কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে বাড়ল ১৪০ টাকা

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগেও এই মরিচ বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ৬০ টাকায়।

দাম বাড়ার পেছনে টানা বৃষ্টি এবং বন্যাকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টি ও বন্যার অজুহাতে একটি চক্র সবজির দাম বাড়ানোর পেছনে ভূমিকা রাখছেন।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় বাজারঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২০০ টাকায়। যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬০ টাকা। এছাড়া পেঁপের দাম কেজি প্রতি ১০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অধিকাংশ সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকার ওপরে।

বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বৃষ্টির অজুহাতে দাম বাড়িয়েছে।

নরসিংদীতে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে কেজি প্রতি কাঁচা মরিচের মূল্য বেড়েছে ১৪০ টাকা। বাজারে এখন ৬০ টাকা কেজি দরের কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে।

হঠাৎ কাঁচা মরিচের মূল্য এত বৃদ্ধির কারণ জিজ্ঞাসা করলে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়তেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। তারা আড়ত থেকে বাড়তি দরে কিনে এনে স্বল্প লাভে বিক্রি করছেন।

পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে মরিচ ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। বাজারে কাঁচা মরিচ আমদানি কমে গেছে। সেজন্য মরিচের দাম এত বেড়েছে।

সচেতন ক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে মরিচ উৎপাদন কমে গেছে কথা সত্য কিন্তু সেই অজুহাতে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ১৪০ টাকা মূল্য বৃদ্ধির কোনো যুক্তিসংগত কারণ নেই। নিশ্চয়ই এর পেছনে রয়েছে মুনাফাখোরদের কালো হাত।

দেশের সবচেয়ে কাঁচা মরিচ বেশি উৎপাদিত হয় বরিশাল ও ময়মনসিংহ এলাকায়। সেখানে এখনো বন্যা হয়নি কিংবা এতটা বেশি বৃষ্টি হয়নি। যশোর অঞ্চলেও প্রচুর পরিমাণে কাঁচা মরিচ উৎপাদিত হয়। বৃষ্টির অজুহাতে মুনাফাখোর চক্র কাঁচা মরিচের মূল্য বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের পকেট খালি করছে।

একইভাবে অত্যাবশ্যকীয় মসলা, রসুন, শুকনা মরিচ, এলাচ গোলমরিচ, আদাসহ বিভিন্ন মসলার দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে একটি চক্র।

এদিকে খুলনা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে কেজি প্রতি কাঁচা মরিচের দাম ১২০ টাকা ও সব ধরনের সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ৬-৭ টাকা।

মহানগরীর বিভিন্ন বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা, উচ্ছে ৬০ টাকা, ঝিঙে ৪০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, কুশি ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০ টাকা, কাকরল ৫০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

অথচ সপ্তাহখানেক আগে মানভেদে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা, উচ্ছে ৫০ টাকা, ঝিঙে ৩৫ টাকা, গাজর ৯০ থেকে ৯৫ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, কুশি ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ঢেঁড়শ ৩৫ টাকা, কাকরল ৪৫ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» রাজগঞ্জ সার্বজনীন পূজা মন্দিরের আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত ও বর্ণাঢ্য ধর্মীয় শোভাযাত্রা

» রাজগঞ্জের ঝাঁপায় মুক্তিযোদ্ধাকে শারিরীক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

» পলাশে নানা আয়োজনে মধ্য দিয়ে শুভ জন্মাষ্টমী পালন

» কি করে বুঝবেন আপনার সন্তানের ঘুমের সমস্যা হচ্ছে?

» দেশ নিয়ে চাওয়া-পাওয়া

» ভুটানকে উড়িয়ে সাফ শুরু বাংলাদেশের কিশোরদের

» সানি লিওনের নতুন ভিডিও

» বঙ্গবন্ধুকে হত্যার হুকুমদাতা‌দেরও বিচার হ‌বে: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

» পলাশে নানা আয়োজনে শুভ জন্মাষ্টমী পালন

» লালমনিরহাট স্টেশনের সামনের সড়কটির বেহাল দশা

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে বাড়ল ১৪০ টাকা

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগেও এই মরিচ বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ৬০ টাকায়।

দাম বাড়ার পেছনে টানা বৃষ্টি এবং বন্যাকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টি ও বন্যার অজুহাতে একটি চক্র সবজির দাম বাড়ানোর পেছনে ভূমিকা রাখছেন।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় বাজারঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২০০ টাকায়। যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬০ টাকা। এছাড়া পেঁপের দাম কেজি প্রতি ১০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অধিকাংশ সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকার ওপরে।

বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বৃষ্টির অজুহাতে দাম বাড়িয়েছে।

নরসিংদীতে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে কেজি প্রতি কাঁচা মরিচের মূল্য বেড়েছে ১৪০ টাকা। বাজারে এখন ৬০ টাকা কেজি দরের কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে।

হঠাৎ কাঁচা মরিচের মূল্য এত বৃদ্ধির কারণ জিজ্ঞাসা করলে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়তেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। তারা আড়ত থেকে বাড়তি দরে কিনে এনে স্বল্প লাভে বিক্রি করছেন।

পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে মরিচ ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। বাজারে কাঁচা মরিচ আমদানি কমে গেছে। সেজন্য মরিচের দাম এত বেড়েছে।

সচেতন ক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে মরিচ উৎপাদন কমে গেছে কথা সত্য কিন্তু সেই অজুহাতে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ১৪০ টাকা মূল্য বৃদ্ধির কোনো যুক্তিসংগত কারণ নেই। নিশ্চয়ই এর পেছনে রয়েছে মুনাফাখোরদের কালো হাত।

দেশের সবচেয়ে কাঁচা মরিচ বেশি উৎপাদিত হয় বরিশাল ও ময়মনসিংহ এলাকায়। সেখানে এখনো বন্যা হয়নি কিংবা এতটা বেশি বৃষ্টি হয়নি। যশোর অঞ্চলেও প্রচুর পরিমাণে কাঁচা মরিচ উৎপাদিত হয়। বৃষ্টির অজুহাতে মুনাফাখোর চক্র কাঁচা মরিচের মূল্য বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের পকেট খালি করছে।

একইভাবে অত্যাবশ্যকীয় মসলা, রসুন, শুকনা মরিচ, এলাচ গোলমরিচ, আদাসহ বিভিন্ন মসলার দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে একটি চক্র।

এদিকে খুলনা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে কেজি প্রতি কাঁচা মরিচের দাম ১২০ টাকা ও সব ধরনের সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ৬-৭ টাকা।

মহানগরীর বিভিন্ন বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা, উচ্ছে ৬০ টাকা, ঝিঙে ৪০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, কুশি ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০ টাকা, কাকরল ৫০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

অথচ সপ্তাহখানেক আগে মানভেদে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা, উচ্ছে ৫০ টাকা, ঝিঙে ৩৫ টাকা, গাজর ৯০ থেকে ৯৫ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, কুশি ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ঢেঁড়শ ৩৫ টাকা, কাকরল ৪৫ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com