বেপরোয়া হার্টবিট নিয়ন্ত্রণ করবে কলা-কিসমিস

সোজা কথায়, প্রতি মিনিটে কারো হার্ট যতবার বিটস করে, সেটাই হল তার হার্ট রেট বা পালস রেট। সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে হেলদি হার্ট রেট হলে মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বিটস। অবশ্য অ্যাথলেটদের ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটে হার্ট রেট বা পালস রেট ৪০-এর কম হতে পারে। যেহেতু হার্টের ছন্দকে কাউন্ট করে, তাই কোনোভাবেই হার্টরেটকে হেলাফেলা করা উচিত নয়। এ থেকে হার্টে রক্তের প্রবাহের একটা আন্দাজ মেলে।

হার্টরেট বেশি হলে হার্টের অসুখের আশঙ্কা থাকেই। হতে পারে স্ট্রোকও। কিডনির বারোটা বাজাও অস্বাভাবিক নয়। সুতরাং হার্টের ছন্দকে নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

স্বাভাবিক অবস্থায় নিজের পালস ধরে কেউ যদি দেখেন জোরে ছুটছে, সাবধান না-হয়ে উপায় নেই। চিকিৎসকের পরামর্শ তো নেবেনই। সেই সঙ্গে খাদ্য তালিকায় রোজ রাখুন পাকা কলা ও কিসমিস। পুষ্টি ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই দুইটি খাবারই হার্টরেটকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

কেন কলা খাবেন:
পুষ্টিগত দিক দিয়ে যদি দেখেন, পাকা কলা হল ভিটামিন বি-১২-এর অসাধারণ উৎস। সেই সঙ্গে ম্যাঙ্গানিজ, বিভিন্ন ফাইবার, ভিটামিন-সি, তামা, বায়োটিন এবং পটাসিয়ামও পাবেন। হার্টরেট কম করার ক্ষেত্রে এই সবকটি উপাদানই গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ পটাশিয়াম কম হলে, মাসল ক্যাম্প শুধু নয়, এনার্জিরও ঘাটতি হবে। যা থেকে হার্টবিটস অনিয়মিত হতে পারে। কলায় রয়েছে ৪০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। একই সঙ্গে লো সোডিয়াম। যার জন্য, হার্টকে ছন্দে রাখতে কলা খেতে হবে। এছাড়াও কলায় থাকায় ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়ামে অ্যান্টাসিড এফেক্ট থাকায় পেটের আলসারের হাত থেকে রক্ষা করে। ক্যারোটিনয়েড অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টেরও উৎস হলো কলা। রয়েছে ফাইবার পেকটিনও।

কিসমিসও সমান উপকারী
কলার মতোই শুকনো আঙুর বা কিসমিসও প্রচুর পটাশিয়াম সমৃদ্ধ। ১০০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম রয়েছে। দৈনিক চাহিদার অনেকাটাই পূরণ করতে পারে। পাশাপাশি কলার মতোই কিসমিসে সোডিয়াম কম রয়েছে। হার্ট বিট নিয়ন্ত্রণে আনা ছাড়াও আরো নানা কারণে আপনি কিসমিস খেতে পারেন।

বিশেষত যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে। ডায়াবেটিসেও কিসমিস উপকারী। হাইপারটেনশনের রোগীরা কিসমিসে নিশ্চিত উপকার পাবেন। এছাড়াও যৌনরোগ দূর করতে, হাড়ের গঠন মজবুতে এবং চোখ ভালো রাখতে নিয়মিত কিসমিস খাওয়া ভালো। বিডি প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» জিততে হবে মুজিব কন্যাকে, খালেদের মুখে জানতে হবে অপরাধজগৎ

» ১২ বারের মত শ্রেষ্ঠ লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার

» অবিরল

» হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে প্রবাসীকে হত্যা করল স্ত্রী-সন্তানরা

» শাহজালালে ৬০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার জব্দ

» ইনস্টাগ্রামে ‘নেমট্যাগ’ করবেন যেভাবে

» এফআর টাওয়ারের পাশের ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২ ইউনিট

» দেবের সব ছবিতে আমাকে নিতেই হবে এটা ভুল: রুক্মিণী

» থানায় মারধরের পর সিগারেটের ছ্যাকা, ওসির বিরুদ্ধে মামলা

» ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি, সবাইকে ধরব: প্রধানমন্ত্রী

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

বেপরোয়া হার্টবিট নিয়ন্ত্রণ করবে কলা-কিসমিস

সোজা কথায়, প্রতি মিনিটে কারো হার্ট যতবার বিটস করে, সেটাই হল তার হার্ট রেট বা পালস রেট। সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে হেলদি হার্ট রেট হলে মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বিটস। অবশ্য অ্যাথলেটদের ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটে হার্ট রেট বা পালস রেট ৪০-এর কম হতে পারে। যেহেতু হার্টের ছন্দকে কাউন্ট করে, তাই কোনোভাবেই হার্টরেটকে হেলাফেলা করা উচিত নয়। এ থেকে হার্টে রক্তের প্রবাহের একটা আন্দাজ মেলে।

হার্টরেট বেশি হলে হার্টের অসুখের আশঙ্কা থাকেই। হতে পারে স্ট্রোকও। কিডনির বারোটা বাজাও অস্বাভাবিক নয়। সুতরাং হার্টের ছন্দকে নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

স্বাভাবিক অবস্থায় নিজের পালস ধরে কেউ যদি দেখেন জোরে ছুটছে, সাবধান না-হয়ে উপায় নেই। চিকিৎসকের পরামর্শ তো নেবেনই। সেই সঙ্গে খাদ্য তালিকায় রোজ রাখুন পাকা কলা ও কিসমিস। পুষ্টি ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই দুইটি খাবারই হার্টরেটকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

কেন কলা খাবেন:
পুষ্টিগত দিক দিয়ে যদি দেখেন, পাকা কলা হল ভিটামিন বি-১২-এর অসাধারণ উৎস। সেই সঙ্গে ম্যাঙ্গানিজ, বিভিন্ন ফাইবার, ভিটামিন-সি, তামা, বায়োটিন এবং পটাসিয়ামও পাবেন। হার্টরেট কম করার ক্ষেত্রে এই সবকটি উপাদানই গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ পটাশিয়াম কম হলে, মাসল ক্যাম্প শুধু নয়, এনার্জিরও ঘাটতি হবে। যা থেকে হার্টবিটস অনিয়মিত হতে পারে। কলায় রয়েছে ৪০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। একই সঙ্গে লো সোডিয়াম। যার জন্য, হার্টকে ছন্দে রাখতে কলা খেতে হবে। এছাড়াও কলায় থাকায় ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়ামে অ্যান্টাসিড এফেক্ট থাকায় পেটের আলসারের হাত থেকে রক্ষা করে। ক্যারোটিনয়েড অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টেরও উৎস হলো কলা। রয়েছে ফাইবার পেকটিনও।

কিসমিসও সমান উপকারী
কলার মতোই শুকনো আঙুর বা কিসমিসও প্রচুর পটাশিয়াম সমৃদ্ধ। ১০০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম রয়েছে। দৈনিক চাহিদার অনেকাটাই পূরণ করতে পারে। পাশাপাশি কলার মতোই কিসমিসে সোডিয়াম কম রয়েছে। হার্ট বিট নিয়ন্ত্রণে আনা ছাড়াও আরো নানা কারণে আপনি কিসমিস খেতে পারেন।

বিশেষত যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে। ডায়াবেটিসেও কিসমিস উপকারী। হাইপারটেনশনের রোগীরা কিসমিসে নিশ্চিত উপকার পাবেন। এছাড়াও যৌনরোগ দূর করতে, হাড়ের গঠন মজবুতে এবং চোখ ভালো রাখতে নিয়মিত কিসমিস খাওয়া ভালো। বিডি প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com