টেম্পু হেলপার থেকে মাদক সম্রাট মাসুদ এখন কোটিপতি

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের মো, মাসুদ। টেম্পুর হেলপার থেকে আজ তিনি ৩০০ কোটি টাকার মালিক। আছে একাধিক বাড়ি, গাড়ি ও  ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। দেশে মাদক চোরাচালানের শীর্ষে নাম তার। মাদক চোরাচালান থেকে তার মাসিক আয় প্রায় ৩ কোটি টাকা। বিভিন্ন সময় তার নামে একাধিক মামলাও হয়েছে। অথচ কখনো গ্রেপ্তার হতে হয়নি তাকে।

কৃষক ইমান আলীর ছেলে মাসুদ। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি তৃতীয়। ফলে পড়াশোনার সুযোগ হয়নি তার। ২২ বছর আগে বাবার সঙ্গে অভিমান করে ঢাকায় আসেন তিনি। প্রথমে সাভারের আমিন বাজারে টেম্পুতে হেলপারির মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর হয়ে যান টেম্পু চালক।

এরমধ্যে ওই সময়ে ফেন্সিডিলের আরৎ হিসেবে পরিচিত আমিন বাজারের মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সম্পর্ক তৈরি হয় তার। শুরু হয় ফেনসিডিল আনা নেয়ার কাজ। এক সময় নিজেই জড়িয়ে যান এই ব্যবসায়। এর কিছুদিনের মধ্যে চাকরি পেয়ে যায় গুলশানের একটি ওয়্যার হাউজে। সেখান থেকে বিদেশী মদের ব্যবসাও রপ্ত করে নেন তিনি। চাকরি ছেড়ে নিজেই শুরু করেন ব্যবসা। ওয়ার হাউজ থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে গুলশানের বিভিন্ন বাসা, কূটনৈতিক কার্যালয় ও বারে বিদেশী মদ ও বিয়ার সাপ্লাই দিতে শুরু করেন। আয় রোজগারও ভালই হতে থাকে। ধীরে ধীরে তারও আধিপত্য বাড়তে থাকে। অবশেষে হয়ে উঠে মাদক সম্রাট।

জানা যায়, এক সময় নিজে মদ-বিয়ার সাপ্লাই দিলেও এখন তার রয়েছে নিয়োগপ্রাপ্ত একাধিক কর্মচারী। এদের মধ্যে মাসুদের ম্যানাজারে দায়িত্বে রয়েছে বরিশালের আসাদ। হিসেবের দায়িত্বে রয়েছে মাসুদের ভাতিজা রিকন। এছাড়া কুষ্টিয়ার সম্রাট, মানিকগঞ্জের বোরহান ও উত্তমসহ আরো অন্তত ২০ থেকে ৩০ জনের একটি সিন্ডিকেট রয়েছে তার। যারা গুলশানের ‘কসবন‘ ও  ‘ইস্টার্ন’ ডিপ্লোম্যাটিক ওয়ার হাউজ থেকে মদ-বিয়ার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বার, ক্লাব, হোটেল, রেস্টুরেন্ট চোরাচালানের মাধ্যমে সরবরাহ করে থাকে। এজন্য রাতের শেষ সময়টাকে বেছে নেয় তারা। কারণ ওই সময় রাস্তা ফাঁকা ও প্রশাসনের উপস্থিতি কম থাকে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে প্রশাসেনর বিভিন্ন স্তরের একাধিক কর্মকর্তার সাথে তার মাসিক চুক্তি রয়েছে। এরপরও র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ান-র্যাব একাধিকবার অভিযান চালিয়ে মাসুদের মাদক আটক করেছে। মামলাও করেছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গুলশান জোনের সাবেক পরিদর্শক লায়েকুজ্জামান বলেন, মাসুদ মদের একটি চালান নিয়ে যাচ্ছে এমন সংবাদ পাওয়ার পর তাকে ধাওয়া করি। কিন্তু আমাদের গাড়ি কাছাকাছি যাওয়ার পর মাসুদের গাড়ি সড়কদ্বীপের উঠিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

একইভাবে চলতি বছরের ২৩ মে রাজধানীর মুগদা থেকে ২৩২৪ ক্যান বিয়ার ও ১৭৮ বোতল বিদেশী মদসহ মাসুদের একটি চালান আকট করে র্যা ব। এসময়ও মাসুদ পালিয়ে যায়, তবে গাড়ির চালককে আটক করা হয়।

মাদক চোরাচালানের জন্য মাসুদের রয়েছে ১০ থেকে ১৫টি প্রাইভেটকার। তবে সেগুলোর কোনোটাই নিজের নামে নয়। বেনামে গাড়ির কাগজ করেন মাসুদ। ফলে আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে ঠিকই বের হয়ে যান তিনি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, মাসুদের নামে মামলা রয়েছে চারটি।

মাসুদের বিদেশী মদ-বিয়ারের গ্রাহক মূলত বার, ক্লাব, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট। মহাখালীর রুচিতা বারসহ একাধিক বারের পার্টনারও তিনি। এছাড়া রাজধানীর উত্তরা, মগবাজার, কাকরাইল, পল্টন, সাভারের গলফ ক্লাব, সিলেট, বগুড়া, চট্টগ্রাম, বরিশালের কুয়াকাটা, নারায়ণগঞ্জ, গাজিপুরসহ ২৬ জেলার বার, ক্লাব, হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোতে একচ্ছত্র আধিপত্য তার। এ নিয়ে গুলশানের অন্যন্য মাদক চোরাকারবারীদের সাথে চরম দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন তিনি।

মাসুদের ঘনিষ্টজনেরা জানিয়েছে, প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মালিকতিনি। রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বরে তার একটি পাঁচতলা বাড়ি রয়েছে। পল্লবীর ‘এ‘ ব্লকের  ১৬ নম্বর লেনে রয়েছে আরো একটি ৭ তলা বাড়ি। এছাড়া সাভার, গাজিপুরেও তার জমি রয়েছে। গাজিপুরে একটি গার্মেন্টস কারখানাও করেছেন তিনি। হরিরামপুরে রয়েছে একটি ইট ভাটা। রাজধানীর মিরপুর রোডে চলাচল করে ৮টি বাস। রয়েছে একাধিক ভেকু ও ড্রাম ট্রাক। সম্প্রতি বনানী ডিওএইচএসে ৩ কোটি টাকা মূল্যে একটি ফ্লাট কিনেছেন। এছাড়া সম্প্রতি অনুমোদন পাওয়া চারটি বারের পার্টনার তিনি। রাজধানীর ডেমরায় ‘হলদি’ নামে একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও ফার্মগেটে রয়েছে একটি রুফটপ রেস্টুরেন্ট। ব্রাক ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংকসহ একাধিক ব্যাংকে রয়েছে তার একাউন্ট। শুরুতে এক কোটি টাকা জমা দিয়ে ব্যাংক একেকটি একাউন্ট খুলেন তিনি।  সম্প্রতি ঠিকাদারীতে নাম লিখিয়ে তার অবৈধ সম্পদ বৈধ করতে চাচ্ছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান, সরাসরি মাদক না পেলে কাউকে গ্রেপ্তার  করতে পারেন না তারা। তবে যদি মাদক ব্যবসার সঙ্গে কারো সংশ্লিষ্টতার বিষয় চলে আসে, তাহলে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করতে পারেন তারা।  ইতিমধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। কয়েকজনের বিষয়ে তদন্ত চলছে। আমাদের সময় ডটকম

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» প্রেম পিয়াসা ভালবাসা

» রোহিঙ্গা ইস্যু: গাম্বিয়ার মামলা লড়বে মিয়ানমার, নেতৃত্ব দিবেন সু চি

» খুলনায় ঘের ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা,১জন আটক

» মোহাম্মদপুরে ডিবি পরিচয়ে চাঁদা আদায়, আটক ১

» মধ্যরাত পর্যন্ত রুদ্ধদ্বার বৈঠক, শর্তজুড়ে দিয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহার

» যমুনায় ধরা পড়লো ৬৫ কেজি ওজনের বাঘাইড়

» বাজারে ধর্মঘটের উত্তাপ

» ১০ গ্রামবাসীর ভরসা ‘নৌকা’

» বাঁকখালী নদী ৫০০ প্রভাবশালীর দখলে

» আমেরিকার মুদি দোকানে বিক্রি হচ্ছে গরুর গোবরের কেক!

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

টেম্পু হেলপার থেকে মাদক সম্রাট মাসুদ এখন কোটিপতি

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের মো, মাসুদ। টেম্পুর হেলপার থেকে আজ তিনি ৩০০ কোটি টাকার মালিক। আছে একাধিক বাড়ি, গাড়ি ও  ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। দেশে মাদক চোরাচালানের শীর্ষে নাম তার। মাদক চোরাচালান থেকে তার মাসিক আয় প্রায় ৩ কোটি টাকা। বিভিন্ন সময় তার নামে একাধিক মামলাও হয়েছে। অথচ কখনো গ্রেপ্তার হতে হয়নি তাকে।

কৃষক ইমান আলীর ছেলে মাসুদ। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি তৃতীয়। ফলে পড়াশোনার সুযোগ হয়নি তার। ২২ বছর আগে বাবার সঙ্গে অভিমান করে ঢাকায় আসেন তিনি। প্রথমে সাভারের আমিন বাজারে টেম্পুতে হেলপারির মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর হয়ে যান টেম্পু চালক।

এরমধ্যে ওই সময়ে ফেন্সিডিলের আরৎ হিসেবে পরিচিত আমিন বাজারের মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সম্পর্ক তৈরি হয় তার। শুরু হয় ফেনসিডিল আনা নেয়ার কাজ। এক সময় নিজেই জড়িয়ে যান এই ব্যবসায়। এর কিছুদিনের মধ্যে চাকরি পেয়ে যায় গুলশানের একটি ওয়্যার হাউজে। সেখান থেকে বিদেশী মদের ব্যবসাও রপ্ত করে নেন তিনি। চাকরি ছেড়ে নিজেই শুরু করেন ব্যবসা। ওয়ার হাউজ থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে গুলশানের বিভিন্ন বাসা, কূটনৈতিক কার্যালয় ও বারে বিদেশী মদ ও বিয়ার সাপ্লাই দিতে শুরু করেন। আয় রোজগারও ভালই হতে থাকে। ধীরে ধীরে তারও আধিপত্য বাড়তে থাকে। অবশেষে হয়ে উঠে মাদক সম্রাট।

জানা যায়, এক সময় নিজে মদ-বিয়ার সাপ্লাই দিলেও এখন তার রয়েছে নিয়োগপ্রাপ্ত একাধিক কর্মচারী। এদের মধ্যে মাসুদের ম্যানাজারে দায়িত্বে রয়েছে বরিশালের আসাদ। হিসেবের দায়িত্বে রয়েছে মাসুদের ভাতিজা রিকন। এছাড়া কুষ্টিয়ার সম্রাট, মানিকগঞ্জের বোরহান ও উত্তমসহ আরো অন্তত ২০ থেকে ৩০ জনের একটি সিন্ডিকেট রয়েছে তার। যারা গুলশানের ‘কসবন‘ ও  ‘ইস্টার্ন’ ডিপ্লোম্যাটিক ওয়ার হাউজ থেকে মদ-বিয়ার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বার, ক্লাব, হোটেল, রেস্টুরেন্ট চোরাচালানের মাধ্যমে সরবরাহ করে থাকে। এজন্য রাতের শেষ সময়টাকে বেছে নেয় তারা। কারণ ওই সময় রাস্তা ফাঁকা ও প্রশাসনের উপস্থিতি কম থাকে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে প্রশাসেনর বিভিন্ন স্তরের একাধিক কর্মকর্তার সাথে তার মাসিক চুক্তি রয়েছে। এরপরও র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ান-র্যাব একাধিকবার অভিযান চালিয়ে মাসুদের মাদক আটক করেছে। মামলাও করেছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গুলশান জোনের সাবেক পরিদর্শক লায়েকুজ্জামান বলেন, মাসুদ মদের একটি চালান নিয়ে যাচ্ছে এমন সংবাদ পাওয়ার পর তাকে ধাওয়া করি। কিন্তু আমাদের গাড়ি কাছাকাছি যাওয়ার পর মাসুদের গাড়ি সড়কদ্বীপের উঠিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

একইভাবে চলতি বছরের ২৩ মে রাজধানীর মুগদা থেকে ২৩২৪ ক্যান বিয়ার ও ১৭৮ বোতল বিদেশী মদসহ মাসুদের একটি চালান আকট করে র্যা ব। এসময়ও মাসুদ পালিয়ে যায়, তবে গাড়ির চালককে আটক করা হয়।

মাদক চোরাচালানের জন্য মাসুদের রয়েছে ১০ থেকে ১৫টি প্রাইভেটকার। তবে সেগুলোর কোনোটাই নিজের নামে নয়। বেনামে গাড়ির কাগজ করেন মাসুদ। ফলে আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে ঠিকই বের হয়ে যান তিনি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, মাসুদের নামে মামলা রয়েছে চারটি।

মাসুদের বিদেশী মদ-বিয়ারের গ্রাহক মূলত বার, ক্লাব, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট। মহাখালীর রুচিতা বারসহ একাধিক বারের পার্টনারও তিনি। এছাড়া রাজধানীর উত্তরা, মগবাজার, কাকরাইল, পল্টন, সাভারের গলফ ক্লাব, সিলেট, বগুড়া, চট্টগ্রাম, বরিশালের কুয়াকাটা, নারায়ণগঞ্জ, গাজিপুরসহ ২৬ জেলার বার, ক্লাব, হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোতে একচ্ছত্র আধিপত্য তার। এ নিয়ে গুলশানের অন্যন্য মাদক চোরাকারবারীদের সাথে চরম দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন তিনি।

মাসুদের ঘনিষ্টজনেরা জানিয়েছে, প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মালিকতিনি। রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বরে তার একটি পাঁচতলা বাড়ি রয়েছে। পল্লবীর ‘এ‘ ব্লকের  ১৬ নম্বর লেনে রয়েছে আরো একটি ৭ তলা বাড়ি। এছাড়া সাভার, গাজিপুরেও তার জমি রয়েছে। গাজিপুরে একটি গার্মেন্টস কারখানাও করেছেন তিনি। হরিরামপুরে রয়েছে একটি ইট ভাটা। রাজধানীর মিরপুর রোডে চলাচল করে ৮টি বাস। রয়েছে একাধিক ভেকু ও ড্রাম ট্রাক। সম্প্রতি বনানী ডিওএইচএসে ৩ কোটি টাকা মূল্যে একটি ফ্লাট কিনেছেন। এছাড়া সম্প্রতি অনুমোদন পাওয়া চারটি বারের পার্টনার তিনি। রাজধানীর ডেমরায় ‘হলদি’ নামে একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও ফার্মগেটে রয়েছে একটি রুফটপ রেস্টুরেন্ট। ব্রাক ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংকসহ একাধিক ব্যাংকে রয়েছে তার একাউন্ট। শুরুতে এক কোটি টাকা জমা দিয়ে ব্যাংক একেকটি একাউন্ট খুলেন তিনি।  সম্প্রতি ঠিকাদারীতে নাম লিখিয়ে তার অবৈধ সম্পদ বৈধ করতে চাচ্ছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান, সরাসরি মাদক না পেলে কাউকে গ্রেপ্তার  করতে পারেন না তারা। তবে যদি মাদক ব্যবসার সঙ্গে কারো সংশ্লিষ্টতার বিষয় চলে আসে, তাহলে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করতে পারেন তারা।  ইতিমধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। কয়েকজনের বিষয়ে তদন্ত চলছে। আমাদের সময় ডটকম

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com