বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণা

অ আ আবীর আকাশ:অনেক অভিভাবক চান সন্তানদের বিদেশে পড়ালেখা করাতে। এসএসসি বা এইচএসসি পাশের পর বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। উচ্চশিক্ষা করিয়ে সন্তানদের মানুষের মত মানুষ গড়ে তোলা যেমন অভিভাবকের স্বপ্ন তেমনি শিক্ষার্থীদেরও থাকে উচ্চাকাঙ্ক্ষা। তবে উচ্চ মাধ্যমিকের পর বিদেশে পড়তে যাওয়ার সঠিক তথ্য অনেকেই ঠিকমতো জানেন না। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগান কিছু স্বার্থান্বেষী মহল। শিক্ষার্থীরা পড়েন নানা বিপাকে। আবার কেউ কেউ নির্দিষ্ট দেশ অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সঠিক ধারণা বা তথ্য না জানায় নানা ঝামেলারর শিকার হন। প্রবাস গিয়েও শিক্ষার্থীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তারা তো পড়তে গেছে, কিন্তু কেন তারা এসব ঝামেলা বা দূর্ভোগে পড়বেন?
হ্যাঁ ভিসা প্রসেসিং থেকে শুরু করে থাকা, খাওয়া, ভাষা ব্যবহার সহ আরো জটিলতায় শিক্ষার্থীরা পড়েন কেবলমাত্র এজেন্সিদের খামখেয়ালিপনায়। এজেন্সির কাছে কোন রকম সহায়তা না পেয়ে তারা অর্ধাহারে অনাহারে দিন পার করে দেশে ফিরে আসার  সংখ্যাও কম নয়।
খোদ রাজধানীসহ বড় বড় শহর থেকে শুরু করে জেলা-উপজেলা পর্যন্ত বিদেশে উচ্চশিক্ষা ভিসা প্রসেসিং করার নামে গড়ে উঠেছে ফাঁদ। নামে-বেনামে স্বনামে গড়ে উঠা এজেন্সির কাছে প্রতিবছরই শত শত শিক্ষার্থী প্রতারিত হয়ে আসছে। মূলত বিদেশি শিক্ষার্থীদের পড়তে যাওয়ার জন্য হাজার ১৯৯০ সালে দু-তিনটা ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি গড়ে ওঠে। এ প্রতিষ্ঠানসমূহ অধিক লাভজনক হওয়ায় প্রতারকরা ক্রমান্বয়ে রাজধানী ছেড়ে জেলা-উপজেলায়ও প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে।
তারা আকর্ষণীয় চটকদার বিজ্ঞাপন প্রচার করে শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করে, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এসব প্রতারকরা প্রতারণা করে যাচ্ছে। অভিভাবক-শিক্ষার্থীরা তো বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছেন। লক্ষ করা যায় এসব এজেন্সি সম্পর্কে ভালো মন্দ না জেনেই তাদের জালে পা দিয়ে আটকা পড়ে থাকে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। বহু দেন-দরবার করে হয়তো তারা যত সামান্য কিছু টাকা তুলে আনতে সক্ষম হয়। আর এতেই সান্তনা হিসেবে মুখ বুজে পড়ে থাকে অভিভাবক-শিক্ষার্থীরা। দুঃখের বিষয় হচ্ছে বেশিরভাগ সময় এসব এজেন্সি মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
অস্ট্রেলিয়া কানাডা ইউকে ইউএসএ সুইডেন সাইপ্রাস নিউজিল্যান্ডের মত বিশ্বের কয়েকটি সেরা দেশে উচ্চশিক্ষা করার জন্য যে ধরনের যোগ্যতার দরকার হয় তার কিছুরই প্রয়োজন পড়ে না এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে। শহরের আনাচে কানাচে অলিগলি চিপায় চাপায় চটকদার বিজ্ঞাপন সাঁটানো থাকে ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে তারা শিক্ষার্থীদের টানতে চায়।
খতিয়ে দেখা গেছে এই সব এজেন্সির মালিক, এরা ওই সব দেশে কোন প্রতিষ্ঠান অথবা নাগরিকের সাথে চুক্তি করে সেখানে ওই প্রতিষ্ঠান বা নাগরিক নামমাত্র একটি কলেজ খুলে বিভিন্ন দেশ থেকে  এজেন্সির মাধ্যমে পাঠানো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি’র নাম করে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা। অনেক  সময় এসব প্রতারক শ্রেণী মোটা অংকের টাকা অগ্রিম হাতিয়ে নেয়ার জন্য ওই দেশে ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করার কথা বলে। তবে স্বপ্নময়ী শিক্ষার্থীরা ফাঁদে পড়ে সরল মনে টাকা দিলে পরবর্তী সময় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র।
অনেক নামে-বেনামে এজেন্সিগুলোর অনেকের সরকারি অনুমোদন নেই। ফলে এক সময় সরকারের নির্দেশে তা বন্ধ হয়ে যায়। তখন উপায়ান্তর না পেয়ে শিক্ষার্থীকে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে আবারো দৌড়ঝাঁপ করতে হয়, ভর্তি হতে হয় নিজ দায়িত্বে। কারণ স্টুডেন্ট ভিসায় অবশ্যই তাকে অধ্যায়নরত থাকতে হবে।
সঠিক তথ্য না জানার কারণে দেশের অনেক শিক্ষার্থীই  পড়তে হয় খপ্পরে।
মতিঝিল বনানী উত্তরা ফার্মগেট গুলিস্তানের মত ব্যতিব্যস্ত এলাকায় তারা ছোট ছোট খুপরি রুম ভাড়া নিয়ে ভিসা প্রসেসিং এর নামে টাকা কামানোর প্রতারণার ফাঁদ খুলে বসে।
 নাম প্রকাশে এক এজেন্সির মালিক বলেন -দেশে নামে বেনামে বহু এজেন্সি গড়ে উঠেছে। এসবের খপ্পরে পড়ে সত্যিকার অর্থেই শিক্ষার্থীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এতে সরকারের কোন নীতিমালা নেই। এসব সমস্যা নিরসনে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন।
লেখক: কবি কলামিস্ট ও সাংবাদিক।
সম্পাদক: আবীর আকাশ জার্নাল।
Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ‘শাহেনশাহ’ মুক্তি পাচ্ছে ৪ অক্টোবর

» ভ্যানিটি ব্যাগে মিলল ২৫ বোতল ফেনসিডিল

» রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকারের কোনো কূটনৈতিক ব্যর্থতা নেই: ওবায়দুল কাদের

» অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

» বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মোজাফফর আহমদ আর নেই

» বিষ্ণুপুর জয়পত্রকাঠি ডোবার পানিতে ডুবে এক শিশুর করুন মৃত্যু

» ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ এলাকার ক্লাব পাড়ায় র‍্যাবের অভিযানে, জরিমানা

» রাজগঞ্জ সার্বজনীন পূজা মন্দিরের আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত ও বর্ণাঢ্য ধর্মীয় শোভাযাত্রা

» রাজগঞ্জের ঝাঁপায় মুক্তিযোদ্ধাকে শারিরীক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

» পলাশে নানা আয়োজনে মধ্য দিয়ে শুভ জন্মাষ্টমী পালন

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণা

অ আ আবীর আকাশ:অনেক অভিভাবক চান সন্তানদের বিদেশে পড়ালেখা করাতে। এসএসসি বা এইচএসসি পাশের পর বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। উচ্চশিক্ষা করিয়ে সন্তানদের মানুষের মত মানুষ গড়ে তোলা যেমন অভিভাবকের স্বপ্ন তেমনি শিক্ষার্থীদেরও থাকে উচ্চাকাঙ্ক্ষা। তবে উচ্চ মাধ্যমিকের পর বিদেশে পড়তে যাওয়ার সঠিক তথ্য অনেকেই ঠিকমতো জানেন না। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগান কিছু স্বার্থান্বেষী মহল। শিক্ষার্থীরা পড়েন নানা বিপাকে। আবার কেউ কেউ নির্দিষ্ট দেশ অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সঠিক ধারণা বা তথ্য না জানায় নানা ঝামেলারর শিকার হন। প্রবাস গিয়েও শিক্ষার্থীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তারা তো পড়তে গেছে, কিন্তু কেন তারা এসব ঝামেলা বা দূর্ভোগে পড়বেন?
হ্যাঁ ভিসা প্রসেসিং থেকে শুরু করে থাকা, খাওয়া, ভাষা ব্যবহার সহ আরো জটিলতায় শিক্ষার্থীরা পড়েন কেবলমাত্র এজেন্সিদের খামখেয়ালিপনায়। এজেন্সির কাছে কোন রকম সহায়তা না পেয়ে তারা অর্ধাহারে অনাহারে দিন পার করে দেশে ফিরে আসার  সংখ্যাও কম নয়।
খোদ রাজধানীসহ বড় বড় শহর থেকে শুরু করে জেলা-উপজেলা পর্যন্ত বিদেশে উচ্চশিক্ষা ভিসা প্রসেসিং করার নামে গড়ে উঠেছে ফাঁদ। নামে-বেনামে স্বনামে গড়ে উঠা এজেন্সির কাছে প্রতিবছরই শত শত শিক্ষার্থী প্রতারিত হয়ে আসছে। মূলত বিদেশি শিক্ষার্থীদের পড়তে যাওয়ার জন্য হাজার ১৯৯০ সালে দু-তিনটা ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি গড়ে ওঠে। এ প্রতিষ্ঠানসমূহ অধিক লাভজনক হওয়ায় প্রতারকরা ক্রমান্বয়ে রাজধানী ছেড়ে জেলা-উপজেলায়ও প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে।
তারা আকর্ষণীয় চটকদার বিজ্ঞাপন প্রচার করে শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করে, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এসব প্রতারকরা প্রতারণা করে যাচ্ছে। অভিভাবক-শিক্ষার্থীরা তো বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছেন। লক্ষ করা যায় এসব এজেন্সি সম্পর্কে ভালো মন্দ না জেনেই তাদের জালে পা দিয়ে আটকা পড়ে থাকে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। বহু দেন-দরবার করে হয়তো তারা যত সামান্য কিছু টাকা তুলে আনতে সক্ষম হয়। আর এতেই সান্তনা হিসেবে মুখ বুজে পড়ে থাকে অভিভাবক-শিক্ষার্থীরা। দুঃখের বিষয় হচ্ছে বেশিরভাগ সময় এসব এজেন্সি মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
অস্ট্রেলিয়া কানাডা ইউকে ইউএসএ সুইডেন সাইপ্রাস নিউজিল্যান্ডের মত বিশ্বের কয়েকটি সেরা দেশে উচ্চশিক্ষা করার জন্য যে ধরনের যোগ্যতার দরকার হয় তার কিছুরই প্রয়োজন পড়ে না এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে। শহরের আনাচে কানাচে অলিগলি চিপায় চাপায় চটকদার বিজ্ঞাপন সাঁটানো থাকে ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে তারা শিক্ষার্থীদের টানতে চায়।
খতিয়ে দেখা গেছে এই সব এজেন্সির মালিক, এরা ওই সব দেশে কোন প্রতিষ্ঠান অথবা নাগরিকের সাথে চুক্তি করে সেখানে ওই প্রতিষ্ঠান বা নাগরিক নামমাত্র একটি কলেজ খুলে বিভিন্ন দেশ থেকে  এজেন্সির মাধ্যমে পাঠানো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি’র নাম করে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা। অনেক  সময় এসব প্রতারক শ্রেণী মোটা অংকের টাকা অগ্রিম হাতিয়ে নেয়ার জন্য ওই দেশে ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করার কথা বলে। তবে স্বপ্নময়ী শিক্ষার্থীরা ফাঁদে পড়ে সরল মনে টাকা দিলে পরবর্তী সময় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র।
অনেক নামে-বেনামে এজেন্সিগুলোর অনেকের সরকারি অনুমোদন নেই। ফলে এক সময় সরকারের নির্দেশে তা বন্ধ হয়ে যায়। তখন উপায়ান্তর না পেয়ে শিক্ষার্থীকে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে আবারো দৌড়ঝাঁপ করতে হয়, ভর্তি হতে হয় নিজ দায়িত্বে। কারণ স্টুডেন্ট ভিসায় অবশ্যই তাকে অধ্যায়নরত থাকতে হবে।
সঠিক তথ্য না জানার কারণে দেশের অনেক শিক্ষার্থীই  পড়তে হয় খপ্পরে।
মতিঝিল বনানী উত্তরা ফার্মগেট গুলিস্তানের মত ব্যতিব্যস্ত এলাকায় তারা ছোট ছোট খুপরি রুম ভাড়া নিয়ে ভিসা প্রসেসিং এর নামে টাকা কামানোর প্রতারণার ফাঁদ খুলে বসে।
 নাম প্রকাশে এক এজেন্সির মালিক বলেন -দেশে নামে বেনামে বহু এজেন্সি গড়ে উঠেছে। এসবের খপ্পরে পড়ে সত্যিকার অর্থেই শিক্ষার্থীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এতে সরকারের কোন নীতিমালা নেই। এসব সমস্যা নিরসনে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন।
লেখক: কবি কলামিস্ট ও সাংবাদিক।
সম্পাদক: আবীর আকাশ জার্নাল।
Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com