বেনাপোলে ট্রেনে পুলিশের চাঁদাবাজি

বেনাপোল-খুলনা কমিউটার ট্রেনে প্রকাশ্যে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠেছে জিআরপি পুলিশের বিরুদ্ধে। গতকাল সকালে বেনাপোল থেকে খুলনাগামী কমিউটার ট্রেনে নেমপ্লেটবিহীন এক পুলিশ কনস্টেবল ও জাহিদ নামের বহিরাগত পুলিশের পক্ষে চাঁদা তুলতে দেখা গেছে। ট্রেনটিতে বিজিবি বেনাপোল থেকে নাভারণ পর্যন্ত আসা-যাওয়া করে। বিজিবি সদস্যরা নাভারণ নেমে যাওয়ার পর শুরু    হয় যাত্রীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি। ৪ নম্বর বগিতে দেখা যায় নেমপ্লেটবিহীন পুলিশ কনস্টেবল কিছু যাত্রীদের কাছ থেকে ১০০-২০০ টাকা করে তুলছেন। কিসের টাকা তুলছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এরা প্রতিদিন ট্রেনে ভারতীয় পণ্য নিয়ে যশোর-ঝিকরগাছা যায়। এজন্য আমাদের কিছু দিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর ওই বগিতে দেখা যায় আর একজন কিছু যাত্রীর কাছ থেকে টাকা তুলছেন। কি জন্য টাকা তুলছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দল ক্ষমতায় এভাবে চাঁদাবাজি করে খাব, কি হয়েছে।’ একজন বয়স্ক ব্যক্তি যাত্রীদের টাকা দিতে নিষেধ করলে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমি পুলিশ ডেকে আনি, আপনি টাকা আদায়ে বাধা দিচ্ছেন।

তখন হাসিনা, মরিয়মসহ কয়েকজন যাত্রী বলেন, বাবা আপনি ঝামেলা করবেন না। টাকা না দিলে আমাদের কাছ থেকে পুলিশ এসে মাল নিয়ে যাবে। এরা প্রতিদিন আমাদের কাছ থেকে টাকা নেয়। কেন টাকা দেন জানতে চাইলে তারা বলেন, ‘আমরা ভারতীয় চানাচুর, বিস্কিট ও সনপাপড়ি যশোর নিয়ে বিক্রি করি। এ জন্য তাদের টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে আমাদের মালামাল রেখে দেয়।’

এ ব্যাপারে জিআরপি পুলিশের এএসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের কাজ আমরা করি না। আর কেউ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। ট্রেনে থাকা সাধারণ যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিন বেনাপোল থেকে সকাল-বিকালের ট্রেনে এভাবে পুলিশ ও তাদের লোক চাঁদা তোলে থাকে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» শবে বরাত : গুরুত্ব ও ফযিলত

» আগারগাঁওয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে ভোগান্তি, বললেন সাধারণ মানুষ

» প্রভার বিশ্বাস

» কুলাউড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম

» লাকসামে ব্যাঙের ছাতার মতো ক্লিনিক সর্বস্বান্ত রোগীরা

» রমেকের সংক্রামক ব্যাধি বিভাগ ডাক্তারের দেখা নেই, দেখভাল করছেন নার্স-বয়

» শিউলীর অস্বীকার ফের তোলপাড়

» টানাটানিতে চলছে নিহতদের সংসার

» ‘ভাড়ায়’ চরিত্র হনন করে ওরা

» রঙিন পোশাকের প্রথম বিশ্বকাপ

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

বেনাপোলে ট্রেনে পুলিশের চাঁদাবাজি

বেনাপোল-খুলনা কমিউটার ট্রেনে প্রকাশ্যে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠেছে জিআরপি পুলিশের বিরুদ্ধে। গতকাল সকালে বেনাপোল থেকে খুলনাগামী কমিউটার ট্রেনে নেমপ্লেটবিহীন এক পুলিশ কনস্টেবল ও জাহিদ নামের বহিরাগত পুলিশের পক্ষে চাঁদা তুলতে দেখা গেছে। ট্রেনটিতে বিজিবি বেনাপোল থেকে নাভারণ পর্যন্ত আসা-যাওয়া করে। বিজিবি সদস্যরা নাভারণ নেমে যাওয়ার পর শুরু    হয় যাত্রীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি। ৪ নম্বর বগিতে দেখা যায় নেমপ্লেটবিহীন পুলিশ কনস্টেবল কিছু যাত্রীদের কাছ থেকে ১০০-২০০ টাকা করে তুলছেন। কিসের টাকা তুলছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এরা প্রতিদিন ট্রেনে ভারতীয় পণ্য নিয়ে যশোর-ঝিকরগাছা যায়। এজন্য আমাদের কিছু দিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর ওই বগিতে দেখা যায় আর একজন কিছু যাত্রীর কাছ থেকে টাকা তুলছেন। কি জন্য টাকা তুলছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দল ক্ষমতায় এভাবে চাঁদাবাজি করে খাব, কি হয়েছে।’ একজন বয়স্ক ব্যক্তি যাত্রীদের টাকা দিতে নিষেধ করলে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমি পুলিশ ডেকে আনি, আপনি টাকা আদায়ে বাধা দিচ্ছেন।

তখন হাসিনা, মরিয়মসহ কয়েকজন যাত্রী বলেন, বাবা আপনি ঝামেলা করবেন না। টাকা না দিলে আমাদের কাছ থেকে পুলিশ এসে মাল নিয়ে যাবে। এরা প্রতিদিন আমাদের কাছ থেকে টাকা নেয়। কেন টাকা দেন জানতে চাইলে তারা বলেন, ‘আমরা ভারতীয় চানাচুর, বিস্কিট ও সনপাপড়ি যশোর নিয়ে বিক্রি করি। এ জন্য তাদের টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে আমাদের মালামাল রেখে দেয়।’

এ ব্যাপারে জিআরপি পুলিশের এএসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের কাজ আমরা করি না। আর কেউ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। ট্রেনে থাকা সাধারণ যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিন বেনাপোল থেকে সকাল-বিকালের ট্রেনে এভাবে পুলিশ ও তাদের লোক চাঁদা তোলে থাকে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com