বাড়ি-গাড়িহীন নিঃস্ব ক্যাসিনো সাঈদ!

ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচনায় আসা ঢাকা দক্ষিণের কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদের বাড়ি-গাড়ি কিছুই নেই; নেই কোনো জমিজমাও। তার স্ত্রী কাউন্সিলর প্রার্থী ফারহানা আহাম্মেদ বৈশাখির অবস্থা আরও সঙ্গিন। তার বাড়ি-গাড়িই শুধু নয়, নেই কোনো সম্পদও। নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এ দম্পতি সহায়-সম্বলহীন, নিঃস্ব। যদিও ক্যাসিনো-কারবারে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ রয়েছে সাঈদের বিরুদ্ধে; চলছে দুদকের মামলা। এমনকি গণমাধ্যমের বদৌলতে ইতোমধ্যেই তিনি ‘ক্যাসিনো সাঈদ’ হিসেবে দেশের মানুষের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন; কেলেঙ্কারির জেরে হারিয়েছেন যুবলীগের নেতৃত্ব।

একই দশা বহুল আলোচিত কাউন্সিলর ফরিদউদ্দিন আহমেদ রতনেরও; তার বিরুদ্ধেও বিস্তর অভিযোগ রয়েছে ক্যাসিনো কারবারের মাধ্যমে অর্থ কামানোর। ২০১৫ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলরপ্রার্থী হিসেবে দেওয়া হলফনামার তথ্যে তিনি সম্পত্তির যে হিসাব দিয়েছিলেন, এবার হিসাবে তা অনেক কমে গেছে। তিনি স্ত্রীর ভাইয়ের কাছ থেকে এক কোটি তিন লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন, যা এখনো পরিশোধ করতে পারেননি।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে যখন সাঈদের নামও আসে অভিযুক্তদের তালিকায়; তখন খবর নিয়ে জানা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলর দেশের বাইরে আছেন। পর পর তিনটি বৈঠকে অনুমতি ছাড়া উপস্থিত না থাকলে এবং উপস্থিত না থাকার পক্ষে যথোপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারলে কাউন্সিলরের পদ থেকে অপসারণ করা স্থানীয় সরকারের বিধি। এ বিধি ধরেই কিছুদিন আগে সাঈদকে কাউন্সিলরের পদ থেকে অপসারণ করা হয়।

অনুমতি ছাড়াই বিদেশে যাওয়া সাবেক এই যুবলীগ নেতা সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন এবং ৩০ জানুয়ারির নির্বাচনে ফের প্রার্থী হয়েছেন। শুধু তাই নয়, এবার তার স্ত্রীও প্রার্থী হয়েছেন।
মতিঝিল-ফকিরাপুল-দৈনিক বাংলা এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে রহস্যমানব হিসেবে পরিচিত মমিনুল হক সাঈদ। তিনি বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকও।

অভিযোগ আছে, ওয়ান্ডারার্স ক্লাব পরিচালিত হতো সাঈদের নেতৃত্বে। বিআইডব্লিউটিএসহ মতিঝিল এলাকার সকল সরকারি ভবনের টেন্ডার কাজের অলিখিত নিয়ন্ত্রকও ছিলেন তিনি। ঢাকায় ক্যাসিনো-কারবারের অন্যতম হোতা হিসেবেও তার নাম উঠে আসে। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটসহ কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও তিনি চলে যান আড়ালে।

ক্যাসিনো সাঈদ অস্ত্রধারী দেহরক্ষীসহ দামি গাড়ি হাঁকাতেন সামনে-পেছনে গাড়ির বহর নিয়ে। অথচ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে দেওয়া হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, তার কোনো গাড়িই নেই, নেই কোনো বাড়ি। এমনকি অ্যাপার্টমেন্ট বা কোনো দোকানপাট পর্যন্ত নেই। রাজধানী ঢাকায় কোনো প্লট বা গ্রামে কৃষিজমি পর্যন্ত নেই। সঞ্চয়পত্র বা কোথাও কোনো শেয়ার নেই। নগদ টাকা আছে কেবল ৭১ হাজার ৮৬১ টাকা।

সম্পদের মধ্যে রয়েছে ৬০ তোলা স্বর্ণ, ২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও এক লাখ টাকার আসবাবপত্র। বৈশাখি এন্টারপ্রাইজ নামে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মূলধন হিসেবে অবশ্য ১ কোটি ৩৭ লাখ ৫২ হাজার ১৮৮ টাকা দেখিয়েছেন তিনি। প্রাইজবন্ড ২ লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা অর্থের পরিমাণ ৩৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩৭ টাকা।

অন্যদিকে সাঈদের স্ত্রী ফারহানা আহম্মেদ বৈশাখির নামেও কোনো বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট বা দোকান নেই। নেই কোনো কৃষি বা অকৃষি জমি। নগদ টাকা রয়েছে ৪ লাখ ৮০ হাজার ৭০২। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৭৫ টাকা। স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতু রয়েছে ৫০ ভরি। ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লাখ টাকার, আসবাবপত্র ২ লাখ টাকার এবং প্রাইজবন্ড ২ লাখ টাকার। বুটিক হাউস থেকে তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৫২ হাজার ২৫১ টাকা।

প্রসঙ্গত, গত ২০ নভেম্বর সাঈদের বিরুদ্ধে ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৬৬ হাজার ২৬১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতনেরও একই দশা। তারও ঢাকায় কোনো বাড়ি-গাড়ি নেই। নেই কোনো কৃষি বা অকৃষি জমি। শুধু ব্যবসা আছে। এ থেকে বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। নগদ আছে ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

রাজধানীর বিজয়নগরে ১০৭৫ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। স্ত্রীর নামে তার ভাইয়ের কাছ থেকে তিনি ঋণ নিয়েছেন ১ কোটি ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩২৭ টাকা, যা এখনো শোধ করতে পারেননি। রতনের নামে কোনো গাড়ি-বাড়ি না থাকলেও বাস্তবে তিনি চলাফেরা করেন অস্ত্রধারী দেহরক্ষী বেষ্টিত হয়ে দামি গাড়ি হাঁকিয়ে। সামনে-পেছনেও নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও গাড়ির বহর দেখা যায়। ঢাকার বিদ্যুৎ ভবন ও সিটি করপোরেশনের প্রভাবশালী এই ঠিকাদারের বিজয়নগরের আল-রাজি ভবনে রয়েছে অভিজাত ও সুসজ্জিত অফিস। তার সে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন শতাধিক লোক।আমাদের সময় 

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» শাহ আমানত বিমানবন্দরে ১৫৩ কার্টন সিগারেট জব্দ

» রাজধানীতে ওয়াসার গাড়ির ধাক্কায় এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

» লাগেজ কাটা রোধে বিমানবন্দরে লোডারদের পকেটবিহীন পোশাক

» নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাবিথ

» ফের শৈত্যপ্রবাহ, ঝরবে বৃষ্টি

» আলোকসজ্জায় প্লাস্টিকের বোতলের ঘর-টাওয়ার!

» বান্দরবানে পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত‌্যা

» গাজীপুরে আগুনে পুড়েছে ঝুট-পলিথিনের গুদাম

» ১৫ বছরেও শেষ হয়নি কিবরিয়া হত্যার বিচার

» হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত বাস্কেটবল কিংবদন্তি ব্রায়ান্ট

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

বাড়ি-গাড়িহীন নিঃস্ব ক্যাসিনো সাঈদ!

ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচনায় আসা ঢাকা দক্ষিণের কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদের বাড়ি-গাড়ি কিছুই নেই; নেই কোনো জমিজমাও। তার স্ত্রী কাউন্সিলর প্রার্থী ফারহানা আহাম্মেদ বৈশাখির অবস্থা আরও সঙ্গিন। তার বাড়ি-গাড়িই শুধু নয়, নেই কোনো সম্পদও। নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এ দম্পতি সহায়-সম্বলহীন, নিঃস্ব। যদিও ক্যাসিনো-কারবারে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ রয়েছে সাঈদের বিরুদ্ধে; চলছে দুদকের মামলা। এমনকি গণমাধ্যমের বদৌলতে ইতোমধ্যেই তিনি ‘ক্যাসিনো সাঈদ’ হিসেবে দেশের মানুষের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন; কেলেঙ্কারির জেরে হারিয়েছেন যুবলীগের নেতৃত্ব।

একই দশা বহুল আলোচিত কাউন্সিলর ফরিদউদ্দিন আহমেদ রতনেরও; তার বিরুদ্ধেও বিস্তর অভিযোগ রয়েছে ক্যাসিনো কারবারের মাধ্যমে অর্থ কামানোর। ২০১৫ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলরপ্রার্থী হিসেবে দেওয়া হলফনামার তথ্যে তিনি সম্পত্তির যে হিসাব দিয়েছিলেন, এবার হিসাবে তা অনেক কমে গেছে। তিনি স্ত্রীর ভাইয়ের কাছ থেকে এক কোটি তিন লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন, যা এখনো পরিশোধ করতে পারেননি।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে যখন সাঈদের নামও আসে অভিযুক্তদের তালিকায়; তখন খবর নিয়ে জানা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলর দেশের বাইরে আছেন। পর পর তিনটি বৈঠকে অনুমতি ছাড়া উপস্থিত না থাকলে এবং উপস্থিত না থাকার পক্ষে যথোপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারলে কাউন্সিলরের পদ থেকে অপসারণ করা স্থানীয় সরকারের বিধি। এ বিধি ধরেই কিছুদিন আগে সাঈদকে কাউন্সিলরের পদ থেকে অপসারণ করা হয়।

অনুমতি ছাড়াই বিদেশে যাওয়া সাবেক এই যুবলীগ নেতা সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন এবং ৩০ জানুয়ারির নির্বাচনে ফের প্রার্থী হয়েছেন। শুধু তাই নয়, এবার তার স্ত্রীও প্রার্থী হয়েছেন।
মতিঝিল-ফকিরাপুল-দৈনিক বাংলা এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে রহস্যমানব হিসেবে পরিচিত মমিনুল হক সাঈদ। তিনি বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকও।

অভিযোগ আছে, ওয়ান্ডারার্স ক্লাব পরিচালিত হতো সাঈদের নেতৃত্বে। বিআইডব্লিউটিএসহ মতিঝিল এলাকার সকল সরকারি ভবনের টেন্ডার কাজের অলিখিত নিয়ন্ত্রকও ছিলেন তিনি। ঢাকায় ক্যাসিনো-কারবারের অন্যতম হোতা হিসেবেও তার নাম উঠে আসে। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটসহ কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও তিনি চলে যান আড়ালে।

ক্যাসিনো সাঈদ অস্ত্রধারী দেহরক্ষীসহ দামি গাড়ি হাঁকাতেন সামনে-পেছনে গাড়ির বহর নিয়ে। অথচ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে দেওয়া হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, তার কোনো গাড়িই নেই, নেই কোনো বাড়ি। এমনকি অ্যাপার্টমেন্ট বা কোনো দোকানপাট পর্যন্ত নেই। রাজধানী ঢাকায় কোনো প্লট বা গ্রামে কৃষিজমি পর্যন্ত নেই। সঞ্চয়পত্র বা কোথাও কোনো শেয়ার নেই। নগদ টাকা আছে কেবল ৭১ হাজার ৮৬১ টাকা।

সম্পদের মধ্যে রয়েছে ৬০ তোলা স্বর্ণ, ২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও এক লাখ টাকার আসবাবপত্র। বৈশাখি এন্টারপ্রাইজ নামে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মূলধন হিসেবে অবশ্য ১ কোটি ৩৭ লাখ ৫২ হাজার ১৮৮ টাকা দেখিয়েছেন তিনি। প্রাইজবন্ড ২ লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা অর্থের পরিমাণ ৩৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩৭ টাকা।

অন্যদিকে সাঈদের স্ত্রী ফারহানা আহম্মেদ বৈশাখির নামেও কোনো বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট বা দোকান নেই। নেই কোনো কৃষি বা অকৃষি জমি। নগদ টাকা রয়েছে ৪ লাখ ৮০ হাজার ৭০২। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৭৫ টাকা। স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতু রয়েছে ৫০ ভরি। ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লাখ টাকার, আসবাবপত্র ২ লাখ টাকার এবং প্রাইজবন্ড ২ লাখ টাকার। বুটিক হাউস থেকে তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৫২ হাজার ২৫১ টাকা।

প্রসঙ্গত, গত ২০ নভেম্বর সাঈদের বিরুদ্ধে ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৬৬ হাজার ২৬১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতনেরও একই দশা। তারও ঢাকায় কোনো বাড়ি-গাড়ি নেই। নেই কোনো কৃষি বা অকৃষি জমি। শুধু ব্যবসা আছে। এ থেকে বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। নগদ আছে ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

রাজধানীর বিজয়নগরে ১০৭৫ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। স্ত্রীর নামে তার ভাইয়ের কাছ থেকে তিনি ঋণ নিয়েছেন ১ কোটি ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩২৭ টাকা, যা এখনো শোধ করতে পারেননি। রতনের নামে কোনো গাড়ি-বাড়ি না থাকলেও বাস্তবে তিনি চলাফেরা করেন অস্ত্রধারী দেহরক্ষী বেষ্টিত হয়ে দামি গাড়ি হাঁকিয়ে। সামনে-পেছনেও নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও গাড়ির বহর দেখা যায়। ঢাকার বিদ্যুৎ ভবন ও সিটি করপোরেশনের প্রভাবশালী এই ঠিকাদারের বিজয়নগরের আল-রাজি ভবনে রয়েছে অভিজাত ও সুসজ্জিত অফিস। তার সে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন শতাধিক লোক।আমাদের সময় 

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com