মাহির বিরুদ্ধে পরিচালকের বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

গত ১৩ সেপ্টেম্বর ৩৩টি হলে মুক্তি পায় মাহিয়া মাহি অভিনীত ‘অবতার’ সিনেমাটি। মাদকাসক্তির কুফল নিয়ে ‘অবতার’ নির্মাণ করেছেন পরিচালক মাহমুদ হাসান শিকদার। সম্প্রতি পরিচালক মাহমুদ শিকদার মাহির বিরুদ্ধে বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেন।

পরিচালক মাহমুদ শিদার বলেন, মাহি ঢ্যাকা অ্যাটাক ছবিতে যে পোশাক পরে একটি গানে অংশ নেন, সেই পোশাকটি পরেই আমার ‘অবতার’ সিনেমার গানে অংশ নেন। এই পুরানো ড্রেসের জন্য ২৫ হাজার টাকা নেন তিনি। অথচ এই পুরানো পোশাক নতুন বলে চালিয়ে আমার কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। এবং পরবর্তীতে মাহি পোশাকগুলো ফেরত দেননি। শূটিং বন্ধ করে দিবে সেই ভয়ে তখন প্রতিবাদ করিনি।

তিনি আরও বলেন, মাহি আমাকে পোশাক রেডি করার আগেই আগাম বাজেট দেন। তিনটি পোশাকের জন্য ৭৫ হাজার টাকা নেন। এটি তার বাড়তি ইনকামের রাস্তা। পরিচালক দাবি করেন শূটিং এর সময় মাহি যে পোশাকটি পড়েছেন তা ছেড়া ছিল। এবং এটি অন্য ছবির পোশাক ছিল। তবে সে বাধ্য করেছেন টাকা দিতে। শুধু পোশাকই নয় যাতায়াত ভাতাসহ নানা ইস্যুতে পরিচালক ও প্রযোজকদের জিম্মি করেন শিল্পীরা। মাহি উওরা থেকে আশুলিয়া যেতে কনভেন্স নিয়েছেন ৪ হাজার টাকা, মানিকগঞ্জ যেতে নিয়েছেন ৮ হাজার টাকা। অথচ ছবিটি মুক্তির সময় প্রচারবিমুখ ছিল নায়িকা মাহিয়া মাহি।

মাহমুদ শিকদার আক্ষেপ করে জানান, মাহির সাথে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও সে ফোনটি রিসিভ করেনি। মাহি যদি প্রচারণায় আসতো তাহলে ছবিটির রেসপন্স ভালো পেতাম।

এ বিষয়ে মাহিয়া মাহির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পরিচালক প্রমাণ করতে পারলে পোশাকের টাকা ফেরত দেব। তার সাথে যে অনুযায়ী আমার চুক্তি হয়েছে সে অনুযায়ী তার সাথে কাজ করেছি। চুক্তির সময় এ বিষয়গুলো উল্লেখ ছিল। এখন যদি এ রকমের অভিযোগ করে তাহলে আমার কিছু করার নেই।

শুধু মাহি নন এমন অভিযোগ রয়েছে অনেক শিল্পীর বিরুদ্ধে। পরিচালক, প্রযোজক ও শিল্পী সমিতিসহ সিনেমার ১৮টি সংগঠনের সমন্বয়ে যে নীতিমালা রয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ড্রেসের জন্য কোনো শিল্পীকে আলাদা কোনো টাকা প্রদান করা হবে না। গল্পের প্রয়োজনে শিল্পীদের ড্রেস প্রোডাকশন থেকে তৈরি হবে, শুটিং শেষে সকল ড্রেস শিল্পীকে প্রোডাকশনের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। কোনো ড্রেস কোনো শিল্পীর পছন্দ হলে সেটা ক্রয়মূল্য দিয়ে শিল্পী শুটিং শেষে নিতে পারবেন। পহেলা নভেম্বর থেকে এই নিয়ম চালু হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, এক লাখ টাকার উপরে যাদের পারিশ্রমিক, সেই সব শিল্পী কোনো প্রকার কনভেন্স (যাতায়াত ভাতা) পাবেন না। পূর্বপশ্চিমবিডি

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» হবিগঞ্জে হাইব্রিড হীরা-২ নকল বীজ ধানের কারখানা আবিস্কার ॥ বিপুল পরিমাণ নকল বীজ,প্যাকেট জব্ধ ও ক্যামিকেল ॥ গুদাম সীলগালা

» ঠিকাদার ও দালাল  কতৃক নেয়া লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হলেন 

» বর্তমান সরকার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে : ইউপি চেয়ারম্যান মনি

» ৮ ঘণ্টা ভোগান্তির পর ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক

» বাংলা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বিশ্ববাজার দখল করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগোচ্ছে

» অকুপেন্সি সনদ না থাকলে আইনি ব্যবস্থা

» স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বসছেন পণ্যবাহী যানের মালিক-শ্রমিকরা

» সাগিরা মোর্শেদ হত্যা: আরও ৬০ দিন সময় পেলো পিবিআই

» মণিরামপুর উপজেলার রেশমা খাতুন ৪র্থ বার মত শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত

» স্ট্রেট ব্যাংকিং সেবা চালু করলো এনআরবি ব্যাংক-এসএসএল

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

মাহির বিরুদ্ধে পরিচালকের বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

গত ১৩ সেপ্টেম্বর ৩৩টি হলে মুক্তি পায় মাহিয়া মাহি অভিনীত ‘অবতার’ সিনেমাটি। মাদকাসক্তির কুফল নিয়ে ‘অবতার’ নির্মাণ করেছেন পরিচালক মাহমুদ হাসান শিকদার। সম্প্রতি পরিচালক মাহমুদ শিকদার মাহির বিরুদ্ধে বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেন।

পরিচালক মাহমুদ শিদার বলেন, মাহি ঢ্যাকা অ্যাটাক ছবিতে যে পোশাক পরে একটি গানে অংশ নেন, সেই পোশাকটি পরেই আমার ‘অবতার’ সিনেমার গানে অংশ নেন। এই পুরানো ড্রেসের জন্য ২৫ হাজার টাকা নেন তিনি। অথচ এই পুরানো পোশাক নতুন বলে চালিয়ে আমার কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। এবং পরবর্তীতে মাহি পোশাকগুলো ফেরত দেননি। শূটিং বন্ধ করে দিবে সেই ভয়ে তখন প্রতিবাদ করিনি।

তিনি আরও বলেন, মাহি আমাকে পোশাক রেডি করার আগেই আগাম বাজেট দেন। তিনটি পোশাকের জন্য ৭৫ হাজার টাকা নেন। এটি তার বাড়তি ইনকামের রাস্তা। পরিচালক দাবি করেন শূটিং এর সময় মাহি যে পোশাকটি পড়েছেন তা ছেড়া ছিল। এবং এটি অন্য ছবির পোশাক ছিল। তবে সে বাধ্য করেছেন টাকা দিতে। শুধু পোশাকই নয় যাতায়াত ভাতাসহ নানা ইস্যুতে পরিচালক ও প্রযোজকদের জিম্মি করেন শিল্পীরা। মাহি উওরা থেকে আশুলিয়া যেতে কনভেন্স নিয়েছেন ৪ হাজার টাকা, মানিকগঞ্জ যেতে নিয়েছেন ৮ হাজার টাকা। অথচ ছবিটি মুক্তির সময় প্রচারবিমুখ ছিল নায়িকা মাহিয়া মাহি।

মাহমুদ শিকদার আক্ষেপ করে জানান, মাহির সাথে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও সে ফোনটি রিসিভ করেনি। মাহি যদি প্রচারণায় আসতো তাহলে ছবিটির রেসপন্স ভালো পেতাম।

এ বিষয়ে মাহিয়া মাহির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পরিচালক প্রমাণ করতে পারলে পোশাকের টাকা ফেরত দেব। তার সাথে যে অনুযায়ী আমার চুক্তি হয়েছে সে অনুযায়ী তার সাথে কাজ করেছি। চুক্তির সময় এ বিষয়গুলো উল্লেখ ছিল। এখন যদি এ রকমের অভিযোগ করে তাহলে আমার কিছু করার নেই।

শুধু মাহি নন এমন অভিযোগ রয়েছে অনেক শিল্পীর বিরুদ্ধে। পরিচালক, প্রযোজক ও শিল্পী সমিতিসহ সিনেমার ১৮টি সংগঠনের সমন্বয়ে যে নীতিমালা রয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ড্রেসের জন্য কোনো শিল্পীকে আলাদা কোনো টাকা প্রদান করা হবে না। গল্পের প্রয়োজনে শিল্পীদের ড্রেস প্রোডাকশন থেকে তৈরি হবে, শুটিং শেষে সকল ড্রেস শিল্পীকে প্রোডাকশনের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। কোনো ড্রেস কোনো শিল্পীর পছন্দ হলে সেটা ক্রয়মূল্য দিয়ে শিল্পী শুটিং শেষে নিতে পারবেন। পহেলা নভেম্বর থেকে এই নিয়ম চালু হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, এক লাখ টাকার উপরে যাদের পারিশ্রমিক, সেই সব শিল্পী কোনো প্রকার কনভেন্স (যাতায়াত ভাতা) পাবেন না। পূর্বপশ্চিমবিডি

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com