জয়েন্টভেঞ্চার কিডনাপার গ্রুপ

ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়। জিডি করেন নজরুল ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তি। জিডিতে বলা হয়, তার ভাতিজা এনামুল হাসান ভূঁইয়া ওরফে কাউছার (২০) মালয়েশিয়ায় পড়তে গিয়ে অপহৃত হয়েছে। অপহরণকারীরা কাউছারকে ছাড়াতে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে। টাকাগুলো অপহরণকারী চক্রের বাংলাদেশে থাকা সদস্যরা নেবে। ডায়েরির তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই। পিবিআই এ জিডির তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য খুঁজে পায়। তারা জানতে পারে, মালয়েশিয়ায় এখন আর শ্রমিকরাই অপহরণের শিকার হচ্ছেন না। অপহরণকারীদের নতুন টার্গেট সেখানে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। কাউছার নামে এক শিক্ষার্থী সেখানে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের শিকার হয়। পরে পিবিআই তাকে মুক্ত করে। পিবিআই বাংলাদেশি ও মালয়েশিয়ান অপরাধীদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা জয়েন্টভেঞ্চার কিডনাপার গ্রুপের সন্ধান পেয়েছে। এই গ্রুপে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মানব পাচারকারী চক্র এবং মালয়েশিয়ায় ছাত্রদের পাঠানোর সঙ্গে জড়িত কতিপয় এজেন্সির জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে পিবিআই।

ঘটনা যেভাবে : মালয়েশিয়ায় একদিন মামার দোকানে বসে ছিল কাউছার। এ সময় আলমগীর হোসেন ওরফে আলম নামে এক লোক তার মামার খোঁজ করেন। তার মামা দোকানে ছিলেন না। আলমগীর তাকে বলে, তার মামা তার খুব পরিচিত। সে একটু বিপদে পড়েছে। তাদের বাসায় দুই দিন থাকতে চায়। মামাকে ফোন করে বিষয়টি জানায় কাউছার। বিদেশে থাকা বাংলাদেশি হওয়ার সুবাদে তার মামাও তাকে চিনেন বলে জানান। শেষ পর্যন্ত আলম প্রায় দুই মাস তাদের বাসায় থাকেন। ভালো সম্পর্ক হওয়ার সুবাদে আলম তাকে সবজি চাষ করে অনেক টাকা রোজগারের প্রলোভন দেখায়। এতে রাজি হলে আলম তাকে সবজি চাষের জমি দেখাতে চান। সে মতে একদিন সকালে সে বাসা থেকে বের হয়। বাড়ির সামনেই এক মালয়েশিয়ান গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। তিনি এগিয়ে এসে কাউছারকে বলেন, আপনি কাউছার সাহেব? আলম সাহেব আমাকে আপনাকে নিতে পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে গাড়িতে চড়ে বসে কাউছার।

গাড়িতে ওঠার কিছু সময় পর কাউছারের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, পাসপোর্ট, মানিব্যাগ, নগদ টাকা ও ব্যাংকের কার্ড নিয়ে যায়। তাকে কুয়ালালামপুর শহর থেকে অনেক দূরে একটি জঙ্গলে নিয়ে রাখে। পরদিন আলম সেখানে হাজির হয়। সে তার মোবাইল থেকে বাংলাদেশে পরিবারের কাছে ফোন করে। মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লাখ টাকা দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা বাংলাদেশে নেওয়ার জন্য লোক আছে বলে জানায়। পরিবার থেকে তাকে বাঁচানোর জন্য ব্যাংক ও বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশে থাকা চক্রের সদস্যদের কাছে টাকা দিতে থাকে। এর মধ্যে মালয়েশিয়ার ব্যাংকের মাধ্যমেও তাকে মুক্ত করতে আমার পরিবার সবকিছু বিক্রি করে টাকা দেয়। এমনকি তার মামার কাছ থেকেও টাকা নেয় অপহরণকারীরা।
এদিকে পিবিআই ফাঁদ পেতে দক্ষিণখান থানাধীন সুলতান মার্কেট থেকে অপহরণকারী চক্রের সদস্য মো. রাকিবুল হাসান রাতুল (২৬)-কে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে মুক্তিপণের এক লাখ টাকাও উদ্ধার করা হয়। রাতুল পিবিআইকে জানায়, তারা সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের সদস্য। তাদের চক্রের মালয়েশিয়ার নাগরিকও আছে। পরে রাতুলের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় থাকা অপহরণকারী চক্রের সদস্য নাটোর জেলার বাসিন্দা আলম ওরফে আলমগীর ও দক্ষিণখানের বাসিন্দা মো. আলমগীর হোসেন এবং মালয়েশিয়ার অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের সঙ্গে অপহৃত কাউছারের লোক সেজে যোগাযোগ স্থাপন করে। রাতুল অপহরণকারীদের জানায়, তারা টাকা বুঝে পেয়েছে। এরপর মালয়েশিয়ার অপহরণকারীরা কাউছারকে ছেড়ে দেয়। মুক্তির পর কাউছার নিরাপত্তাজনিত কারণে মালয়েশিয়ায় থাকতে রাজি হয় না। পিবিআই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনে। দেশে ফিরে কাউছার ঢাকার সিএমএম আদালতে ১৬৪ ধারায় অপহরণের ঘটনা বর্ণনা করে।মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি ছাত্রদের অপহরণের এমন বিষয়ে পিবিআইর কর্মকর্তারা বলেন, এটি একটি নতুন ট্রেন্ড। আগে মালয়েশিয়ায় শ্রমিকদের জিম্মি করে টাকা আদায়ের প্রবণতা ছিল। বর্তমানে মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি ছাত্রদের অপহরণ করে মুক্তিপণ হিসেবে টাকা আদায় করার প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর সঙ্গে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মানব পাচারকারী চক্র এবং মালয়েশিয়ায় ছাত্রদের পাঠানোর সঙ্গে জড়িত কতিপয় এজেন্সির জড়িত থাকার তথ্য মিলেছে। টার্গেট হিসেবে ছাত্রদের বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলছেন, যেসব ছাত্র মালয়েশিয়ায় পড়তে যায়, স্বাভাবিকভাবেই ওসব ছাত্রের পরিবার অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। তাদের অপহরণ করতে পারলে মোটা অঙ্কের টাকা পাওয়া যাবে। এমন ধারণা থেকেই অপহরণকারী চক্রগুলো ছাত্রদের টার্গেট করছে। সংশ্লিষ্টরা বলছে, বিদেশে ছাত্র পাঠানোর এজেন্সির বিষয়ে মনিটরিং করা জরুরি। যেসব ছাত্র বিদেশে পড়তে যাচ্ছে তাদের পরিবারের সদস্যদের দায়িত্ব রয়েছে ভালো মন্দ বিবেচনা করে বিদেশ পাঠানো। বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» কুরআন তিলাওয়াতকারীর মা-বাবাকে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন

» শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাঞ্জাবের ১৪ রানে জয়

» ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন ৫ মে

» প্রাথমিকের ফল পুনঃনিরীক্ষণ ফেল থেকে পাস ৮ হাজার শিক্ষার্থী

» অধিক মূল্যে টিকিট বিক্রির প্রতিবাদে যাত্রীকে পিটিয়ে জখম

» কক্সবাজারে কোচিং সেন্টারে অমানবিকতার শিকার কিশোর

» হাজীগঞ্জে বিদ্যুৎপৃষ্টে দাখিল পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

» সমৃদ্ধির পথে দেশ, কমেনি বৈষম্য

» আজ দিনভর ব্যস্ত সময় কাটা‌বেন প্রধানমন্ত্রী

» মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনারের মেয়াদ বাড়লো দুই বছর

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

জয়েন্টভেঞ্চার কিডনাপার গ্রুপ

ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়। জিডি করেন নজরুল ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তি। জিডিতে বলা হয়, তার ভাতিজা এনামুল হাসান ভূঁইয়া ওরফে কাউছার (২০) মালয়েশিয়ায় পড়তে গিয়ে অপহৃত হয়েছে। অপহরণকারীরা কাউছারকে ছাড়াতে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে। টাকাগুলো অপহরণকারী চক্রের বাংলাদেশে থাকা সদস্যরা নেবে। ডায়েরির তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই। পিবিআই এ জিডির তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য খুঁজে পায়। তারা জানতে পারে, মালয়েশিয়ায় এখন আর শ্রমিকরাই অপহরণের শিকার হচ্ছেন না। অপহরণকারীদের নতুন টার্গেট সেখানে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। কাউছার নামে এক শিক্ষার্থী সেখানে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের শিকার হয়। পরে পিবিআই তাকে মুক্ত করে। পিবিআই বাংলাদেশি ও মালয়েশিয়ান অপরাধীদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা জয়েন্টভেঞ্চার কিডনাপার গ্রুপের সন্ধান পেয়েছে। এই গ্রুপে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মানব পাচারকারী চক্র এবং মালয়েশিয়ায় ছাত্রদের পাঠানোর সঙ্গে জড়িত কতিপয় এজেন্সির জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে পিবিআই।

ঘটনা যেভাবে : মালয়েশিয়ায় একদিন মামার দোকানে বসে ছিল কাউছার। এ সময় আলমগীর হোসেন ওরফে আলম নামে এক লোক তার মামার খোঁজ করেন। তার মামা দোকানে ছিলেন না। আলমগীর তাকে বলে, তার মামা তার খুব পরিচিত। সে একটু বিপদে পড়েছে। তাদের বাসায় দুই দিন থাকতে চায়। মামাকে ফোন করে বিষয়টি জানায় কাউছার। বিদেশে থাকা বাংলাদেশি হওয়ার সুবাদে তার মামাও তাকে চিনেন বলে জানান। শেষ পর্যন্ত আলম প্রায় দুই মাস তাদের বাসায় থাকেন। ভালো সম্পর্ক হওয়ার সুবাদে আলম তাকে সবজি চাষ করে অনেক টাকা রোজগারের প্রলোভন দেখায়। এতে রাজি হলে আলম তাকে সবজি চাষের জমি দেখাতে চান। সে মতে একদিন সকালে সে বাসা থেকে বের হয়। বাড়ির সামনেই এক মালয়েশিয়ান গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। তিনি এগিয়ে এসে কাউছারকে বলেন, আপনি কাউছার সাহেব? আলম সাহেব আমাকে আপনাকে নিতে পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে গাড়িতে চড়ে বসে কাউছার।

গাড়িতে ওঠার কিছু সময় পর কাউছারের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, পাসপোর্ট, মানিব্যাগ, নগদ টাকা ও ব্যাংকের কার্ড নিয়ে যায়। তাকে কুয়ালালামপুর শহর থেকে অনেক দূরে একটি জঙ্গলে নিয়ে রাখে। পরদিন আলম সেখানে হাজির হয়। সে তার মোবাইল থেকে বাংলাদেশে পরিবারের কাছে ফোন করে। মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লাখ টাকা দাবি করে। মুক্তিপণের টাকা বাংলাদেশে নেওয়ার জন্য লোক আছে বলে জানায়। পরিবার থেকে তাকে বাঁচানোর জন্য ব্যাংক ও বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশে থাকা চক্রের সদস্যদের কাছে টাকা দিতে থাকে। এর মধ্যে মালয়েশিয়ার ব্যাংকের মাধ্যমেও তাকে মুক্ত করতে আমার পরিবার সবকিছু বিক্রি করে টাকা দেয়। এমনকি তার মামার কাছ থেকেও টাকা নেয় অপহরণকারীরা।
এদিকে পিবিআই ফাঁদ পেতে দক্ষিণখান থানাধীন সুলতান মার্কেট থেকে অপহরণকারী চক্রের সদস্য মো. রাকিবুল হাসান রাতুল (২৬)-কে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে মুক্তিপণের এক লাখ টাকাও উদ্ধার করা হয়। রাতুল পিবিআইকে জানায়, তারা সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের সদস্য। তাদের চক্রের মালয়েশিয়ার নাগরিকও আছে। পরে রাতুলের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় থাকা অপহরণকারী চক্রের সদস্য নাটোর জেলার বাসিন্দা আলম ওরফে আলমগীর ও দক্ষিণখানের বাসিন্দা মো. আলমগীর হোসেন এবং মালয়েশিয়ার অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের সঙ্গে অপহৃত কাউছারের লোক সেজে যোগাযোগ স্থাপন করে। রাতুল অপহরণকারীদের জানায়, তারা টাকা বুঝে পেয়েছে। এরপর মালয়েশিয়ার অপহরণকারীরা কাউছারকে ছেড়ে দেয়। মুক্তির পর কাউছার নিরাপত্তাজনিত কারণে মালয়েশিয়ায় থাকতে রাজি হয় না। পিবিআই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনে। দেশে ফিরে কাউছার ঢাকার সিএমএম আদালতে ১৬৪ ধারায় অপহরণের ঘটনা বর্ণনা করে।মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি ছাত্রদের অপহরণের এমন বিষয়ে পিবিআইর কর্মকর্তারা বলেন, এটি একটি নতুন ট্রেন্ড। আগে মালয়েশিয়ায় শ্রমিকদের জিম্মি করে টাকা আদায়ের প্রবণতা ছিল। বর্তমানে মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি ছাত্রদের অপহরণ করে মুক্তিপণ হিসেবে টাকা আদায় করার প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর সঙ্গে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মানব পাচারকারী চক্র এবং মালয়েশিয়ায় ছাত্রদের পাঠানোর সঙ্গে জড়িত কতিপয় এজেন্সির জড়িত থাকার তথ্য মিলেছে। টার্গেট হিসেবে ছাত্রদের বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলছেন, যেসব ছাত্র মালয়েশিয়ায় পড়তে যায়, স্বাভাবিকভাবেই ওসব ছাত্রের পরিবার অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। তাদের অপহরণ করতে পারলে মোটা অঙ্কের টাকা পাওয়া যাবে। এমন ধারণা থেকেই অপহরণকারী চক্রগুলো ছাত্রদের টার্গেট করছে। সংশ্লিষ্টরা বলছে, বিদেশে ছাত্র পাঠানোর এজেন্সির বিষয়ে মনিটরিং করা জরুরি। যেসব ছাত্র বিদেশে পড়তে যাচ্ছে তাদের পরিবারের সদস্যদের দায়িত্ব রয়েছে ভালো মন্দ বিবেচনা করে বিদেশ পাঠানো। বাংলাদেশ প্রতিদিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com