশ্রয় হবে, যা ওই নতুন লাইন নির্মাণে ব্যয় হবে। ঢাকার যানজট নিরসনে মেট্রোরেলের প্রথম প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন হয় ২০১২ সালের ডিসেম্বরে। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা জাইকার সঙ্গে ঋণ চুক্তি করে সরকার। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা দেবে জাইকা। বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে। প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় ২০২৪ সাল পর্যন্ত। শুরুতে এই প্রকল্পের দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশের নির্মাণ কাজ শেষ করে ওই অংশটুকু চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত পুরোটা একসঙ্গেই ২০২১ সালের মধ্যে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই লক্ষ্যে এমআরটি লাইন-৬ এর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। দিনে রাতে কাজ চলছে প্রকল্প এলাকায়। ইতিমধ্যে মেট্রোরেলের রেললাইন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে এটি হবে দেশের প্রথম এলিভেটেড মেট্রোরেল। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত অংশের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করা যাবে। তার পরও যদি কিছু সময় লাগে সেটা অন্তত ছয় মাসের বেশি হবে না। এই প্রকল্পের উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে কমলাপুর পর্যন্ত প্রায় ২১ কিলোমিটার পথে ১৭টি স্টেশন নির্মাণ হবে। এগুলো হচ্ছে- উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর ১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সচিবালয় ও মতিঝিল। সর্বশেষ স্টেশনটি হবে কমলাপুর। আগে ১৬টি স্টেশন থাকলেও কমলাপুর নতুন করে যুক্ত হয়েছে। আর উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পথ অতিক্রম করতে সময় লাগবে ৩৭ মিনিট।বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ঢাকা সিটি নির্বাচনে মাঠে থাকবে ৬৫ প্লাটুন বিজিবি

» টেস্ট সিরিজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ

» মাদারীপুরে শুরু হয়েছে বঙ্গবন্ধু ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেট

» সাভারে কঙ্কালসহ নারীর মরদেহ উদ্ধার

» ষোলখাদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

» পুলিশ বলছে খতিয়ে দেখা হবে লক্ষ্মীপুরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

» রহিমা খাতুনের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

» শিরীন চৌধুরীর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী ২৮ জানুয়ারি

» অবাক করলেন শিল্পা

» এখনও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি- সিইসি

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

মেট্রোরেল যাবে কমলাপুর

উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত নির্মাণাধীন মেট্রোরেল লাইন-৬ আরও বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কমলাপুরে। ইতিমধ্যে কমলাপুর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার লাইন নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনাও দিয়েছেন। নীতিগত অনুমোদনও দিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এখন সমীক্ষাসহ আনুষঙ্গিক কাজ চলছে। মতিঝিল থেকে কমলাপুর লাইনটিও হবে এলিভেটেড। এখানে বাড়তি অর্থ ব্যয় হবে না বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। সড়ক পরিবহন বিভাগ ও মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সড়ক বিভাগ সূত্র জানায়, মেট্রোরেলকে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা ইতিমধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর গত বছরের অক্টোবরেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানায় সড়ক পরিবহন বিভাগ। অন্যদিকে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার মেট্রোরেল লাইন নির্মাণের কাজ চললেও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন এটিকে কমলাপুর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার জন্য। এখন সেই লক্ষ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কমলাপুর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হলে এটির সুফল বেশি পাওয়া যাবে। কারণ উত্তরা থেকে শুরু করে যাত্রাপথের অন্যান্য স্টেশন থেকে যারা মেট্রোরেলে চড়ে কমলাপুর পর্যন্ত যেতে চান তারা মতিঝিল গিয়ে থেমে গেলে সেখানে আরেকটা জটলার সৃষ্টি হবে। কিন্তু গন্তব্য কমলাপুর হলে আর কোনো জটলা পথিমধ্যে হবে না। একই সঙ্গে বেশি সংখ্যক মানুষই এর সুবিধা ভোগ করবেন। মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এন ছিদ্দিক গতকাল  জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর পরই আমরা মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এক দশমিক ১৬ কিলোমিটার লাইন নির্মাণের জন্য কাজ শুরু করেছি। ইতিমধ্যে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত টপোগ্রাফিক সার্ভে শেষ করে প্রধানমন্ত্রীকে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দিয়েছি। তিনি সার্ভের তৃতীয় রিপোর্টটিকে অনুমোদন দিয়েছেন। এম এন ছিদ্দিক জানান, এই এক দশমিক ১৬ কিলোমিটার লাইনের পুরোটাই হবে এলিভেটেড। ফলে মতিঝিল থেকে সোজা কমলাপুর পর্যন্ত গিয়ে শেষ হবে এমআরটি লাইন-৬। এইটুকু লাইন নির্মাণ করতে বেশিরভাগ জমিই পড়বে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও বিআরটিসির। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির পরিমাণ এখানে খুবই কম। এর ফলে জমি অধিগ্রহণেও ব্যয় কম হবে। এই প্রধান এমআরটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এখন স্যোশাল সার্ভে চলছে। এটির প্রাথমিক রিপোর্ট পাওয়া গেছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, এই এক দশমিক ১৬ কিলোমিটার সড়কে মেট্রোরেল নির্মাণের ক্ষেত্রে ৩১টি স্থাপনা পড়বে। যার সবগুলোই বেসরকারি। এর মধ্যে ছয়তলা ভবন হচ্ছে তিনটি, পাঁচতলা ভবন দুটি, চারতলা ভবন চারটি, তিনতলা ভবন নয়টি, দ্বিতল ভবন চারটি, একতলা ভবন নয়টি। এ ছাড়া সেমিপাকা ভবনের সংখ্যা ২০টি ও টিনশেড হচ্ছে ৯টি। তিনি জানান, আগামী মাসেই স্যোশাল সার্ভের চূড়ান্ত রিপোর্ট পাওয়া যাবে। তার পরই পুরোদস্তুর কাজ শুরু করা যাবে।

এম এন ছিদ্দিক জানিয়েছেন, মেট্রোরেলের এই এক দশমিক ১৬ কিলোমিটার লাইন নির্মাণে যে ব্যয় হবে সেটি বর্তমান প্রকল্প থেকেই বের হয়ে আসবে। অতিরিক্ত বা বাড়তি কোনো অর্থ লাগবে না। কারণ মূল প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের আড়াই বছর আগেই শেষ হয়ে যাবে। এতে অর্থের সাশ্রয় হবে, যা ওই নতুন লাইন নির্মাণে ব্যয় হবে। ঢাকার যানজট নিরসনে মেট্রোরেলের প্রথম প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন হয় ২০১২ সালের ডিসেম্বরে। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা জাইকার সঙ্গে ঋণ চুক্তি করে সরকার। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা দেবে জাইকা। বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে। প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় ২০২৪ সাল পর্যন্ত। শুরুতে এই প্রকল্পের দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশের নির্মাণ কাজ শেষ করে ওই অংশটুকু চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত পুরোটা একসঙ্গেই ২০২১ সালের মধ্যে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই লক্ষ্যে এমআরটি লাইন-৬ এর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। দিনে রাতে কাজ চলছে প্রকল্প এলাকায়। ইতিমধ্যে মেট্রোরেলের রেললাইন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে এটি হবে দেশের প্রথম এলিভেটেড মেট্রোরেল। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত অংশের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করা যাবে। তার পরও যদি কিছু সময় লাগে সেটা অন্তত ছয় মাসের বেশি হবে না। এই প্রকল্পের উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে কমলাপুর পর্যন্ত প্রায় ২১ কিলোমিটার পথে ১৭টি স্টেশন নির্মাণ হবে। এগুলো হচ্ছে- উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর ১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সচিবালয় ও মতিঝিল। সর্বশেষ স্টেশনটি হবে কমলাপুর। আগে ১৬টি স্টেশন থাকলেও কমলাপুর নতুন করে যুক্ত হয়েছে। আর উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পথ অতিক্রম করতে সময় লাগবে ৩৭ মিনিট।বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com