দেশের সম্পদ বিক্রির জন্য রাজনীতি করি না: প্রধানমন্ত্রী

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা এলএমজি আমদানি করছি গ্যাসের চাহিদা মেটাবার জন্য। খরচ পড়ছে প্রতি ঘণমিটার ৬১ দশমিক ১২ টাকা। আর ধরছি মাত্র প্রতি ঘণমিটার ৯ দশমিক ৮০ টাকা।

তিনি বলেন, রাজনীতি করি দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য। দেশের সম্পদ বিক্রি করে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে হবে, এই রাজনীতি করি না।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে শিল্পায়ন হচ্ছে, শিল্পায়নের সাথে সাথে চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু সেই পরিমাণ গ্যাস আমাদের দেশে নাই। আমরা কুপ খনন করছি। গ্যাসের জন্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে, যেটুকু পাওয়া যাচ্ছে, সেটুকু উত্তোলন করা হচ্ছে। বিশাল সমুদ্রসীমা অর্জন করেছি। সেখানেও গ্যাস উত্তলনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি।

সংসদ নেতা বলেন, গ্যাসের দাম নিয়ে যে কথাগুলো আসছে যে, দাম না বাড়িয়েও উন্নয়ন করা যাবে। দাম বাড়ানোর প্রয়োজনটা কেন ছিল? গ্যাসের বর্ধিত ব্যয় নির্বাহের জন্য পেট্রোবাংলা বিভিন্ন কোম্পানিসহ ১০২ শতাংশ দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিল। এলএনজি আমদানি খুব ব্যয় সাপেক্ষ। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন মূল্যায়ন করে দেখেছে- বর্ধিত ব্যয় নির্বাহের জন্য কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করার প্রয়োজন ছিল। সেখানে আমরা কতটুক দাম বৃদ্ধি করেছি? গ্রাহকদের আর্থিক চাপের বিষয়টা বিবেচনা করে কমিশন মাত্র ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করেছে।

গ্যাসের ভর্তুকি তুলে ধরে তিনি বলেন, গ্রাহকদের আর্থিক চাপ যেন বেশি না পরে সেজন্য সরকার থেকে প্রতি বছর ৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা বা ভর্তুকি দেওয়া হবে। তাছাড়া জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল থেকে ২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা প্রদান করা হবে। আমরা পাইপ লাইন তৈরি করছি, গ্যাস সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। পাইপ লাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করছি, এরও একটা খরচ আছে। আমরা যদি খরচটা ধরি তাতে সম্পূরক শুল্কসহ এলএনজি আমদানির খরচ পড়ে প্রতি ঘণমিটার এলএনজি সরবরাহ ব্যয় ৬১ দশমিক ১২ টাকা। এলএনজি কনসেটেড গ্যাস। আমাদের দেশীয় গ্যাস মিশিয়ে তারপর সরবরাহ করা যায়। আমরা দাম ধরছি খুব কম। আসলে এর দাম পড়ে প্রতি ঘণমিটার ৬১ দশমিকি ১২ টাকা। আমরা নিচ্ছি মাত্র ৯ দশমিক ৮০। অর্থাৎ ৫১ দশমিক ৩২ টাকা সরকার সহায়তা দিচ্ছে।

সংসদ নেতা বলেন, অনেকেই প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ করেছেন, সমালোচনা করছেন। আমাদের দেশে নিজস্ব কিছু প্রাকৃতিক গ্যাস আছে। কিন্তু সেটা আমাদের চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। চাহিদা পূরণ হচ্ছিল না। যেখানে আমাদের চাহিদা ছিল প্রায় ৩ হাজার ৭০০ এমএমসিএফডি। কিন্তু সরবরাহ করা যাচ্ছিল মাত্র ২ হাজার ৭ এমএমসিএফডি। এই ব্যাপাক চাহিদা প্রবৃদ্ধিতে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম- এলএনজি আমদানি করব। আমরা ২০১৮ সালের ১৮ আগস্ট ৫০০ এমএমসিএফডি এবং ৩০ এপ্রিল ২০১৯ থেকে আরও ৫০০ এমএমসিএফডি অর্থাৎ ১ হাজার এমএমসিএফডি গ্যাস আমদানি শুরু করেছি। আমাদের নিজস্ব গ্যাস সেটা উৎপাদনে খরচ হয় প্রতি ঘণমিটারে ৬০ দশমিক ৫০ টাকা। সেখানে আমদানিকৃত এলএনজির খরচ পড়ে ৩৩ দশমিক ৭৫ টাকা। প্রতি বছর ৩০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। আমাদের প্রায় ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রয়োজন ছিল।

সরকার প্রধান বলেন, মিশ্রত গ্যাসের মূল্য সহনীয় রাখার লক্ষ্যে প্রকৃতিক গ্যাসের উপর সম্পূরক শুল্ক ৯৪ শতাংশ প্রত্যাহার করে দেই। এজন্য সরকারের প্রায় ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় বন্ধ হয়ে যায়। এই টাকা রাজস্ব আয় করতে পারেল আরও উন্নত করতে পারতাম। এলএনজি আমদানির কারণে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৩ হাজার কোটি ঘাটতি ছিল। গ্যাস খাত উন্নয়নে আমরা যখন ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করি তখন গ্যাসের উৎপাদন ছিল মাত্র ১ হাজার ৫০০ এমএমসি এফডি। গত দশ বছরে আরও ১ হাজার ২৫০ এমএমসিএফডি গ্যাস পাইপ লাইনে যোগ করেছি।

জানি না যারা আন্দোলন করছেন তারা কি চায়। ভারতে গ্যাসের দাম কমের কথা বলা হচ্ছে কিন্তু সব খাতেই ভারতে গ্যাসের দাম বাংলাদেশ থেকে বেশি। বিরাট অঙ্কের ভর্তুকি দিয়ে আমরা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছি।

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» শ্রীলঙ্কা সফরের দল ঘোষণা, ফিরলেন বিজয়-তাইজুল

» এরশাদকে রংপুরেই দাফনের সিদ্ধান্ত

» আ.লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি : হানিফ

» খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

» রমজানে জঙ্গি হামলার ঝুঁকি থাকলেও রুখে দিয়েছি : মনিরুল

» ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫০ পিচ ইয়াবা সহ ডিবিসি নিউজের জেলা প্রতিনিধি রিপন ও তার সহযোগি আটক

» হার্ট সুস্থ নাকি অসুস্থ? জানা যাবে সহজেই

» “ভালোবার ছায়াপটে দৃষ্টির অগোচরে”

» ফেসবুক থেকে ছবি ডাউনলোড করছেন না তো?

» হারাম টাকায় হজ করাও হারাম

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

দেশের সম্পদ বিক্রির জন্য রাজনীতি করি না: প্রধানমন্ত্রী

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা এলএমজি আমদানি করছি গ্যাসের চাহিদা মেটাবার জন্য। খরচ পড়ছে প্রতি ঘণমিটার ৬১ দশমিক ১২ টাকা। আর ধরছি মাত্র প্রতি ঘণমিটার ৯ দশমিক ৮০ টাকা।

তিনি বলেন, রাজনীতি করি দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য। দেশের সম্পদ বিক্রি করে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে হবে, এই রাজনীতি করি না।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে শিল্পায়ন হচ্ছে, শিল্পায়নের সাথে সাথে চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু সেই পরিমাণ গ্যাস আমাদের দেশে নাই। আমরা কুপ খনন করছি। গ্যাসের জন্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে, যেটুকু পাওয়া যাচ্ছে, সেটুকু উত্তোলন করা হচ্ছে। বিশাল সমুদ্রসীমা অর্জন করেছি। সেখানেও গ্যাস উত্তলনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি।

সংসদ নেতা বলেন, গ্যাসের দাম নিয়ে যে কথাগুলো আসছে যে, দাম না বাড়িয়েও উন্নয়ন করা যাবে। দাম বাড়ানোর প্রয়োজনটা কেন ছিল? গ্যাসের বর্ধিত ব্যয় নির্বাহের জন্য পেট্রোবাংলা বিভিন্ন কোম্পানিসহ ১০২ শতাংশ দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিল। এলএনজি আমদানি খুব ব্যয় সাপেক্ষ। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন মূল্যায়ন করে দেখেছে- বর্ধিত ব্যয় নির্বাহের জন্য কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করার প্রয়োজন ছিল। সেখানে আমরা কতটুক দাম বৃদ্ধি করেছি? গ্রাহকদের আর্থিক চাপের বিষয়টা বিবেচনা করে কমিশন মাত্র ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ দাম বৃদ্ধি করেছে।

গ্যাসের ভর্তুকি তুলে ধরে তিনি বলেন, গ্রাহকদের আর্থিক চাপ যেন বেশি না পরে সেজন্য সরকার থেকে প্রতি বছর ৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা বা ভর্তুকি দেওয়া হবে। তাছাড়া জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল থেকে ২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা প্রদান করা হবে। আমরা পাইপ লাইন তৈরি করছি, গ্যাস সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। পাইপ লাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করছি, এরও একটা খরচ আছে। আমরা যদি খরচটা ধরি তাতে সম্পূরক শুল্কসহ এলএনজি আমদানির খরচ পড়ে প্রতি ঘণমিটার এলএনজি সরবরাহ ব্যয় ৬১ দশমিক ১২ টাকা। এলএনজি কনসেটেড গ্যাস। আমাদের দেশীয় গ্যাস মিশিয়ে তারপর সরবরাহ করা যায়। আমরা দাম ধরছি খুব কম। আসলে এর দাম পড়ে প্রতি ঘণমিটার ৬১ দশমিকি ১২ টাকা। আমরা নিচ্ছি মাত্র ৯ দশমিক ৮০। অর্থাৎ ৫১ দশমিক ৩২ টাকা সরকার সহায়তা দিচ্ছে।

সংসদ নেতা বলেন, অনেকেই প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ করেছেন, সমালোচনা করছেন। আমাদের দেশে নিজস্ব কিছু প্রাকৃতিক গ্যাস আছে। কিন্তু সেটা আমাদের চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। চাহিদা পূরণ হচ্ছিল না। যেখানে আমাদের চাহিদা ছিল প্রায় ৩ হাজার ৭০০ এমএমসিএফডি। কিন্তু সরবরাহ করা যাচ্ছিল মাত্র ২ হাজার ৭ এমএমসিএফডি। এই ব্যাপাক চাহিদা প্রবৃদ্ধিতে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম- এলএনজি আমদানি করব। আমরা ২০১৮ সালের ১৮ আগস্ট ৫০০ এমএমসিএফডি এবং ৩০ এপ্রিল ২০১৯ থেকে আরও ৫০০ এমএমসিএফডি অর্থাৎ ১ হাজার এমএমসিএফডি গ্যাস আমদানি শুরু করেছি। আমাদের নিজস্ব গ্যাস সেটা উৎপাদনে খরচ হয় প্রতি ঘণমিটারে ৬০ দশমিক ৫০ টাকা। সেখানে আমদানিকৃত এলএনজির খরচ পড়ে ৩৩ দশমিক ৭৫ টাকা। প্রতি বছর ৩০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। আমাদের প্রায় ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রয়োজন ছিল।

সরকার প্রধান বলেন, মিশ্রত গ্যাসের মূল্য সহনীয় রাখার লক্ষ্যে প্রকৃতিক গ্যাসের উপর সম্পূরক শুল্ক ৯৪ শতাংশ প্রত্যাহার করে দেই। এজন্য সরকারের প্রায় ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় বন্ধ হয়ে যায়। এই টাকা রাজস্ব আয় করতে পারেল আরও উন্নত করতে পারতাম। এলএনজি আমদানির কারণে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৩ হাজার কোটি ঘাটতি ছিল। গ্যাস খাত উন্নয়নে আমরা যখন ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করি তখন গ্যাসের উৎপাদন ছিল মাত্র ১ হাজার ৫০০ এমএমসি এফডি। গত দশ বছরে আরও ১ হাজার ২৫০ এমএমসিএফডি গ্যাস পাইপ লাইনে যোগ করেছি।

জানি না যারা আন্দোলন করছেন তারা কি চায়। ভারতে গ্যাসের দাম কমের কথা বলা হচ্ছে কিন্তু সব খাতেই ভারতে গ্যাসের দাম বাংলাদেশ থেকে বেশি। বিরাট অঙ্কের ভর্তুকি দিয়ে আমরা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছি।

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com