মাদকের অন্ধকার জগতে এবার পথশিশুরা

মদ, গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল সেবনে বাদ নেই বয়স্ক নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী ও কিশোর-কিশোরীরা। তবে এসব সেবনে ছন্নছড়া পথশিশুদের কথা তেমন শোনা যায়নি। এবার এসব পথশিশুও জড়িয়ে পড়েছে মাদক ড্যান্ডি সেবনে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম মহানগরীর শিল্পাঞ্চল কালুরঘাট, ইপিজেড, ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র বহদ্দারহাট, নিউমার্কেট, চকবাজার, জিইসি, শপিং কমপ্লেক্স, আগ্রাবাদ, লালখান বাজার, রেল ও বাসস্টেশন এলাকায় এখন প্রতিদিন দেখা মিলছে তাদের। ৭ থেকে ১৪ বছর বয়সের এই পথশিশুরা পলিথিন ব্যাগে নাক-মুখ ডুবিয়ে কি যেন শুঁকছে। তাতে সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক দেখা গেছে এদের। নজর দিতেই দেখা যায়, পলিথিনের মধ্যে হালকা হলুদ রংয়ের কি যেন আছে। অথচ এদের প্রতি কোনো নজর নেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশ প্রশাসনের।

নাক-মুখ ডুবিয়ে শুঁকার সময় এসব কি জানতে চাইলে নিউমার্কেট সড়কে এক পথশিশু আড়ষ্ট চোখে জানায়, এটা ড্যান্ডি, নেশা। একবার খাইলে সারাদিন মাথা ঝিম ঝিম করে, কারও কথা মনে পড়ে না। মনের দুঃখও থাকে না। আর এর গন্ধ ভালো লাগে, তাই বারবার টানি। জানতে চাইলে তার নাম শরীফ (৯) বলে জানায়।

এর কিছু দূরে দুই মেয়েসহ ৫ জনে মিলে পলিথিন ব্যাগে নাক ডুবিয়ে নেশা করছে। কাছে যেতেই ৩ ছেলে পালিয়ে যায়। দুই মেয়ের মধ্যে একজনের নাম তানহা (১৩), অপরজনের নাম রাবেয়া (১১) বলে জানায়।

তাদের দেয়া তথ্যমতে নিউ মার্কেটের অদূরে রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ৩-৪ জন করে তিনটি পথশিশুর দল এসব টানছে। আর মাথায় হাত দিয়ে ঝিম ধরে বসে আছে। ছবি তুলতে চাইলেই সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে তারা।
পথশিশুরা জানায়, ড্যান্ডি একধরণের নেশা। মাত্র ২০-৩০ টাকায় কেনা যায়। সারাদিন প্লাস্টিক বা লোহা জাতীয় পূরণো জিনিস কুড়িয়ে আগে খাবার কিনে খেতাম। এখন অনেক সময় খাবার না খেয়ে ড্যান্ডি কিনে খাই। এটি খাইলে ক্ষুধার কথাও মনে থাকে না।

জানা গেছে, নেশার এই উপকরণটি হচ্ছে ড্যানড্রাইট অ্যাডহেসিভ বা ড্যান্ড্রাইট আঠা। নেশাগ্রস্ত পথশিশুদের কাছে এটি ড্যান্ডি নামেই পরিচিত। ড্যানড্রাইট অ্যাডহেসিভ নামক আঠালো বস্তুটি (গাম) দিয়ে এই মাদক তৈরি করে মাদক ব্যবসায়ীরা।

ড্যান্ড্রাইট অ্যাডহেসিভ টিউবে বা কৌটায় দুভাবে পাওয়া যায়। প্রতিটি টিউবের দাম ১৫০-২০০ টাকা, কৌটার দাম ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা। এগুলো সাধারণত হার্ডওয়ারের দোকানে বিক্রি হয়। দাম বেশি হওয়ায় আসক্ত শিশুরা কৌটা কিংবা টিউব কিনতে পারে না। ফলে, একশ্রেণির মাদক বিক্রেতা ২০-৩০ টাকার বিনিময়ে অল্প বিক্রি করে।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. একরামুল হক বলেন, নাকে-মুখে ঘনঘন এটির শ্বাস নিলে মাথা ঝিম ঝিম করতে থাকে। পাশাপাশি আসক্তি তৈরি হয়। তবে আঠার গ্যাস ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করে। নাকের ভেতরে ঘা হয়ে যায়। এতে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ মাদকে মানসিক এবং শারীরিক উভয় ধরনের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। যেহেতু শিশুরা এটা গ্রহণ করে, ফলে এর প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ হবে।

ছন্নছড়া পথশিশুদের কাছে এটি যখন নেশা এবং চিকিৎসকের মতে এটির প্রতিক্রিয়া যখন ভয়াবহ তখনো মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে এটি মাদক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো উপ-অঞ্চলের উপ-পরিচালক শামীম আহম্মেদ বলেন, এটি প্রচলিত কোনো মাদক নয়। ড্যান্ডি বা আঠা জাতীয় দ্রব্যগুলো নিষিদ্ধ ও মাদক আইনে না পরায় এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। তবে এটি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ছে বলে মত পোষণ করেন তিনি।

পথশিশুদের ড্যান্ডিতে আসক্ত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে চট্টগ্রাম মহানগর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন বলেন, বিভিন্নভাবে ড্যান্ডি নেশার খবর আমরা পেয়েছি। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন না থাকায় আমরা ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তবুও এমন ঘটনায় পুলিশ বসে নেই, এদের দেখলেই শিশুদের উদ্ধার করে তাদের মা-বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে শিশুদের পিতা-মাতাদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একইসাথে গাম বিক্রি করার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সচেতন গড়ে তোলা প্রয়োজন। নেশায় আসক্ত এসব শিশুদের সংশোধনের জন্যে প্রত্যেকটি শহরে সংশোধনাগার নির্মাণের প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

নগরীর চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় অবিস্থত মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক আফসারুল ইসলাম বলেন, ছোট বাচ্চারা যদি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে তাহলে আমাদের সমাজ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে। সামাজিক এ অধঃপতন ঠেকাতে সামাজিক প্রতিরোধ জরুরী।

তিনি বলেন, নেশা থেকে অনেক অপরাধের জন্ম হয়। নেশার টাকা জোগাড় করতে প্রথমে চুরি এবং পরে বড় ধরনের অপরাধের দিকে এগিয়ে যাবে এই শিশুরা। তাই সকলে মিলেই এদের বোঝানোর পাশাপাশি প্রতিরোধ করতে হবে।মানবজমিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» বিজয় মানে ১৬ই ডিসেম্বর

» বাঙ্গালী জাতির জন্য বানিয়াচঙ্গ উপজেলাবাসী জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায় বানিয়াচঙ্গ পল্লী বিদ্যুৎ অফিস :: স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ

» চলচ্চিত্রে মুক্তিযুদ্ধ

» বরগুনায় গণপূর্তের জমিতে দরপত্র ছাড়াই পৌরসভার সড়ক নির্মাণ

» উঠে আসছে না নতুন নেতৃত্ব কেন্দ্রে কর্তৃত্ব হারাচ্ছে সিলেট আওয়ামী লীগ

» মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় স্মৃতি

» মহান বিজয় দিবস আজ

» বিজয়ের স্মৃতি ও বঙ্গবন্ধু

» টানটান উত্তেজনা আওয়ামী লীগে

» ‘মুজিববর্ষে’ বাজারে আসছে ২০০ টাকার নোট

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

মাদকের অন্ধকার জগতে এবার পথশিশুরা

মদ, গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল সেবনে বাদ নেই বয়স্ক নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী ও কিশোর-কিশোরীরা। তবে এসব সেবনে ছন্নছড়া পথশিশুদের কথা তেমন শোনা যায়নি। এবার এসব পথশিশুও জড়িয়ে পড়েছে মাদক ড্যান্ডি সেবনে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম মহানগরীর শিল্পাঞ্চল কালুরঘাট, ইপিজেড, ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র বহদ্দারহাট, নিউমার্কেট, চকবাজার, জিইসি, শপিং কমপ্লেক্স, আগ্রাবাদ, লালখান বাজার, রেল ও বাসস্টেশন এলাকায় এখন প্রতিদিন দেখা মিলছে তাদের। ৭ থেকে ১৪ বছর বয়সের এই পথশিশুরা পলিথিন ব্যাগে নাক-মুখ ডুবিয়ে কি যেন শুঁকছে। তাতে সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক দেখা গেছে এদের। নজর দিতেই দেখা যায়, পলিথিনের মধ্যে হালকা হলুদ রংয়ের কি যেন আছে। অথচ এদের প্রতি কোনো নজর নেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশ প্রশাসনের।

নাক-মুখ ডুবিয়ে শুঁকার সময় এসব কি জানতে চাইলে নিউমার্কেট সড়কে এক পথশিশু আড়ষ্ট চোখে জানায়, এটা ড্যান্ডি, নেশা। একবার খাইলে সারাদিন মাথা ঝিম ঝিম করে, কারও কথা মনে পড়ে না। মনের দুঃখও থাকে না। আর এর গন্ধ ভালো লাগে, তাই বারবার টানি। জানতে চাইলে তার নাম শরীফ (৯) বলে জানায়।

এর কিছু দূরে দুই মেয়েসহ ৫ জনে মিলে পলিথিন ব্যাগে নাক ডুবিয়ে নেশা করছে। কাছে যেতেই ৩ ছেলে পালিয়ে যায়। দুই মেয়ের মধ্যে একজনের নাম তানহা (১৩), অপরজনের নাম রাবেয়া (১১) বলে জানায়।

তাদের দেয়া তথ্যমতে নিউ মার্কেটের অদূরে রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ৩-৪ জন করে তিনটি পথশিশুর দল এসব টানছে। আর মাথায় হাত দিয়ে ঝিম ধরে বসে আছে। ছবি তুলতে চাইলেই সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে তারা।
পথশিশুরা জানায়, ড্যান্ডি একধরণের নেশা। মাত্র ২০-৩০ টাকায় কেনা যায়। সারাদিন প্লাস্টিক বা লোহা জাতীয় পূরণো জিনিস কুড়িয়ে আগে খাবার কিনে খেতাম। এখন অনেক সময় খাবার না খেয়ে ড্যান্ডি কিনে খাই। এটি খাইলে ক্ষুধার কথাও মনে থাকে না।

জানা গেছে, নেশার এই উপকরণটি হচ্ছে ড্যানড্রাইট অ্যাডহেসিভ বা ড্যান্ড্রাইট আঠা। নেশাগ্রস্ত পথশিশুদের কাছে এটি ড্যান্ডি নামেই পরিচিত। ড্যানড্রাইট অ্যাডহেসিভ নামক আঠালো বস্তুটি (গাম) দিয়ে এই মাদক তৈরি করে মাদক ব্যবসায়ীরা।

ড্যান্ড্রাইট অ্যাডহেসিভ টিউবে বা কৌটায় দুভাবে পাওয়া যায়। প্রতিটি টিউবের দাম ১৫০-২০০ টাকা, কৌটার দাম ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা। এগুলো সাধারণত হার্ডওয়ারের দোকানে বিক্রি হয়। দাম বেশি হওয়ায় আসক্ত শিশুরা কৌটা কিংবা টিউব কিনতে পারে না। ফলে, একশ্রেণির মাদক বিক্রেতা ২০-৩০ টাকার বিনিময়ে অল্প বিক্রি করে।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. একরামুল হক বলেন, নাকে-মুখে ঘনঘন এটির শ্বাস নিলে মাথা ঝিম ঝিম করতে থাকে। পাশাপাশি আসক্তি তৈরি হয়। তবে আঠার গ্যাস ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করে। নাকের ভেতরে ঘা হয়ে যায়। এতে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ মাদকে মানসিক এবং শারীরিক উভয় ধরনের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। যেহেতু শিশুরা এটা গ্রহণ করে, ফলে এর প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ হবে।

ছন্নছড়া পথশিশুদের কাছে এটি যখন নেশা এবং চিকিৎসকের মতে এটির প্রতিক্রিয়া যখন ভয়াবহ তখনো মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে এটি মাদক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো উপ-অঞ্চলের উপ-পরিচালক শামীম আহম্মেদ বলেন, এটি প্রচলিত কোনো মাদক নয়। ড্যান্ডি বা আঠা জাতীয় দ্রব্যগুলো নিষিদ্ধ ও মাদক আইনে না পরায় এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। তবে এটি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ছে বলে মত পোষণ করেন তিনি।

পথশিশুদের ড্যান্ডিতে আসক্ত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে চট্টগ্রাম মহানগর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন বলেন, বিভিন্নভাবে ড্যান্ডি নেশার খবর আমরা পেয়েছি। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন না থাকায় আমরা ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তবুও এমন ঘটনায় পুলিশ বসে নেই, এদের দেখলেই শিশুদের উদ্ধার করে তাদের মা-বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে শিশুদের পিতা-মাতাদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একইসাথে গাম বিক্রি করার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সচেতন গড়ে তোলা প্রয়োজন। নেশায় আসক্ত এসব শিশুদের সংশোধনের জন্যে প্রত্যেকটি শহরে সংশোধনাগার নির্মাণের প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

নগরীর চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় অবিস্থত মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক আফসারুল ইসলাম বলেন, ছোট বাচ্চারা যদি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে তাহলে আমাদের সমাজ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে। সামাজিক এ অধঃপতন ঠেকাতে সামাজিক প্রতিরোধ জরুরী।

তিনি বলেন, নেশা থেকে অনেক অপরাধের জন্ম হয়। নেশার টাকা জোগাড় করতে প্রথমে চুরি এবং পরে বড় ধরনের অপরাধের দিকে এগিয়ে যাবে এই শিশুরা। তাই সকলে মিলেই এদের বোঝানোর পাশাপাশি প্রতিরোধ করতে হবে।মানবজমিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com