এবিএম মুসার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশিষ্ট কলামিস্ট ও সাংবাদিক এবিএম মুসার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৪ সালের এইদিনে বার্ধক্যজনিত কারণে রাজধানীর ল্যাডএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুববরণ করেন তিনি।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এবিএম মুসার পৈত্রিক বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার কতুবপুর গ্রামে আজ বাদ আসর মিলাদ মহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া শুক্রবার বাদ আসর মোহাম্মদপুর, ৫/২ ইকবাল রোডে মরহুমের বাসভবনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মীয়-স্বজন সতীর্থ ও শুভাক্সক্ষীদের উক্ত দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এবিএম মুসা ১৯৩১ সালে তার নানার বাড়ি ফেনী জেলার ধর্মপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে সাংবাদিকতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। ১৯৫০ সালে দৈনিক ইনসাফ থেকে তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু। ওই বছর তিনি ইংরেজি দৈনিক পাকিস্তান অবজারভারে যোগ দেন। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান অবজারভারে রিপোর্টার, স্পোর্টস রিপোর্টার, বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান অবজারভার বন্ধ করে দিলে তিনি দৈনিক সংবাদে যোগ দেন। ১৯৫৪ সালে তিনি অবজারভারে ফিরে যান। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিবিসি, সানডে টাইমস প্রভৃতি পত্রিকার সংবাদদাতা হিসেবে তিনি রণাঙ্গন থেকে সংবাদ প্রেরণ করতেন। স্বাধীনতার পর তিনি বিটিভির মহাব্যবস্থাপক, মর্নিং নিউজের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছিলেন প্রেস ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালকও। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৮ সালে এবিএম মুসা ব্যাংককে অবস্থিত জাতিসংঘের পরিবেশ কার্যক্রমের (এসকাপ) এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে যোগ দেন। দেশে ফিরে তিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান সম্পাদক ছিলেন। তিনি নিউ নেশনের উপদেষ্টা সম্পাদক ও নিউজ ডে পত্রিকার সম্পাদক হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৪ সালে তিনি কিছু দিন দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। জনপ্রিয় কলাম লেখক এবিএম মুসা একজন দর্শকপ্রিয় আলোচক এবং সংবাদ বিশ্লেষক হিসেবে বিভিন্ন চ্যানেলের টক শোতে অংশ নিয়েছেন। বক্তা হিসাবেও তিনি ছিলেন নির্ভীক।

পিবিডি

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» মণিরামপুর উপজেলা শ্রমিকলীগ নেতার বাড়িতে বোমা হামলা, এলাকায় আতঙ্ক

» ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে জাপার শীর্ষ নেতাদের বৈঠক

» বিএনপি নিজেরাই নিজেদের অবৈধ বলছে: তথ্যমন্ত্রী

» পরিবাগে বহুতল ভবনে আগুন

» বাহুবলে প্রাথমিক বৃত্তিতে ব্যাপক দুর্নীতি : নিজ সন্তানের খাতা নিজেই দেখলেন শিক্ষক 

» কয়েক হাজার টাকায় বাঁচতে পারে নুরানির জীবন

» কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘হারিকেন’

» হানিফ পরিবহনের চাপায় মণিরামপুরের দুই মেধাবী স্কুল ছাত্র নিহত, কাঠের গুড়ি ফেলে ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ

» টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

» বিষাক্ত যন্ত্রণা, আর কোনো পরিবারের সঙ্গে যেন এমনটা না হয়: সোহেল তাজ

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

এবিএম মুসার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশিষ্ট কলামিস্ট ও সাংবাদিক এবিএম মুসার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৪ সালের এইদিনে বার্ধক্যজনিত কারণে রাজধানীর ল্যাডএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুববরণ করেন তিনি।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এবিএম মুসার পৈত্রিক বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার কতুবপুর গ্রামে আজ বাদ আসর মিলাদ মহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া শুক্রবার বাদ আসর মোহাম্মদপুর, ৫/২ ইকবাল রোডে মরহুমের বাসভবনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মীয়-স্বজন সতীর্থ ও শুভাক্সক্ষীদের উক্ত দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এবিএম মুসা ১৯৩১ সালে তার নানার বাড়ি ফেনী জেলার ধর্মপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে সাংবাদিকতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। ১৯৫০ সালে দৈনিক ইনসাফ থেকে তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু। ওই বছর তিনি ইংরেজি দৈনিক পাকিস্তান অবজারভারে যোগ দেন। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান অবজারভারে রিপোর্টার, স্পোর্টস রিপোর্টার, বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান অবজারভার বন্ধ করে দিলে তিনি দৈনিক সংবাদে যোগ দেন। ১৯৫৪ সালে তিনি অবজারভারে ফিরে যান। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিবিসি, সানডে টাইমস প্রভৃতি পত্রিকার সংবাদদাতা হিসেবে তিনি রণাঙ্গন থেকে সংবাদ প্রেরণ করতেন। স্বাধীনতার পর তিনি বিটিভির মহাব্যবস্থাপক, মর্নিং নিউজের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছিলেন প্রেস ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালকও। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৮ সালে এবিএম মুসা ব্যাংককে অবস্থিত জাতিসংঘের পরিবেশ কার্যক্রমের (এসকাপ) এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে যোগ দেন। দেশে ফিরে তিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান সম্পাদক ছিলেন। তিনি নিউ নেশনের উপদেষ্টা সম্পাদক ও নিউজ ডে পত্রিকার সম্পাদক হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৪ সালে তিনি কিছু দিন দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। জনপ্রিয় কলাম লেখক এবিএম মুসা একজন দর্শকপ্রিয় আলোচক এবং সংবাদ বিশ্লেষক হিসেবে বিভিন্ন চ্যানেলের টক শোতে অংশ নিয়েছেন। বক্তা হিসাবেও তিনি ছিলেন নির্ভীক।

পিবিডি

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com