ইহরাম ভাঙার ৯ কারণ

আমিন মুনশি : হজ ও ওমরার প্রথম ফরজ কাজ হলো ইহরাম। ইহরামের মূল উদ্দেশ্য- দুনিয়ার সব চাকচিক্য সাজসজ্জা থেকে নিজেকে বিরত রেখে একান্তভাবে আল্লাহর দিকে ধাবিত হওয়া। ইহরাম অবস্থায় অনেক কাজ আছে, যেগুলোর জন্য ইহরাম ভেঙে যায়। অনেক কাজ আছে সেগুলোর জন্য ইহরাম ভাঙে না তবে ফিদইয়া ওয়াজিব হয়। কেউ যদি নিজের অজ্ঞতাবশতঃ কিংবা ভুলে বা ঘুমের ঘোরে ইহরামের জন্য নিষিদ্ধ কাজ করে ফেলে, তবে তার জন্য যেমন কোনো গুনাহ নেই আবার এর জন্য ফিদইয়াও দিতে হবে না।

ইহরাম অবস্থায় যেসব কাজ নিষিদ্ধ:

১. ইহরামের কাপড়ে সুগন্ধি ব্যবহার করা। তবে দেহে সুগন্ধি ব্যবহারে দোষ নেই।

২. স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের জন্যই মাথার চুল এবং যে কোনো উপায়ে শরীরের যে কোনো স্থানের পশম ওঠানো।

৩. হাত ও পায়ের নখ কাটা।

৪. পশু-পাখী কিংবা যে কোনো প্রাণী শিকার করা। এমনকি শিকার ধরতে শিকারিকে ইশারা-ইঙ্গিতে সহযোগিতা করা। তবে ক্ষতিকর হিংস্র জীব-জন্ত বা পাণী মারার অনুমতি রয়েছে।

৫. যাবতীয় যৌনচার, ও যৌন মিলন একেবারেই নিষিদ্ধ। কারণ যৌনাচারের কারণে ইহরাম ভেঙে যাবে। ফলে পুনরায় ইহরাম বাধতে হবে। নতুবা হজ ও ওমরা হবে না। এছাড়াও বিয়ের প্রস্তাব, বিয়ের আকদ বা যৌন আলোচনা করাও নিষেধ।

৬. পুরুষের জন্য পাগড়ি, টুপি ও রুমাল ব্যবহার করা। তবে প্রচণ্ড গরম কিংবা বৃষ্টিতে ছাতা বা ছাতা সাদৃশ্য জিনিস ব্যবহার করায় দোষ নেই।

৭. পুরুষের জন্য কোনো প্রকার সেলাই করা কাপড় পরা। হতে পারে তা জুব্বা, পাঞ্জাবি, শার্ট, গেঞ্জি ও মোজা ইত্যাদি সেলাই করা কাপড় পরা। তবে তালি বা পট্টি লাগানো ইহরামের কাপড় পরায় কোনো দোষ নেই।

৮. নারীদের জন্য মুখ ঢাকা এবং হাত মোজা ব্যবহার করা। তবে নারীরা মুখ থেকে কাপড় আলাদা রাখতে হেলমেট ব্যবহার করে নিকাব পড়ায় কোনো দোষ নেই। কেননা পর পুরুষের সামনে মুখ ঢেকে রাখা ওয়াজিব।

৯. ইহরাম অবস্থায় ঝগড়া-বিবাদ করা এবং ইসলামি শরিয়তবিরোধী যে কোনো খারাপ কথা বলা।

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ৫০ টাকার নতুন নোট আসছে

» বেনাপোলে ভুয়া ফটো সাংবাদিক আটক

» লাখ টাকার জালনোটসহ দক্ষিণখানে আটক ৩

» আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে ঘিরে গুঞ্জন, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের না অন্য কেউ

» আওয়ামী লীগে গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষা, বিএনপির আলোচনায় কয়েকজন

» যে কারণে লাল কাপড়েই মোড়ানো হয় বিরিয়ানির হাঁড়ি

» ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বিকাশ এজেন্টের উপর যুবলীগের হামলা

» পরিত্যক্ত প্ল্যাস্টিকে লাল-সবুজের বাংলাদেশ

» ‘আমার হাত কতটুকু লম্বা তোরা কেন প্রধানমন্ত্রীও জানেন না’

» নতুন পথে

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

ইহরাম ভাঙার ৯ কারণ

আমিন মুনশি : হজ ও ওমরার প্রথম ফরজ কাজ হলো ইহরাম। ইহরামের মূল উদ্দেশ্য- দুনিয়ার সব চাকচিক্য সাজসজ্জা থেকে নিজেকে বিরত রেখে একান্তভাবে আল্লাহর দিকে ধাবিত হওয়া। ইহরাম অবস্থায় অনেক কাজ আছে, যেগুলোর জন্য ইহরাম ভেঙে যায়। অনেক কাজ আছে সেগুলোর জন্য ইহরাম ভাঙে না তবে ফিদইয়া ওয়াজিব হয়। কেউ যদি নিজের অজ্ঞতাবশতঃ কিংবা ভুলে বা ঘুমের ঘোরে ইহরামের জন্য নিষিদ্ধ কাজ করে ফেলে, তবে তার জন্য যেমন কোনো গুনাহ নেই আবার এর জন্য ফিদইয়াও দিতে হবে না।

ইহরাম অবস্থায় যেসব কাজ নিষিদ্ধ:

১. ইহরামের কাপড়ে সুগন্ধি ব্যবহার করা। তবে দেহে সুগন্ধি ব্যবহারে দোষ নেই।

২. স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের জন্যই মাথার চুল এবং যে কোনো উপায়ে শরীরের যে কোনো স্থানের পশম ওঠানো।

৩. হাত ও পায়ের নখ কাটা।

৪. পশু-পাখী কিংবা যে কোনো প্রাণী শিকার করা। এমনকি শিকার ধরতে শিকারিকে ইশারা-ইঙ্গিতে সহযোগিতা করা। তবে ক্ষতিকর হিংস্র জীব-জন্ত বা পাণী মারার অনুমতি রয়েছে।

৫. যাবতীয় যৌনচার, ও যৌন মিলন একেবারেই নিষিদ্ধ। কারণ যৌনাচারের কারণে ইহরাম ভেঙে যাবে। ফলে পুনরায় ইহরাম বাধতে হবে। নতুবা হজ ও ওমরা হবে না। এছাড়াও বিয়ের প্রস্তাব, বিয়ের আকদ বা যৌন আলোচনা করাও নিষেধ।

৬. পুরুষের জন্য পাগড়ি, টুপি ও রুমাল ব্যবহার করা। তবে প্রচণ্ড গরম কিংবা বৃষ্টিতে ছাতা বা ছাতা সাদৃশ্য জিনিস ব্যবহার করায় দোষ নেই।

৭. পুরুষের জন্য কোনো প্রকার সেলাই করা কাপড় পরা। হতে পারে তা জুব্বা, পাঞ্জাবি, শার্ট, গেঞ্জি ও মোজা ইত্যাদি সেলাই করা কাপড় পরা। তবে তালি বা পট্টি লাগানো ইহরামের কাপড় পরায় কোনো দোষ নেই।

৮. নারীদের জন্য মুখ ঢাকা এবং হাত মোজা ব্যবহার করা। তবে নারীরা মুখ থেকে কাপড় আলাদা রাখতে হেলমেট ব্যবহার করে নিকাব পড়ায় কোনো দোষ নেই। কেননা পর পুরুষের সামনে মুখ ঢেকে রাখা ওয়াজিব।

৯. ইহরাম অবস্থায় ঝগড়া-বিবাদ করা এবং ইসলামি শরিয়তবিরোধী যে কোনো খারাপ কথা বলা।

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সাবেক ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

বিশেষ প্রতিনিধি:মাকসুদা লিসা

 

 

 

১১২৫ পূর্ব মনিপুর , মিরপুর -২ ঢাকা -১২১৬

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com