‘এ যেন জীবন্ত বঙ্গবন্ধু’

ভালোবাসা থাকলে মানুষ যে কোনো স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে পারে। এ কথাটিই যেন আবার প্রমাণ করলেন নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার গোপালপুর বাজারের ভাস্কর্য শিল্পী গোলাম মোস্তফা।

তার নেই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা। শুধু মনের ভেতর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখে প্রায় সাতবছর সময় দিয়ে কাঠ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর একটি ভাস্কর্য তৈরি করেছেন তিনি। ভালোবাসার মানুষটির ভাস্কর্য তৈরি করে রেখে দিয়েছেন চার দেয়ালের মাঝে। তবে তিনি জাতির পিতার এই ভাস্কর্য দেখাতে চান পুরো বিশ্বকে।

মাঝে মাঝে গোলাম মোস্তফা নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার গোপালপুর বাজারে একটি দোকানে ভাস্কর্যটি রাখেন। এতেই ব্যস্ততম বাজারের মানুষ থমকে যায়। কিছু সময়ের জন্য সাধারণ মানুষের চোখে তাক লেগে যায় জাতির পিতা এখানে দাঁড়িয়ে আছে কিভাবে। সখ করে অনেকেই কাছে এসে ছবি তোলেন। করেন ভিডিও।

নতুন প্রজন্মের কেউই দেখতে পাননি জাতির পিতা দেখতে কেমন ছিলেন। কিন্তু এই প্রতিকৃতির পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান দেন ‘জাতির পিতার পাশে দাঁড়িয়ে একদিন’।

কাঠের তৈরি বঙ্গবন্ধুর এই ভাস্কর্যটি তার অন্যান্য প্রতিকৃতির মতো নয়। দেখলে মনে হয় যেন জীবন্ত বঙ্গবন্ধু সামনে দাঁড়িয়ে।

শিল্পী গোলাম মোস্তফার বাড়ি নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার মল্লিকপুর গ্রাম। ১৯৫৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তার জন্ম। বর্তমানে তিনি পরিবারের ছয় সদস্যকে নিয়ে উপজেলা গোপালপুরে বাস করছেন। ছোট একটি দোকানে মানুষের সৃতিকে তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেই জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতি তৈরি সম্পর্কে গোলাম মোস্তফা বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আমি আমার দেশকে যেমন ভালোবাসি বঙ্গবন্ধুকেও তেমনটাই ভালোবাসি। ২০০৮ সালের ৭ অক্টোবর আমি বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বানানো শুরু করি। প্রতিদিন প্রায় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ২০১১ সালে কাজ শেষ করি। সবার জন্য উন্মুক্ত করি ২০১২ সালের ২১ আগস্ট।

আমি আওয়ামী লীগ সমর্থন করি। বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি। এই প্রতিকৃতি তৈরির ফলে প্রতিহিংসার কারণে হামলার শিকার হয়েছি। কিন্তু তেমন কোনো সাপোর্ট পাইনি। কোনো কিছু পাওয়ার আশায় আমি এই প্রতিকৃতি তৈরি করিনি। আমি শুধু দেখাতে চেয়েছি বঙ্গবন্ধু বাস্তবে দেখতে কেমন ছিলেন। আমি চাই এই মূল্যবান সম্পদ জাতীয় যাদুঘরে রাখা হোক। তাহলে আমি শান্তি পাবো।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভাস্কর্যটি দূর থেকে দেখলে মনে হয় জীবন্ত বঙ্গবন্ধু। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটির ছবি ভাইরাল হওয়ার পর সবার মুখে একই মন্তব্য-‘এ যেন জিবন্ত বঙ্গবন্ধু’।

বাংলাদেশ জার্নাল

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» দোল পূর্ণিমা উৎসব আজ

» তিশার ঈদ ব্যস্ততা

» কোম্পানীগঞ্জে ২৫ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গৃহবধূ উধাও

» প্রবাসীর স্ত্রীর আপত্তিকর ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল, যুবক আটক

» মেইল-ফেসবুক আইডি হ্যাকের ভয়ঙ্কর চক্র

» ইউরো ২০২০ বাছাইপর্বে ফ্যাক্টফাইল

» হোটেলে বকেয়া ৪ লাখ টাকা না দিয়েই পালালেন অভিনেত্রী পূজা!

» কেমন আছেন খালেদা জিয়া

» অনলাইন বাজারের অফলাইন মোবাইল

» এ যেন মাইগ্রেশন, সু-প্রভাত হয়ে যাচ্ছে সম্রাট

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

‘এ যেন জীবন্ত বঙ্গবন্ধু’

ভালোবাসা থাকলে মানুষ যে কোনো স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে পারে। এ কথাটিই যেন আবার প্রমাণ করলেন নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার গোপালপুর বাজারের ভাস্কর্য শিল্পী গোলাম মোস্তফা।

তার নেই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা। শুধু মনের ভেতর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখে প্রায় সাতবছর সময় দিয়ে কাঠ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর একটি ভাস্কর্য তৈরি করেছেন তিনি। ভালোবাসার মানুষটির ভাস্কর্য তৈরি করে রেখে দিয়েছেন চার দেয়ালের মাঝে। তবে তিনি জাতির পিতার এই ভাস্কর্য দেখাতে চান পুরো বিশ্বকে।

মাঝে মাঝে গোলাম মোস্তফা নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার গোপালপুর বাজারে একটি দোকানে ভাস্কর্যটি রাখেন। এতেই ব্যস্ততম বাজারের মানুষ থমকে যায়। কিছু সময়ের জন্য সাধারণ মানুষের চোখে তাক লেগে যায় জাতির পিতা এখানে দাঁড়িয়ে আছে কিভাবে। সখ করে অনেকেই কাছে এসে ছবি তোলেন। করেন ভিডিও।

নতুন প্রজন্মের কেউই দেখতে পাননি জাতির পিতা দেখতে কেমন ছিলেন। কিন্তু এই প্রতিকৃতির পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান দেন ‘জাতির পিতার পাশে দাঁড়িয়ে একদিন’।

কাঠের তৈরি বঙ্গবন্ধুর এই ভাস্কর্যটি তার অন্যান্য প্রতিকৃতির মতো নয়। দেখলে মনে হয় যেন জীবন্ত বঙ্গবন্ধু সামনে দাঁড়িয়ে।

শিল্পী গোলাম মোস্তফার বাড়ি নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার মল্লিকপুর গ্রাম। ১৯৫৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তার জন্ম। বর্তমানে তিনি পরিবারের ছয় সদস্যকে নিয়ে উপজেলা গোপালপুরে বাস করছেন। ছোট একটি দোকানে মানুষের সৃতিকে তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেই জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতি তৈরি সম্পর্কে গোলাম মোস্তফা বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আমি আমার দেশকে যেমন ভালোবাসি বঙ্গবন্ধুকেও তেমনটাই ভালোবাসি। ২০০৮ সালের ৭ অক্টোবর আমি বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বানানো শুরু করি। প্রতিদিন প্রায় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ২০১১ সালে কাজ শেষ করি। সবার জন্য উন্মুক্ত করি ২০১২ সালের ২১ আগস্ট।

আমি আওয়ামী লীগ সমর্থন করি। বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি। এই প্রতিকৃতি তৈরির ফলে প্রতিহিংসার কারণে হামলার শিকার হয়েছি। কিন্তু তেমন কোনো সাপোর্ট পাইনি। কোনো কিছু পাওয়ার আশায় আমি এই প্রতিকৃতি তৈরি করিনি। আমি শুধু দেখাতে চেয়েছি বঙ্গবন্ধু বাস্তবে দেখতে কেমন ছিলেন। আমি চাই এই মূল্যবান সম্পদ জাতীয় যাদুঘরে রাখা হোক। তাহলে আমি শান্তি পাবো।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভাস্কর্যটি দূর থেকে দেখলে মনে হয় জীবন্ত বঙ্গবন্ধু। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটির ছবি ভাইরাল হওয়ার পর সবার মুখে একই মন্তব্য-‘এ যেন জিবন্ত বঙ্গবন্ধু’।

বাংলাদেশ জার্নাল

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ,

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com