ইচ্ছেমতো নেয়া হচ্ছে পিয়াজের দাম

রীতিমতো দাম বাড়ার প্রতিযোগিতা চলছে পিয়াজ বাজারে। রোববার ভারত পিয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই বাজারে বিরাজ করছে অস্থিরতা। ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে দাম। সোমবারই সেঞ্চুরি হাকিয়ে দাম উঠেছে ১২০ টাকা পর্যন্ত। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কি এমন হলো যে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দাম  বেড়ে দ্বিগুণের বেশি হয়ে যাবে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন করে আমদানি করা পিয়াজ দেশে আসেনি। যা বিক্রি হচ্ছে তা আগের মজুত। ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।

এ কারণে একেক বাজারে একেক দাম নেয়া হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মতো দাম আদায় করছেন। গতকাল খুচরা বাজারে একশ টাকার কমে দেশি বা ভারতীয় পিয়াজ বিক্রি হতে দেখা যায়নি। রাজধানীর শুক্রাবাদ বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি ও ভারতীয় পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১শ’ থেকে ১১০ টাকায়। বাজারে আসা আপেল নামে একজন বলেন, পিয়াজের দাম প্রতিদিন বাড়ছে। এই পিয়াজ দু’দিন আগে কিনেছি ৭০ টাকায়। তার আগের দিন ৫০ টাকায়। এই কদিনের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেলো দ্বিগুণেরও বেশি। রাসেল হোসেন নামের একজন বিক্রেতা বলেন, কাওরান বাজার থেকে এক বস্তা পিয়াজ কিনেছি ৩৬শ’ টাকায়। ৪০ কেজির বস্তা, আমার কেজি কেনা পড়েছে ৯০ টাকায়। পরিবহন খরচ আছে। দোকান ভাড়াসব মিলিয়ে ১শ’ টাকার বেশি দামে না বিক্রি করলে আমার লাভ থাকে না। রাজাবাজার, মোহাম্মদপুর, পান্থপথ, লালমাটিয়ার কয়েকটি বাজার ও দোকানে দেখা যায় একই চিত্র। পিয়াজের কেজি ১২০ টাকা হাঁকলেও বিক্রি করছেন ১শ’ থেকে ১১০ টাকায়। এদিকে পিয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ৪৫ টাকা করে প্রতি কেজি পিয়াজ বিক্রি করেছে। টিসিবি’র নির্ধারিত স্থানে ৩৫টি ট্রাকে মেলে এই পিয়াজ। একজন সর্বোচ্চ ২ কেজি করে কিনতে পারছেন। এদিকে গতকাল কয়েকটি স্থানে সরজমিন ঘুরে দেখা যায় ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন। কোথাও কোথাও দুপুরের আগেই ট্রাকের পিয়াজ শেষ হয়ে গেছে।

এদিতে গতকাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজারে পিয়াজের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করবে। এতে আরো বলা হয়, পিয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে এলসি মার্জিন এবং সুদের হার হ্রাস করার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমদানি পিয়াজ দ্রুত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাসের জন্য স্থল ও নৌ বন্দরগুলোয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বন্দর কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে পিয়াজ দ্রুত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পৌঁছানোর জন্য সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।মানবজমিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» তোফায়েল ভাই অভিবাদন

» পেয়ারার যত গুণ

» মৃত্যুর জন্য যে শহরে যান মানুষ!

» মজাদার বাদাম মাটন কোরমা রেসিপি

» যেভাবে চিনবেন পদ্মার ইলিশ

» ইমামের পেছনে সুরা ফাতেহা পড়লে কি গুনাহ হবে?

» ‘আধ্যাত্মিক গুরুর’ ছেলের অফিসে ২০ কোটি ডলার, ৯০ কেজি সোনা!

» সংবাদ সম্মেলনে না থাকার কারণ জানালেন মাশরাফি

» বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট দেখতে কলকাতা যাচ্ছেন শেখ হাসিনা

» নারী ও শিশু নির্যাতনের গল্পে তানহা তাসনিয়া

উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...
,

ইচ্ছেমতো নেয়া হচ্ছে পিয়াজের দাম

রীতিমতো দাম বাড়ার প্রতিযোগিতা চলছে পিয়াজ বাজারে। রোববার ভারত পিয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই বাজারে বিরাজ করছে অস্থিরতা। ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে দাম। সোমবারই সেঞ্চুরি হাকিয়ে দাম উঠেছে ১২০ টাকা পর্যন্ত। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কি এমন হলো যে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দাম  বেড়ে দ্বিগুণের বেশি হয়ে যাবে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন করে আমদানি করা পিয়াজ দেশে আসেনি। যা বিক্রি হচ্ছে তা আগের মজুত। ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।

এ কারণে একেক বাজারে একেক দাম নেয়া হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মতো দাম আদায় করছেন। গতকাল খুচরা বাজারে একশ টাকার কমে দেশি বা ভারতীয় পিয়াজ বিক্রি হতে দেখা যায়নি। রাজধানীর শুক্রাবাদ বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি ও ভারতীয় পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১শ’ থেকে ১১০ টাকায়। বাজারে আসা আপেল নামে একজন বলেন, পিয়াজের দাম প্রতিদিন বাড়ছে। এই পিয়াজ দু’দিন আগে কিনেছি ৭০ টাকায়। তার আগের দিন ৫০ টাকায়। এই কদিনের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেলো দ্বিগুণেরও বেশি। রাসেল হোসেন নামের একজন বিক্রেতা বলেন, কাওরান বাজার থেকে এক বস্তা পিয়াজ কিনেছি ৩৬শ’ টাকায়। ৪০ কেজির বস্তা, আমার কেজি কেনা পড়েছে ৯০ টাকায়। পরিবহন খরচ আছে। দোকান ভাড়াসব মিলিয়ে ১শ’ টাকার বেশি দামে না বিক্রি করলে আমার লাভ থাকে না। রাজাবাজার, মোহাম্মদপুর, পান্থপথ, লালমাটিয়ার কয়েকটি বাজার ও দোকানে দেখা যায় একই চিত্র। পিয়াজের কেজি ১২০ টাকা হাঁকলেও বিক্রি করছেন ১শ’ থেকে ১১০ টাকায়। এদিকে পিয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ৪৫ টাকা করে প্রতি কেজি পিয়াজ বিক্রি করেছে। টিসিবি’র নির্ধারিত স্থানে ৩৫টি ট্রাকে মেলে এই পিয়াজ। একজন সর্বোচ্চ ২ কেজি করে কিনতে পারছেন। এদিকে গতকাল কয়েকটি স্থানে সরজমিন ঘুরে দেখা যায় ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন। কোথাও কোথাও দুপুরের আগেই ট্রাকের পিয়াজ শেষ হয়ে গেছে।

এদিতে গতকাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজারে পিয়াজের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করবে। এতে আরো বলা হয়, পিয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে এলসি মার্জিন এবং সুদের হার হ্রাস করার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমদানি পিয়াজ দ্রুত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাসের জন্য স্থল ও নৌ বন্দরগুলোয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বন্দর কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে পিয়াজ দ্রুত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পৌঁছানোর জন্য সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।মানবজমিন

Facebook Comments
Share

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



উপদেষ্টা – আনোয়ার হোসেন জীবন, উপশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

উপদেষ্টা – মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরঃ (দপ্তর সম্পাদক)

উপদেষ্টা -মাকসুদা লিসা

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : শেখ মোঃ আতাহার হোসেন সুজন

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: শফিকুল ইসলাম আরজু

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

সহযোগী সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক হোসেন

বার্তা সম্পাদক :এ.এইচ.এম.শাহ্জাহান

 

 

 

 

ই-মেইল : dhakacrimenewsbd@gmail.com

মোবাইল : ০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com