উত্তাল জাহাঙ্গীরনগর শিক্ষকদের কর্মবিরতি

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজও উত্তাল রয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তসহ তিনদফা দাবিতে কর্মবিরতি, পদযাত্রা ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে অর্ধশতাধিক শিক্ষক। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবীন্দ্রনাথ হল-সংলগ্ন এলাকা থেকে নির্মাণাধীন হল অন্যত্র সরানো, মহাপরিকল্পনার পুনর্বিন্যাস এবং ভিসি ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দাবিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর ব্যানারের শিক্ষকদের এই কর্মসূচি চলে। অন্যদিকে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারের সংগঠক সাইমুম ইসলাম ও ছাত্রফ্রন্ট কর্মীর ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। গতকাল সকাল ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করেন শিক্ষকরা। একই দাবিতে সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ও মানবিক অনুষদের সামনে থেকে একটি পদযাত্রা বের করেন তারা। পদযাত্রাটি পুরাতন রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম তালুকদারের সঞ্চলনায় সমাবেশে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন,‘মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় সম্ভাবনা তৈরি করার কথা ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে আমরা দেখছি এর মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে ভীতির সৃষ্টি হচ্ছে। এই উন্নয়ন প্রকল্প অনিশ্চয়তা, সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করছে। জানা গেছে

প্রকল্পের কাজের শুরুতেই ২ কোটি টাকা ভাগাভাগি করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, পুরো প্রকল্পের কাজে কী পরিমাণ দুর্নীতি হতে পারে। বড় আকারের বরাদ্দের বিপত্তিও বড় হয়। একইভাবে এই মহাপরিকল্পনা সম্ভাবনার পরিবর্তে বিপত্তি তৈরি করছে।’
শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চের মুখপাত্র অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাপরিকল্পনাটি অসম্পূর্ণ। আমরা মহাপরিকল্পনা সংশোধন এবং দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে যৌক্তিক দাবি জানিয়েছি। কিন্তু প্রশাসন এই দাবিসমূহ উপেক্ষা করছে। আর এর বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের মারধর করা হচ্ছে, কিন্তু এর বিচার করা হচ্ছে না।’
নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস বলেন, ‘পত্র-পত্রিকায় ওঠা দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভিসি বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো প্রতিবাদ পাঠাননি। বরং এই তদন্তের দাবি তোলায় প্রশাসন ছাত্রলীগকে দিয়ে হুমকি দিচ্ছে। ভিসি তার সমর্থন গোষ্ঠীর মাধ্যমে পেশীশক্তি দেখাচ্ছেন। এসব করার মাধ্যমে অভিযোগ খারিজ হয়ে যায় না। যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তার মধ্য দিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের গায়ে কালিমালিপ্ত হয়েছে। আমরা দাবি জানাচ্ছি মহামান্য আচার্য ইউজিসিকে সম্পৃক্ত করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবেন। তদন্তের মাধমে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হোক। আমরা কালিমা থেকে মুক্তি চাই।’

‘ভিসি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন বিধায় তিনি কর্মচারীদের দিয়ে মানববন্ধন করিয়ে পেশীশক্তি দেখাচ্ছেন, আন্দোলনের সংগঠককে ছাত্রলীগ দিয়ে মার খাওয়াচ্ছেন’ বলে দাবি করেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক কামরুল আহসান।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা বলেন, ‘৭৩ এর অধ্যাদেশ মতে গণতান্ত্রিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় চলছে না। একাডেমিক কাউন্সিল নিয়মিত হচ্ছে না। যেখানে প্রভোস্ট হওয়ার কথা সিনিয়রদের সেখানে জুনিয়রদের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে। প্রশংসা করাকে যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে মাপা হচ্ছে। আসুন প্রতিবাদ করি। সাহস হারালে বিশ্ববিদ্যালয় তলানিতে এসে ঠেকবে।’
বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বলেন,‘স্বেচ্ছাচারিতা ও অরাজকতার বিরুদ্ধে আমরা এখানে এসে দাঁড়িয়েছি। একটি কু-পরিকল্পনার নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা লুটপাট ও পরিবারতন্ত্র কায়েমের চেষ্টা চলছে।’

সমাবেশে সম্মিলিত শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুল জাব্বার হাওলাদার, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক খবির উদ্দীন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চের মুখপাত্র অধ্যাপক রায়হান রাইন, অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ ভূঁইয়া, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক সায়মা খাতুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সেই সঙ্গে সমাবেশে বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

হামলার প্রতিবাদ: এদিকে আন্দোলনের সংগঠন জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক সাইমুম ইসলাম ও ছাত্রফ্রন্ট কর্মী সোহায়েব ইবনে মাসুদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে একটি নন-ফিকশন নাটক মঞ্চত্ব করেছে আন্দোলনকারীরা। গতকাল দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের সামনে দুপুর ১২টায় নাটকটি প্রদর্শিত হয়। নাটক শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে শিক্ষকদের সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে।
ছাত্রলীগের মিছিল: এদিকে ‘কাল্পনিক তথ্য’ এর মাধ্যমে একটি মহল বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘অস্থিতিশীল’ করছে দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাখা ছাত্রলীগ। মিছিল শেষে ছাত্রলীগ সভাপতি জুয়েল রানা বলেন, ‘ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে থাকা অবস্থায় উন্নয়ন কাজকে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» অবিরল

» হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে প্রবাসীকে হত্যা করল স্ত্রী-সন্তানরা

» শাহজালালে ৬০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার জব্দ

» ইনস্টাগ্রামে ‘নেমট্যাগ’ করবেন যেভাবে

» এফআর টাওয়ারের পাশের ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২ ইউনিট

» দেবের সব ছবিতে আমাকে নিতেই হবে এটা ভুল: রুক্মিণী

» থানায় মারধরের পর সিগারেটের ছ্যাকা, ওসির বিরুদ্ধে মামলা

» ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি, সবাইকে ধরব: প্রধানমন্ত্রী

» ক্যাসিনো চলে জানতেন না মেনন

» গ্রেফতার হচ্ছেন ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট!

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

উত্তাল জাহাঙ্গীরনগর শিক্ষকদের কর্মবিরতি

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজও উত্তাল রয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তসহ তিনদফা দাবিতে কর্মবিরতি, পদযাত্রা ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে অর্ধশতাধিক শিক্ষক। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবীন্দ্রনাথ হল-সংলগ্ন এলাকা থেকে নির্মাণাধীন হল অন্যত্র সরানো, মহাপরিকল্পনার পুনর্বিন্যাস এবং ভিসি ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দাবিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর ব্যানারের শিক্ষকদের এই কর্মসূচি চলে। অন্যদিকে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারের সংগঠক সাইমুম ইসলাম ও ছাত্রফ্রন্ট কর্মীর ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। গতকাল সকাল ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করেন শিক্ষকরা। একই দাবিতে সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ও মানবিক অনুষদের সামনে থেকে একটি পদযাত্রা বের করেন তারা। পদযাত্রাটি পুরাতন রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম তালুকদারের সঞ্চলনায় সমাবেশে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন,‘মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় সম্ভাবনা তৈরি করার কথা ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে আমরা দেখছি এর মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে ভীতির সৃষ্টি হচ্ছে। এই উন্নয়ন প্রকল্প অনিশ্চয়তা, সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করছে। জানা গেছে

প্রকল্পের কাজের শুরুতেই ২ কোটি টাকা ভাগাভাগি করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, পুরো প্রকল্পের কাজে কী পরিমাণ দুর্নীতি হতে পারে। বড় আকারের বরাদ্দের বিপত্তিও বড় হয়। একইভাবে এই মহাপরিকল্পনা সম্ভাবনার পরিবর্তে বিপত্তি তৈরি করছে।’
শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চের মুখপাত্র অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাপরিকল্পনাটি অসম্পূর্ণ। আমরা মহাপরিকল্পনা সংশোধন এবং দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে যৌক্তিক দাবি জানিয়েছি। কিন্তু প্রশাসন এই দাবিসমূহ উপেক্ষা করছে। আর এর বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের মারধর করা হচ্ছে, কিন্তু এর বিচার করা হচ্ছে না।’
নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস বলেন, ‘পত্র-পত্রিকায় ওঠা দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভিসি বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো প্রতিবাদ পাঠাননি। বরং এই তদন্তের দাবি তোলায় প্রশাসন ছাত্রলীগকে দিয়ে হুমকি দিচ্ছে। ভিসি তার সমর্থন গোষ্ঠীর মাধ্যমে পেশীশক্তি দেখাচ্ছেন। এসব করার মাধ্যমে অভিযোগ খারিজ হয়ে যায় না। যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তার মধ্য দিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের গায়ে কালিমালিপ্ত হয়েছে। আমরা দাবি জানাচ্ছি মহামান্য আচার্য ইউজিসিকে সম্পৃক্ত করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবেন। তদন্তের মাধমে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হোক। আমরা কালিমা থেকে মুক্তি চাই।’

‘ভিসি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন বিধায় তিনি কর্মচারীদের দিয়ে মানববন্ধন করিয়ে পেশীশক্তি দেখাচ্ছেন, আন্দোলনের সংগঠককে ছাত্রলীগ দিয়ে মার খাওয়াচ্ছেন’ বলে দাবি করেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক কামরুল আহসান।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা বলেন, ‘৭৩ এর অধ্যাদেশ মতে গণতান্ত্রিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় চলছে না। একাডেমিক কাউন্সিল নিয়মিত হচ্ছে না। যেখানে প্রভোস্ট হওয়ার কথা সিনিয়রদের সেখানে জুনিয়রদের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে। প্রশংসা করাকে যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে মাপা হচ্ছে। আসুন প্রতিবাদ করি। সাহস হারালে বিশ্ববিদ্যালয় তলানিতে এসে ঠেকবে।’
বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বলেন,‘স্বেচ্ছাচারিতা ও অরাজকতার বিরুদ্ধে আমরা এখানে এসে দাঁড়িয়েছি। একটি কু-পরিকল্পনার নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা লুটপাট ও পরিবারতন্ত্র কায়েমের চেষ্টা চলছে।’

সমাবেশে সম্মিলিত শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুল জাব্বার হাওলাদার, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক খবির উদ্দীন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চের মুখপাত্র অধ্যাপক রায়হান রাইন, অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ ভূঁইয়া, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক সায়মা খাতুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সেই সঙ্গে সমাবেশে বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

হামলার প্রতিবাদ: এদিকে আন্দোলনের সংগঠন জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক সাইমুম ইসলাম ও ছাত্রফ্রন্ট কর্মী সোহায়েব ইবনে মাসুদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে একটি নন-ফিকশন নাটক মঞ্চত্ব করেছে আন্দোলনকারীরা। গতকাল দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের সামনে দুপুর ১২টায় নাটকটি প্রদর্শিত হয়। নাটক শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে শিক্ষকদের সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে।
ছাত্রলীগের মিছিল: এদিকে ‘কাল্পনিক তথ্য’ এর মাধ্যমে একটি মহল বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘অস্থিতিশীল’ করছে দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শাখা ছাত্রলীগ। মিছিল শেষে ছাত্রলীগ সভাপতি জুয়েল রানা বলেন, ‘ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে থাকা অবস্থায় উন্নয়ন কাজকে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,০১৯১১৪৯০৫০৫

Design & Developed BY ThemesBazar.Com