নকল রোগী

সুলতানার কিডনি নষ্ট, সাহিদার বাল্ব নষ্ট, সড়ক দুর্ঘটনায় এতিম রোকেয়া পা হারিয়েছে। এদের প্রত্যেকের অপারেশনের জন্য আর্থিক সাহায্য দরকার। পত্রিকা অফিসে প্রায় প্রতিদিন এমন মানবিক সাহায্যের আবেদন আসে। পত্রিকাগুলোতে এই আবেদনগুলো ছাপানো হয়ে থাকে। হালে এসব মানবিক সাহায্যের আবেদনের পেছনে ভয়ঙ্কর চক্র জড়িয়ে পড়েছে। যারা জাল প্রেসক্রিপশন দিয়ে এসব আবেদন করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।  পত্রিকা অফিসে আসা আবেদনগুলোর মধ্য থেকে এমন দুটি আবেদন বিবেচনা করে দেখা হয়। আবেদন দুটি আসে ২৮ অক্টোবর ও ১৭ নভেম্বর। দুটোই আসে মহাখালী থেকে। তবে হোল্ডিং নম্বর ভিন্ন। প্রথম আবেদন পত্রটি আসে ১০ বছরের মেয়ে শাহিনা আক্তারের জন্য। প্রয়োজন ৬০ হাজার টাকা। আর পরেরটি ১৭ বছর বয়সী নাহিদার হার্টের বাল্ব নষ্ট। প্রয়োজন ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। দুটি চিঠির খামের ওপরের হাতের  লেখা একই। হলুদ খামের চিঠি দুটির আবেদন কম্পোজ করা হলেও লেখার ধরণ প্রায় একই। আবার তাদের প্রদত্ত প্রেসক্রিশনের ফটোকপিতে মেলে গড়বড়। দুই প্রেসক্রিপশনে রোগীর নামের হাতের লেখা একই। আর ডাক্তারের হাতের লেখা আলাদা। শাহিনা ও নাহিদা লেখায় যে ‘এ’ দুটি মিলে যায় শতভাগ। আর প্রেসক্রিপশন দুটি আলাদা হাতে লেখা এবং তাদের হাতের লেখাতে ‘এ’ অক্ষরটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ছবি দুটোরই কিছুটা ঝাপসা। এ থেকে ধারণা করা যায় হয়তো একই প্রিন্টার থেকে প্রিন্ট করা। আর স্ট্রাপলের পিনের সাইজও একই। আবেদনপত্রে বিকাশ নম্বর এবং ইসলামী ব্যাংকের একটি হিসাব নম্বরও দেওয়া রয়েছে। আবেদন ফর্মের নম্বরে যোগাযোগ করলে প্রথমে কিছুতেই পরিচয় দিতে চাননি। পরে সাহায্যের আবেদনের কথা বললে, তারপর পরিচয় দেন শাহিনার মামা। আর ভাগ্নির চিকিৎসার জন্য টাকার ব্যবস্থা হয়নি বলেও জানান তিনি। আর পরের জনের সঙ্গে কথায় বোঝা যায় একই ব্যক্তির কণ্ঠস্বর। তিনি প্রথমে ভুল নম্বরে ফোন দেওয়া হয়েছে বলে জানান। অন্য একটি নম্বর থেকে ফোন দেওয়া হলে তখন তিনি সাহায্যের আবেদনের কথা শিকার করেন এবং পত্রিকার প্রকাশের জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু পরক্ষণেই গলার স্বর পরিচিত মনে হওয়ায় আবার জানান, ভুল নম্বরে ফোন দেওয়া হয়েছে। এরও আগে একটি ঘটনার অনুসন্ধানে জানা যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইউসুফ খান এবং তার পুত্র শাহজাদা ইমরান খান। তারা অভিনব কায়দায় মানুষ ঠকিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা। কোথাও বাবা, কোথাও চাচা, আবার কোথাও ভাই ও মামা পরিচয় দিয়ে আবেদন করছেন সাহায্যের। তাদের সাহায্যের উপলক্ষ থাকছে বিভিন্ন রোগ-ব্যাধির। এর প্রমাণ তুলে ধরতে উপস্থাপন করা হচ্ছে জাল-জালিয়াতি করা প্রেসক্রিপশন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাপ-ছেলের সঙ্গে কাজ করছে একটি বড় সংঘবদ্ধ চক্র। যেটির স্থান নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড়ে। সেখানে তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে মাদকের আড্ডাখানাও। জানা গেছে, গত ২০ জুন ইউসুফ আলমের কিডনি অপারেশনের কথা বলে বিভিন্ন স্থানে সাহায্যের আবেদন করেন ইউসুফ খান। সঙ্গে যুক্ত করা হয় চিকিৎসকের পরামর্শপত্র। আবেদনে তিনি নিজেকে ইউসুফ আলমের বাবা পরিচয় দেন। তবে সেখানে নিজের নাম দেখান ইউসুফ হারুন বলে। আবেদনে বলা হয়, ‘আলমের একটি কিডনি সম্পূর্ণ নষ্ট, অপরটি দুর্বল। জরুরি ভিত্তিতে অপারেশনের মাধ্যমে কিডনি বদলাতে হবে। যার জন্য চার লাখ টাকা প্রয়োজন। এ পর্যন্ত অভাবের সংসারে তিনি ৪৪ হাজার টাকা ধার করেছেন। এতে আরও বলা হয়, ‘অসুস্থ এগারো বছরের ইউসুফ আলম সিদ্ধিরগঞ্জ ক্যাডেট হাইস্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। বর্তমানে সে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের কিডনি বিভাগের প্রধান ডা. নাসির আহমেদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন।’ অনুসন্ধান পর্বে বিষয়টি সম্পর্কে জানার জন্য যোগাযোগ করা হয় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে। সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক অফিস সূত্র জানায়, ওই এলাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ ক্যাডেট হাইস্কুল নামে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। একই কথা জানান স্থানীয়রাও।

এরপর ডা. নাসির আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আবেদনে যে প্রেসক্রিপশন আর ওষুধের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তা তারই এবং তার হাতের লেখা। এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু ইউসুফ আলমকে তিনি এই প্রেসক্রিপশন দেননি। দিয়েছেন ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক এক ব্যক্তিকে। আবেদনে সংযুক্ত প্রেসক্রিপশনটিতে ওই ব্যক্তির নাম, বয়স ও দিন পরিবর্তন করে ইউসুফ আলমের নাম যুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রেসক্রিপশনটিতে সিএবিজে নামে একটি অপারেশনের এবং একটি ওপেন হার্ট সার্জারির কথা উল্লেখ করেছি। যেটি করা হয়েছিল ২০১১ সালে। আর ওইসব অপারেশন কখনো ১১ বছরের শিশুকে করা সম্ভব হয় না। এখানে বড় ধরনের জালিয়াতি করা হয়েছে।’

সংশ্লিষ্টরা বলছে, একটি চক্র এভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে আবেদন করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অথচ প্রকৃত রোগীরা এ থেকে হচ্ছেন বঞ্চিত। তারা বলছেন, এসব আবেদন ছাপানোর আগে অবশ্যই পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। আর যারা সাহায্য করবেন, তাদের অবশ্যই রোগী দেখে বুঝেশুনে সাহায্য করতে হবে।বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» মাদারীপুরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুক্ত দিবস উদযাপিত

» শ্রীপুরে মাওনা চৌরাস্তা ফ্লাইওভার ব্রিজ এর নিচে গাড়ীর চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু

» পলাশে স্মার্টকার্ড বিতরণ

» পিরোজপুরে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

» বেড়েছে মূল্যস্ফীতি, মন্ত্রী বলছেন ‘প্রধান নায়ক পেঁয়াজ’

» সিলেটে লোহার পাত দিয়ে পিটিয়ে মাকে খুন করলো ছেলে

» রামগঞ্জে প্রবাসীদের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ 

» কমিটি গঠন নিয়ে তালবাহানা: লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের সম্মেলন স্থগিত!

» তারাকান্দায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত

» আগৈলঝাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

নকল রোগী

সুলতানার কিডনি নষ্ট, সাহিদার বাল্ব নষ্ট, সড়ক দুর্ঘটনায় এতিম রোকেয়া পা হারিয়েছে। এদের প্রত্যেকের অপারেশনের জন্য আর্থিক সাহায্য দরকার। পত্রিকা অফিসে প্রায় প্রতিদিন এমন মানবিক সাহায্যের আবেদন আসে। পত্রিকাগুলোতে এই আবেদনগুলো ছাপানো হয়ে থাকে। হালে এসব মানবিক সাহায্যের আবেদনের পেছনে ভয়ঙ্কর চক্র জড়িয়ে পড়েছে। যারা জাল প্রেসক্রিপশন দিয়ে এসব আবেদন করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।  পত্রিকা অফিসে আসা আবেদনগুলোর মধ্য থেকে এমন দুটি আবেদন বিবেচনা করে দেখা হয়। আবেদন দুটি আসে ২৮ অক্টোবর ও ১৭ নভেম্বর। দুটোই আসে মহাখালী থেকে। তবে হোল্ডিং নম্বর ভিন্ন। প্রথম আবেদন পত্রটি আসে ১০ বছরের মেয়ে শাহিনা আক্তারের জন্য। প্রয়োজন ৬০ হাজার টাকা। আর পরেরটি ১৭ বছর বয়সী নাহিদার হার্টের বাল্ব নষ্ট। প্রয়োজন ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। দুটি চিঠির খামের ওপরের হাতের  লেখা একই। হলুদ খামের চিঠি দুটির আবেদন কম্পোজ করা হলেও লেখার ধরণ প্রায় একই। আবার তাদের প্রদত্ত প্রেসক্রিশনের ফটোকপিতে মেলে গড়বড়। দুই প্রেসক্রিপশনে রোগীর নামের হাতের লেখা একই। আর ডাক্তারের হাতের লেখা আলাদা। শাহিনা ও নাহিদা লেখায় যে ‘এ’ দুটি মিলে যায় শতভাগ। আর প্রেসক্রিপশন দুটি আলাদা হাতে লেখা এবং তাদের হাতের লেখাতে ‘এ’ অক্ষরটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ছবি দুটোরই কিছুটা ঝাপসা। এ থেকে ধারণা করা যায় হয়তো একই প্রিন্টার থেকে প্রিন্ট করা। আর স্ট্রাপলের পিনের সাইজও একই। আবেদনপত্রে বিকাশ নম্বর এবং ইসলামী ব্যাংকের একটি হিসাব নম্বরও দেওয়া রয়েছে। আবেদন ফর্মের নম্বরে যোগাযোগ করলে প্রথমে কিছুতেই পরিচয় দিতে চাননি। পরে সাহায্যের আবেদনের কথা বললে, তারপর পরিচয় দেন শাহিনার মামা। আর ভাগ্নির চিকিৎসার জন্য টাকার ব্যবস্থা হয়নি বলেও জানান তিনি। আর পরের জনের সঙ্গে কথায় বোঝা যায় একই ব্যক্তির কণ্ঠস্বর। তিনি প্রথমে ভুল নম্বরে ফোন দেওয়া হয়েছে বলে জানান। অন্য একটি নম্বর থেকে ফোন দেওয়া হলে তখন তিনি সাহায্যের আবেদনের কথা শিকার করেন এবং পত্রিকার প্রকাশের জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু পরক্ষণেই গলার স্বর পরিচিত মনে হওয়ায় আবার জানান, ভুল নম্বরে ফোন দেওয়া হয়েছে। এরও আগে একটি ঘটনার অনুসন্ধানে জানা যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইউসুফ খান এবং তার পুত্র শাহজাদা ইমরান খান। তারা অভিনব কায়দায় মানুষ ঠকিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা। কোথাও বাবা, কোথাও চাচা, আবার কোথাও ভাই ও মামা পরিচয় দিয়ে আবেদন করছেন সাহায্যের। তাদের সাহায্যের উপলক্ষ থাকছে বিভিন্ন রোগ-ব্যাধির। এর প্রমাণ তুলে ধরতে উপস্থাপন করা হচ্ছে জাল-জালিয়াতি করা প্রেসক্রিপশন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাপ-ছেলের সঙ্গে কাজ করছে একটি বড় সংঘবদ্ধ চক্র। যেটির স্থান নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড়ে। সেখানে তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে মাদকের আড্ডাখানাও। জানা গেছে, গত ২০ জুন ইউসুফ আলমের কিডনি অপারেশনের কথা বলে বিভিন্ন স্থানে সাহায্যের আবেদন করেন ইউসুফ খান। সঙ্গে যুক্ত করা হয় চিকিৎসকের পরামর্শপত্র। আবেদনে তিনি নিজেকে ইউসুফ আলমের বাবা পরিচয় দেন। তবে সেখানে নিজের নাম দেখান ইউসুফ হারুন বলে। আবেদনে বলা হয়, ‘আলমের একটি কিডনি সম্পূর্ণ নষ্ট, অপরটি দুর্বল। জরুরি ভিত্তিতে অপারেশনের মাধ্যমে কিডনি বদলাতে হবে। যার জন্য চার লাখ টাকা প্রয়োজন। এ পর্যন্ত অভাবের সংসারে তিনি ৪৪ হাজার টাকা ধার করেছেন। এতে আরও বলা হয়, ‘অসুস্থ এগারো বছরের ইউসুফ আলম সিদ্ধিরগঞ্জ ক্যাডেট হাইস্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। বর্তমানে সে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের কিডনি বিভাগের প্রধান ডা. নাসির আহমেদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন।’ অনুসন্ধান পর্বে বিষয়টি সম্পর্কে জানার জন্য যোগাযোগ করা হয় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে। সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক অফিস সূত্র জানায়, ওই এলাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ ক্যাডেট হাইস্কুল নামে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। একই কথা জানান স্থানীয়রাও।

এরপর ডা. নাসির আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আবেদনে যে প্রেসক্রিপশন আর ওষুধের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তা তারই এবং তার হাতের লেখা। এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু ইউসুফ আলমকে তিনি এই প্রেসক্রিপশন দেননি। দিয়েছেন ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক এক ব্যক্তিকে। আবেদনে সংযুক্ত প্রেসক্রিপশনটিতে ওই ব্যক্তির নাম, বয়স ও দিন পরিবর্তন করে ইউসুফ আলমের নাম যুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রেসক্রিপশনটিতে সিএবিজে নামে একটি অপারেশনের এবং একটি ওপেন হার্ট সার্জারির কথা উল্লেখ করেছি। যেটি করা হয়েছিল ২০১১ সালে। আর ওইসব অপারেশন কখনো ১১ বছরের শিশুকে করা সম্ভব হয় না। এখানে বড় ধরনের জালিয়াতি করা হয়েছে।’

সংশ্লিষ্টরা বলছে, একটি চক্র এভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে আবেদন করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অথচ প্রকৃত রোগীরা এ থেকে হচ্ছেন বঞ্চিত। তারা বলছেন, এসব আবেদন ছাপানোর আগে অবশ্যই পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। আর যারা সাহায্য করবেন, তাদের অবশ্যই রোগী দেখে বুঝেশুনে সাহায্য করতে হবে।বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com