চট্টগ্রামে যেভাবে আসছে সোনার চোরাচালান

আন্তর্জাতিক সোনা চোরাচালান চক্রের ট্রানজিট পয়েন্ট চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এখানে একটি টিকিট বা কিছু টাকার বিনিময়ে সোনার চোরাচালান বহন করে নিয়ে আসছে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা।
আর এ সোনা চট্টগ্রামের রিয়াজুদ্দীন বাজার ও খাতুনগঞ্জে প্রবেশ করছে। যা পাচারে সহায়তা করেন বিমানের পাইলট ও ক্রুরা। রিয়াজুদ্দীন বাজার ও খাতুনগঞ্জ হয়ে কুমিল্লা  বা ফেনীর সীমান্তপথে এসব সোনার চালান চলে যাচ্ছে ভারত ও দেশের অন্যান্য জায়গায়।
অপরদিকে, সোনার পরিবর্তে ভারত থেকে কুমিল্লা ও ফেনীর সীমান্তপথে আসছে চোরাই গরু ও মোটরসাইকেল। বিমানবন্দর থেকে সীমান্তপথে উৎকোচের বিনিময়ে প্রশাসনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তায় এভাবে সোনা চোরাচালান হচ্ছে। যা ওপেন সিক্রেট বলে জানান চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বন্দর জোনের উপ-কমিশনার এসএম মোস্তাইন হোসেন।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে চট্টগ্রামে আটক হওয়া কয়েকটি সোনার চালান প্রাথমিক তদন্ত করে দেখা যায়, এ চালানগুলোর গন্তব্য ছিল ভারত ও দেশের অন্যান্য জায়গায়।

চট্টগ্রামকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করছে চোরাকারবারিরা। এটি নজরে আসার পর বিষয়টা মাথায় রেখেই কাজ করা হচ্ছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কাস্টমসের উপ-কমিশনার নুর উদ্দিন মিলন বলেন, বিমানবন্দরে অনেক সংস্থা কাজ করে। সবার প্রচেষ্টা থাকে স্বর্ণ চোরাচালান রোধ করা। কাস্টমসে সংশ্লিষ্ট কেউ সোনা চোরাচালানে জড়িত নয়। যদি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্য থেকে সোনা কেনার পর বিশাল একটি অংশ বাংলাদেশ হয়ে পাঠানো হয় ভারতে। এ চালানের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে দেশে আসা শ্রমিক ও লাগেজ ব্যবসায়ীদের।

বাহককে সোনা বহনের বিনিময়ে দেয়া হয় যাতায়াতের টিকিট ও কিছু টাকা। বিমানে ওঠার আগে হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় চালান। এরপর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এলে বিমানের নির্ধারিত স্থানে চালানের প্যাকেটটি রেখে বের হয়ে আসেন বাহক। পরে সিভিল এভিয়েশন, শুল্ক বিভাগ ও বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় চালান বের করা হয় বিমানবন্দরের বাইরে।
আর বিমানবন্দরে প্রতি তোলা সোনার জন্য ঘুষ দিতে হয় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। এরপর সোনা সিন্ডিকেটের কমিশন সদস্যদের সহায়তায় ওই চালান চলে যায় নির্ধারিত স্থানে। এরপরও যেসব সোনার চালান ধরা পড়ে তা ফাঁকি দিয়ে পাচার বা উৎকোচ না দেয়ার কারণেই ধরা পড়ে।

গত মঙ্গলবার শাহ আমানত বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের এক যাত্রীর ব্যাগে ১১ কেজি ওজনের ৯৬ পিস সোনার বার ধরা পড়ে। এর আগে সোমবার সকালে আলাইন থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের আরেকটি ফ্লাইটের টয়লেটে পাওয়া যায় ১২ কেজি ওজনের ২০০টি সোনার বার।

এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর রেলওয়ে এলাকায় একটি প্রাইভেট কারে ১০০টি সোনার বারসহ দুই জন এবং ঢাকা-চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ৬০০টি সোনার বারসহ দুই জন পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।
যারা সবাই এসব সোনার চালান কুমিল্লা ও ফেনী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের তথ্য দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দেয়া তথ্যমতে, চট্টগ্রামে সোনা চোরাচালানের স্বর্গরাজ্য রিয়াজুদ্দীন বাজার ও খাতুনগঞ্জ। এ দুই স্থানে সোনা চোরাচালানের ছোট-বড় শ’খানেক চোরাকারবারি রয়েছে। তারা বাইরে নিজেদের কসমেটিকস, মোবাইল ব্যবসায়ী, আমদানি-রপ্তানি ও কাপড় ব্যবসায়ী পরিচয় দিলেও আড়ালে করেন সোনা চোরাচালান।
চট্টগ্রামের আলোচিত সোনা চোরকারবারিদের মধ্যে অবাঙালি ব্যবসায়ী আসিফ আহমেদ, আরিফ, আবু আহমেদ, সিএনজি জসিম, রিজোয়ান কমপ্লেক্সের ইসলাম, জাহাঙ্গীর, ইকবাল, আলমগীর, ক্রোকারিজ মার্কেটের হোসেন মোল্লা, মশারি মার্কেটের ফয়েজ, গোলাম রাসুল মার্কেটের আজম, মোবাইল জোনের আইয়ুব, সাইফুল, হাকিম, সাত্তার, এনামুল হক নাঈম, জাহিদ, আজগর, নেজাম, রহিম, ওসমান, আলমগীর অন্যতম।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে সোনা পাচারের সময় সিংহভাগ ক্ষেত্রেই স্থলভাগ ব্যবহার করা হয়। এ ক্ষেত্রে কখনো সরাসরি বাহকের মাধ্যমে সোনা পাচার হলেও কিছু সময় পর্যটক ও বাংলাদেশ থেকে ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া ব্যক্তিদের ব্যবহার করেন সোনা পাচারকারী সিন্ডিকেটের সদস্যরা।

বাংলাদেশে আসা সোনার চোরাচালান ভারতমুখী হওয়ার কারণ উল্লেখ করে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. কামরুজ্জামান বলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আনা সোনা বাংলাদেশে বিক্রি করলে লাভ হয় কেজি প্রতি চার লাখ টাকা। কিন্তু এ চালান ভারতে নিয়ে যেতে পারলে লাভ হয় কেজি প্রতি কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা।
তাই সোনা চোরাকারবারিরা সোনার চালান দেশে নিয়ে আসার পর ফের ভারতে পাচার করা হয়। সোনার চালান ভারতে পাচারের পর সরাসরি বিনিময় মুদ্রা গ্রহণ করা হয় না। এ ক্ষেত্রে মুদ্রার পরিবর্তে ভারত থেকে চোরাই পণ্য গরু, মোটরসাইকেল, গাড়ি, জুয়েলারিসহ অন্যান্য পণ্য গ্রহণ করা হয়।

মানবজমিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» শবে বরাত : গুরুত্ব ও ফযিলত

» আগারগাঁওয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে ভোগান্তি, বললেন সাধারণ মানুষ

» প্রভার বিশ্বাস

» কুলাউড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম

» লাকসামে ব্যাঙের ছাতার মতো ক্লিনিক সর্বস্বান্ত রোগীরা

» রমেকের সংক্রামক ব্যাধি বিভাগ ডাক্তারের দেখা নেই, দেখভাল করছেন নার্স-বয়

» শিউলীর অস্বীকার ফের তোলপাড়

» টানাটানিতে চলছে নিহতদের সংসার

» ‘ভাড়ায়’ চরিত্র হনন করে ওরা

» রঙিন পোশাকের প্রথম বিশ্বকাপ

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

চট্টগ্রামে যেভাবে আসছে সোনার চোরাচালান

আন্তর্জাতিক সোনা চোরাচালান চক্রের ট্রানজিট পয়েন্ট চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এখানে একটি টিকিট বা কিছু টাকার বিনিময়ে সোনার চোরাচালান বহন করে নিয়ে আসছে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা।
আর এ সোনা চট্টগ্রামের রিয়াজুদ্দীন বাজার ও খাতুনগঞ্জে প্রবেশ করছে। যা পাচারে সহায়তা করেন বিমানের পাইলট ও ক্রুরা। রিয়াজুদ্দীন বাজার ও খাতুনগঞ্জ হয়ে কুমিল্লা  বা ফেনীর সীমান্তপথে এসব সোনার চালান চলে যাচ্ছে ভারত ও দেশের অন্যান্য জায়গায়।
অপরদিকে, সোনার পরিবর্তে ভারত থেকে কুমিল্লা ও ফেনীর সীমান্তপথে আসছে চোরাই গরু ও মোটরসাইকেল। বিমানবন্দর থেকে সীমান্তপথে উৎকোচের বিনিময়ে প্রশাসনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তায় এভাবে সোনা চোরাচালান হচ্ছে। যা ওপেন সিক্রেট বলে জানান চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বন্দর জোনের উপ-কমিশনার এসএম মোস্তাইন হোসেন।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে চট্টগ্রামে আটক হওয়া কয়েকটি সোনার চালান প্রাথমিক তদন্ত করে দেখা যায়, এ চালানগুলোর গন্তব্য ছিল ভারত ও দেশের অন্যান্য জায়গায়।

চট্টগ্রামকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করছে চোরাকারবারিরা। এটি নজরে আসার পর বিষয়টা মাথায় রেখেই কাজ করা হচ্ছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কাস্টমসের উপ-কমিশনার নুর উদ্দিন মিলন বলেন, বিমানবন্দরে অনেক সংস্থা কাজ করে। সবার প্রচেষ্টা থাকে স্বর্ণ চোরাচালান রোধ করা। কাস্টমসে সংশ্লিষ্ট কেউ সোনা চোরাচালানে জড়িত নয়। যদি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্য থেকে সোনা কেনার পর বিশাল একটি অংশ বাংলাদেশ হয়ে পাঠানো হয় ভারতে। এ চালানের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে দেশে আসা শ্রমিক ও লাগেজ ব্যবসায়ীদের।

বাহককে সোনা বহনের বিনিময়ে দেয়া হয় যাতায়াতের টিকিট ও কিছু টাকা। বিমানে ওঠার আগে হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় চালান। এরপর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এলে বিমানের নির্ধারিত স্থানে চালানের প্যাকেটটি রেখে বের হয়ে আসেন বাহক। পরে সিভিল এভিয়েশন, শুল্ক বিভাগ ও বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় চালান বের করা হয় বিমানবন্দরের বাইরে।
আর বিমানবন্দরে প্রতি তোলা সোনার জন্য ঘুষ দিতে হয় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। এরপর সোনা সিন্ডিকেটের কমিশন সদস্যদের সহায়তায় ওই চালান চলে যায় নির্ধারিত স্থানে। এরপরও যেসব সোনার চালান ধরা পড়ে তা ফাঁকি দিয়ে পাচার বা উৎকোচ না দেয়ার কারণেই ধরা পড়ে।

গত মঙ্গলবার শাহ আমানত বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের এক যাত্রীর ব্যাগে ১১ কেজি ওজনের ৯৬ পিস সোনার বার ধরা পড়ে। এর আগে সোমবার সকালে আলাইন থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের আরেকটি ফ্লাইটের টয়লেটে পাওয়া যায় ১২ কেজি ওজনের ২০০টি সোনার বার।

এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর রেলওয়ে এলাকায় একটি প্রাইভেট কারে ১০০টি সোনার বারসহ দুই জন এবং ঢাকা-চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ৬০০টি সোনার বারসহ দুই জন পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।
যারা সবাই এসব সোনার চালান কুমিল্লা ও ফেনী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের তথ্য দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দেয়া তথ্যমতে, চট্টগ্রামে সোনা চোরাচালানের স্বর্গরাজ্য রিয়াজুদ্দীন বাজার ও খাতুনগঞ্জ। এ দুই স্থানে সোনা চোরাচালানের ছোট-বড় শ’খানেক চোরাকারবারি রয়েছে। তারা বাইরে নিজেদের কসমেটিকস, মোবাইল ব্যবসায়ী, আমদানি-রপ্তানি ও কাপড় ব্যবসায়ী পরিচয় দিলেও আড়ালে করেন সোনা চোরাচালান।
চট্টগ্রামের আলোচিত সোনা চোরকারবারিদের মধ্যে অবাঙালি ব্যবসায়ী আসিফ আহমেদ, আরিফ, আবু আহমেদ, সিএনজি জসিম, রিজোয়ান কমপ্লেক্সের ইসলাম, জাহাঙ্গীর, ইকবাল, আলমগীর, ক্রোকারিজ মার্কেটের হোসেন মোল্লা, মশারি মার্কেটের ফয়েজ, গোলাম রাসুল মার্কেটের আজম, মোবাইল জোনের আইয়ুব, সাইফুল, হাকিম, সাত্তার, এনামুল হক নাঈম, জাহিদ, আজগর, নেজাম, রহিম, ওসমান, আলমগীর অন্যতম।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে সোনা পাচারের সময় সিংহভাগ ক্ষেত্রেই স্থলভাগ ব্যবহার করা হয়। এ ক্ষেত্রে কখনো সরাসরি বাহকের মাধ্যমে সোনা পাচার হলেও কিছু সময় পর্যটক ও বাংলাদেশ থেকে ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া ব্যক্তিদের ব্যবহার করেন সোনা পাচারকারী সিন্ডিকেটের সদস্যরা।

বাংলাদেশে আসা সোনার চোরাচালান ভারতমুখী হওয়ার কারণ উল্লেখ করে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. কামরুজ্জামান বলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আনা সোনা বাংলাদেশে বিক্রি করলে লাভ হয় কেজি প্রতি চার লাখ টাকা। কিন্তু এ চালান ভারতে নিয়ে যেতে পারলে লাভ হয় কেজি প্রতি কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা।
তাই সোনা চোরাকারবারিরা সোনার চালান দেশে নিয়ে আসার পর ফের ভারতে পাচার করা হয়। সোনার চালান ভারতে পাচারের পর সরাসরি বিনিময় মুদ্রা গ্রহণ করা হয় না। এ ক্ষেত্রে মুদ্রার পরিবর্তে ভারত থেকে চোরাই পণ্য গরু, মোটরসাইকেল, গাড়ি, জুয়েলারিসহ অন্যান্য পণ্য গ্রহণ করা হয়।

মানবজমিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com